করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ৩১ মার্চ পর্যন্ত


অথর
ডোনেট বাংলাদেশ ডেক্স   শিক্ষা সংবাদ
প্রকাশিত :১৭ মার্চ ২০২০, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ | পঠিত : 135 বার
0
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ৩১ মার্চ পর্যন্ত

দেশের সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এই নির্দেশনা কাল থেকে কার্যকর হবে। তবে আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি থাকবে। করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সোমবার মন্ত্রিসভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে সংবাদ সম্মেলন ডেকে দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং দেড়টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তের কথা জানান। ছুটির সময়ে শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। কোনো শিক্ষকের কাছে বা সেন্টারেও তারা কোচিং করতে যেতে পারবে না। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রশাসনকে এদিন বিকালেই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন

সংক্রমণের শিকার না হয়, তাদের মাধ্যমে যেন কেউ সংক্রমণের শিকার না হয় সেজন্য এই সিদ্ধান্ত। গ্রীষ্মকালীন ছুটির সঙ্গে এই অনির্ধারিত ছুটি সমন্বয় করা হবে। ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে। আর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩১ মার্চ পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ৩১ মার্চের পরবর্তী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে নির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজকে শিক্ষার্থীদের কাছে লেখা প্রধানমন্ত্রীর

চিঠি পাঠ কর্মসূচি ছিল। এটি বাতিল করা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের কাছে এই চিঠি প্রধান শিক্ষকরা পৌঁছে দেবেন। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ১৯৭৪ সালে ছাত্রলীগের এক সমাবেশে দেয়া ভাষণের অংশবিশেষ পাঠের কর্মসূচি ছিল। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে ছিল শোভাযাত্রার কর্মসূচি। এসব কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। তবে সেখানে ২৫ জনের বেশি সমবেত হতে পারবে না। এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন, সব শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট (পিটিআই ও নেপ) বন্ধ থাকবে। এতে কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ২৮ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। একই ঘোষণা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল

বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি হল খালি করার ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। পরিবর্তিত তারিখ পরে ঘোষণা করবে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এই অনির্ধারিত ছুটির কারণে শিক্ষার্থীদের গ্রীষ্মকালীন ছুটি এগিয়ে নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সাধারণত জুনে গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকে এই বিশ্ববিদ্যালয়। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জিতে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি নির্ধারিত আছে জুলাই মাসে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে আসছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, চুয়েট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস বর্জন করছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও বিবৃতি দিয়ে সাময়িকভাবে ক্যাম্পাসে ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনও শিক্ষা কার্যক্রম সাময়িক বন্ধের দাবি জানিয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি করেছিল। আর অভিভাবকদের দাবি তো ছিলই। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয় উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন মহল থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ব্যাপারে দাবি করা হয়েছে। গণমাধ্যমও এ নিয়ে প্রতিবেদন-নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। এসব কারণে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এই সিদ্ধান্ত। এমনকি এ সময়ে কোচিং সেন্টারও অবশ্যই বন্ধ থাকবে। ছুটির এ সময় শিক্ষার্থীরা বাসায় থাকবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগেই মুজিববর্ষের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। শুধু

গাছ লাগানোর বিষয় আছে। প্রধান শিক্ষক বা অন্য শিক্ষকরা জমায়েত ছাড়া গাছ রোপণ কর্মসূচি নিশ্চিত করবেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সামনে রমজান এবং গ্রীষ্মকালীন ছুটি আছে। প্রয়োজন হলে সেই ছুটির সঙ্গে এখনকার ছুটি সমন্বয় করা হবে। ১ এপ্রিল থেকে অনুষ্ঠেয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এখনও আছে। পরীক্ষার কাছাকাছি সময়ে গিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ছাত্রছাত্রীদের ঘরে রাখার বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন। পাশাপাশি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ব্যাপারে যেসব নির্দেশনা দেয়া আছে তা প্রতিপালনের ব্যবস্থা করবেন। বাসায় থাকবেন মানে বাসায় থাকবেন। কোথাও বেড়াতে যাবেন না। কোচিং সেন্টারে যাবেন না। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, দেশের এক কোটি


