করোনা পরীক্ষায় অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি চালু করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়


অথর
ক্যাম্পাস নিউজ সংবাদদাতা   ক্যাম্পাস নিউজ ডেক্স
প্রকাশিত :১৮ মে ২০২০, ৪:৫৪ অপরাহ্ণ | পঠিত : 160 বার
0
করোনা পরীক্ষায় অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি চালু করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

করোনা পরীক্ষায় অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি চালু করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জানা যায়, করোনাভাইরাস পরীক্ষায় দুর্ভোগ আর ভিড়ের মধ্যে সংক্রমণ ঝুঁকি কমাতেই তারা এই ব্যবস্থা নিয়েছে। অনলাইনে একটি ফর্ম পূরণ করে নির্ধারিত সময়ে গিয়ে পুরনো বেতার ভবনের নিচ তলায় ফিভার ক্লিনিকে গিয়ে সেবা নেওয়া যাবে। দ্বিতীয় তলায় কোভিড-১৯ ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য নমুনা জমা দিতেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের ফিভার ক্লিনিকে প্রতিদিন আড়াইশ থেকে তিনশ নমুনা সংগ্রহের সক্ষমতা রয়েছে। অথচ রোজ সেখানে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য ভিড় জমান এক হাজারের বেশি মানুষ। অসুস্থ শরীর নিয়ে তারা রোদের মধ্যে রাস্তার পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন। দীর্ঘ

সময় ধরে এভাবে অনেকে একসাথে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে যারা আক্রান্ত নন, তাদেরও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছিল। এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছিল। ছবি আর ভিডিওতে আসছিল রাজধানীর সবচেয়ে বড় হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য আসা মানুষের ভোগান্তির চিত্র। তাদের ভোগান্তি দূর করতেই এবার ‘অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট’র ব্যবস্থা নিয়েছে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ। নতুন নিয়মে ফিভার ক্লিনিকে চিকিৎসকের পরামর্শ পেতে হলে আগের দিন অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে। অনলাইনে পাওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া কেউ সেখানে সেবা নিতে পারবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.bsmmu.edu.bd) অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টর নিবন্ধন ফরম পাওয়া যাবে। সেখানে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী

হাসপাতলে গেলেই মিলবে সেবা বা করোনা পরীক্ষার সুযোগ। রেজিস্ট্রেশনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট মোবাইল ফোন থেকে এসএমএসে সাক্ষাতের সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেওয়া হবে। ওই সময় অনুযায়ী ফিভার ক্লিনিকে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো এসএমএস দেখিয়ে চিকিৎসাসেবা নেওয়া যাবে। কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার জন্যও একই পদ্ধতি কার্যকর হবে। কেউ নিবন্ধন করে ফিভার ক্লিনিকে যাওয়ার পর ডাক্তার যদি মনে করেন তার নমুনা পরীক্ষা প্রয়োজন, তাহলে ওই সময়ই তা নিয়ে নেওয়া হবে। আলাদা নিবন্ধন লাগবে না। মুক্তিযোদ্ধা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক এবং পুলিশ সদস্যরা নির্ধারিত কোটায় পরের দিনের সাক্ষাতের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। তবে যারা বিশেষ কোটায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাবেন, চিকিৎসাসেবা নেওয়ার সময় তাদের পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।

No Comments