চলে গেলেন সংগীতশিল্পী অধ্যাপক হাশেম


অথর
বিনোদন ডেক্স   সারা বিশ্ব
প্রকাশিত :২৪ মার্চ ২০২০, ৮:০৩ অপরাহ্ণ | পঠিত : 139 বার
0
চলে গেলেন সংগীতশিল্পী অধ্যাপক হাশেম

মারা গেলেন নোয়াখালীর আঞ্চলিক গানের গীতিকার, সুরকার ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অধ্যাপক মো. হাশেম। সোমবার দুপুর ২টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। অধ্যাপক হাশেম ৪০ বছর ধরে নোয়াখালীর আঞ্চলিক গান নিয়ে গবেষণা করছেন। লিখেছেন অন্তত পনেরশ গান। নিজেই গেয়েছেন বেতার-টেলিভিশনে। নোয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকে সংগীতে রূপান্তর করে একে দিয়েছেন ব্যাপক পরিচিত। শুধু নোয়াখালীর আঞ্চলিক গানই নয়, তিনি এরই মধ্যে পাঁচ শতাধিক পলস্নীগীতি?ও লিখেছেন। লোকমুখে তিনি এখন নোয়াখালীর আঞ্চলিক গানের সম্রাট, জনক, কিংবদন্তি। মোহাম্মদ হাশেম ১৯৪৭ সালের ১০ জানুয়ারি নোয়াখালী সদর থানার চরমটুয়া ইউনিয়নের শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নিজ গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিয়াজ মোহাম্মদ হাইস্কুলে মাধ্যমিক পাস করে

তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সনদপ্রাপ্ত হন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই তার সংগীত প্রতিভার ঊন্মেষ ঘটে। সংগীতেও তার উচ্চতর ডিগ্রি রয়েছে। লোকসংগীত সম্রাট শিল্পী আবদুল আলীম তার সংগীত গুরু। ঢাকা মিউজিক কলেজে সংগীতে ডিগ্রি নেওয়ার পর তিনি সেখানেই বাংলা বিভাগ ও সংগীতের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭৩-১৯৭৪ সালের দিকে মোহাম্মদ হাশেম নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় গান লিখতে শুরু করেন। এর আগে নোয়াখালী অঞ্চলের কোনো গান ছিল না। তার হাত ধরেই এ অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা, আনন্দ-বেদনা, মেঘনা পারের মানুষের সংগ্রামী জীবনাচার সংগীতে রূপ নেয়। তার অধিকাংশ গান সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তুমুল

জনপ্রিয়তা পায়। নোয়াখালীর প্রধান সংগীত খ্যাত 'আঙ্গো বাড়ি নোয়াখালী রয়াল ডিস্ট্রিক ভাই/ হেনী মাইজদী চৌমুহনীর নাম কে হুনে নাই'-গানটি তাকে বেশ খ্যাতি এনে দেয়।

No Comments