৪০ লাখ শিশুর কাছে চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুজিববর্ষ উপলক্ষে এ চিঠি লিখেছেন তিনি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা তার এ চিঠি মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে পাঠ করার কথা ছিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। তবে সেটি হচ্ছে না। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বন্ধের সময়টা শিক্ষার্থীদের বাড়িতে থাকতে হবে। এ সময় বাইরে ঘোরাফেরা করা যাবে না। বাসায় বসে লেখাপড়া করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় তাহলে আবারও স্কুল খোলা হবে। নতুবা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ সময় গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, করোনাভাইরাস থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ রাখতে সাময়িকভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর চিঠি পাঠের কর্মসূচিও বাতিল করা হল। তবে প্রধানমন্ত্রীর লেখা সেই চিঠি আজই (সোমবার) পৌঁছে দেয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের কাছে। তারা বাড়িতে বসে পাঠ করবে সেই চিঠি। প্রধান শিক্ষকরা এটি নিশ্চিত করবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা সাময়িক স্থগিত : ঢাবি প্রতিনিধি জানান, করোনাভাইরাস আতঙ্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পর প্রশাসন আগামী ১১ দিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা সাময়িক স্থগিত করেছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যদিও ১৮ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু থাকবে, একই সঙ্গে আবাসিক হলগুলোও খোলা থাকবে। এদিকে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে হল ছাড়তে শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল ১০টায় উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন আবদুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক জরুরি সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উপাচার্য আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইন্সটিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারপারসন, হল প্রাধ্যক্ষ, প্রক্টর, প্রধান মেডিকেল অফিসারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন ভিসি লাউঞ্জে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ১৮ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত থাকবে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ব্রিফিংয়ে উপাচার্য বলেন, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৮ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি গুরুত্বপূণ কাজ- ক্লাস ও পরীক্ষা সাময়িক স্থগিত থাকবে। তবে পরে এই সময় আরও বাড়ানোর দরকার হলে এ বিষয়ে বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, এ সময়টাতে যেসব পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল, এই তারিখগুলো পুনর্বিন্যাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে অনুরোধ জানাব। একই সঙ্গে পরীক্ষার নতুন তারিখ যেন শিক্ষার্থীরা দ্রুত জানতে পারে সেই আহ্বানও জানাব। তিনি বলেন, যে সময়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে, সেটি সামনের গ্রীষ্মকালীন ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে পুষিয়ে নেয়া হবে। যাতে সামগ্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম হুমকির মধ্যে না পড়ে। এই সুরক্ষা দেয়াটাও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যালেন্ডার পুনর্বিন্যাস করা হবে। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হলেও ঢাবি কেন ২৮ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্যদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আমরা জানি না। এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করার পর করোনাভাইরাস আতঙ্কে আবাসিক হল ছাড়তে শুরু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আবাসিক হল বন্ধ করা হবে কিনা- জানতে চাইলে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করেননি উপাচার্য আখতারুজ্জামান। ১৯ মার্চের মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ : জাবি প্রতিনিধি জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ক্লাস-পরীক্ষা আগামীকাল বুধবার (১৮ মার্চ) থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ১৯ মার্চ বেলা ১১টার মধ্যে আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. নুরুল আলম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়। সিন্ডিকেট সভা শেষে অধ্যাপক নূরুল আলম বলেন, ‘করোনাভাইরাস মোকাবেলার লক্ষ্যে আগামী ১৮ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের আগামী ১৯ মার্চ সকাল ১১টার মধ্যে আবাসিক হল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া ২২ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস বন্ধ থাকবে। তবে এ সময় বিদ্যুৎ, পানি ও চিকিৎসাসেবাগুলো চালু থাকবে।’ এর আগে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব ধরনের সভা-সমাবেশ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘করোনাভাইরাস আক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় অভ্যন্তরে শিক্ষা সফর, ক্যাম্পাস পরিদর্শন, অতিথি পাখি দেখা, বিভিন্ন ব্যাচের পুনর্মিলনী, শুটিং, কনসার্টসহ সব ধরনের অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হল।’ একই সঙ্গে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানও স্থগিত করা হয়।

No Comments