বাংলাদেশকেই নিরাপদ মনে করছেন আবাহনীর কোচ


অথর
ফুটবল ডেক্স   ক্রীড়া অঙ্গন
প্রকাশিত :২৪ মার্চ ২০২০, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ | পঠিত : 135 বার
0
বাংলাদেশকেই নিরাপদ মনে করছেন আবাহনীর কোচ

করোনাভাইরাসে পর্তুগালের চলমান পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তা ঢাকা আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমোসের। আপাতত হোটেলে রুমবন্দি। সময় কাটছে সিনেমা ও খেলোয়াড়দের ভিডিও দেখে। ছুটি পেলেও আপাতত বাংলাদেশে থাকাটাই নিরাপদ মনে করছেন তিনি। এই দুঃসময়ে সবাইকে শক্ত এবং নিরাপদ থাকার বার্তা দিলেন এই পর্তুগিজ কোচ।করোনাভাইরাসের প্রভাবে প্রিমিয়ার লিগের দু-একটি ক্লাব ছাড়া বেশিরভাগ ক্লাবই ফুটবলারদের কয়েকদিনের জন্য ছুটি দিয়েছে। দেশীয় ফুটবলাররা যার যার পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে গেলেও, ক্লাবগুলোর বিদেশি ফুটবলারসহ কোচিং স্টাফরা বাংলাদেশেই আছেন। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কঠিন পরিস্থিতিতে দুশ্চিন্তাও কম নয় তাদের।এই যেমন আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমোস করোনাভাইরাস নিয়ে বেশ চিন্তিত। কারণ, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো লেমোসের দেশ পর্তুগালে এরই মধ্যে ১২

হাজারের বেশি মানুষ কোভিড নাইন্টিনে আক্রান্ত। তাই এই মুহূর্তে পরিবারের সান্নিধ্য খুব মিস করছেন লেমোস। তবে মাতৃভূমিতে না যেতে পারলেও, পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশকে নিরাপদ মনে করছেন আবাহনীর কোচ। এ প্রসঙ্গে মারিও লেমোস বলেন, 'দেখুন, একজন কোচ হিসেবে সবার আগে ফুটবলারদের নিরাপদে রাখাটাকে প্রাধান্য দিতে চাই আমি। করোনাভাইরাসকে গুরুত্ব দিয়ে সচেতন থাকাটা জরুরি। চলমান পরিস্থিতিতে ছুটিতে থেকেও পরিবারকে খুব মিস করছি। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি আকার ধারণ করলেও, এই মুহূর্তে বাংলাদেশকে নিরাপদ মনে করছি। আর লিগে দল শীর্ষে আছে। তাই ফুটবলাররা ফিরলে আবার নতুন উদ্যমে প্রস্তুতি শুরু করব।'মাঠে খেলা না থাকলেও কাজ পুরোপুরি থেমে নেই লেমোসের। দিনের রুটিন জানতে চাইলে ৩৩ বছর বয়সী

এই কোচ বরাবরের মতোই দিলেন লম্বা উত্তর, 'শুধু রুমে বসে থাকতে হচ্ছে। এটা পীড়াদায়ক। কেননা, রুমে বসে থাকার চেয়ে আমি কাজ করাটাকেই প্রাধান্য দিই। কিন্তু করোনাভাইরাস খুব বিপদজ্জনক। তাই কাজের চেয়ে নিরাপদ থাকাই এ মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, দ্রম্নতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে।''অবশ্য হোটেলে থাকার সুবাদে সকালে আমি ওদের জিমটা ব্যবহার করতে পারছি। বিকালে নিজের কিছু কাজ করছি। গেমস খেলছি। খেলোয়াড়দের ভিডিও দেখছি। সময় পার করতে দেখছি মুভিও।' যোগ করেন লেমোস। খেলা বন্ধ হওয়ায় কোচদের কেউ কেউ ছুটি কাটাতে দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। লেমোসেরও সুযোগ ছিল পর্তুগালে ফিরে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানোর। কিন্তু তিনি থেকে গেছেন ঢাকাতেই।

No Comments