অফিসের দরজা আটকে প্রকৌশলীকে পেটালেন ছাত্রলীগ সভাপতি - ডোনেট বাংলাদেশ

ঢাকার দোহার উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহের অফিস কক্ষে ঢুকে পেটানো ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। রোববার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দোহার থানায় মামলা করেছেন কবির উদ্দিন শাহ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ নিয়ে আমিনুল ইসলামের সঙ্গে প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহর অফিস কক্ষে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমিনুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওই অফিসের দরজা বন্ধ করে নির্বাহী প্রকৌশলীকে আটকে রেখে গালমন্দ করেন। এক পর্যায়ে আমিনুলের সঙ্গে থাকা ৪-৫ জন মিলে কবির উদ্দিনকে পিটিয়ে আহত করেন এবং অফিস কক্ষের সাড়ে ৯ হাজার টাকার মালামালের ক্ষতি করেন। পরে কবির উদ্দিন প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

কবির উদ্দিন শাহ বলেন, আমিনুল ও তার সহযোগীরা আমাকে মারধর করে টেবিলের গ্লাসহ কিছু জিনিসপত্র ভেঙে ফেলেছে। এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে দোহার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, কার্তিকপুর একটি স্কুলের ভবনের ঢালাই কাজে প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহ্ আমার কাছে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সে ছাত্রলীগকে নিয়ে কটাক্ষ করলে আমার সঙ্গে থাকা এক কর্মী তাকে ক্যালকুলেটর ছুড়ে মারে।

দোহার থানা পুলিশের ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকার দোহার উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহের অফিস কক্ষে ঢুকে পেটানো ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। রোববার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দোহার থানায় মামলা করেছেন কবির উদ্দিন শাহ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ নিয়ে আমিনুল ইসলামের সঙ্গে প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহর অফিস কক্ষে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমিনুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওই অফিসের দরজা বন্ধ করে নির্বাহী প্রকৌশলীকে আটকে রেখে গালমন্দ করেন। এক পর্যায়ে আমিনুলের সঙ্গে থাকা ৪-৫ জন মিলে কবির উদ্দিনকে পিটিয়ে আহত করেন এবং অফিস কক্ষের সাড়ে ৯ হাজার টাকার মালামালের ক্ষতি করেন। পরে কবির উদ্দিন প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

কবির উদ্দিন শাহ বলেন, আমিনুল ও তার সহযোগীরা আমাকে মারধর করে টেবিলের গ্লাসহ কিছু জিনিসপত্র ভেঙে ফেলেছে। এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে দোহার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, কার্তিকপুর একটি স্কুলের ভবনের ঢালাই কাজে প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহ্ আমার কাছে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সে ছাত্রলীগকে নিয়ে কটাক্ষ করলে আমার সঙ্গে থাকা এক কর্মী তাকে ক্যালকুলেটর ছুড়ে মারে।

দোহার থানা পুলিশের ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অফিসের দরজা আটকে প্রকৌশলীকে পেটালেন ছাত্রলীগ সভাপতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ নভেম্বর, ২০২১ | ২:৫৩ 85 ভিউ
ঢাকার দোহার উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহের অফিস কক্ষে ঢুকে পেটানো ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। রোববার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দোহার থানায় মামলা করেছেন কবির উদ্দিন শাহ। মামলা সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ নিয়ে আমিনুল ইসলামের সঙ্গে প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহর অফিস কক্ষে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমিনুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওই অফিসের দরজা বন্ধ করে নির্বাহী প্রকৌশলীকে আটকে রেখে গালমন্দ করেন। এক পর্যায়ে আমিনুলের সঙ্গে থাকা ৪-৫ জন মিলে কবির উদ্দিনকে পিটিয়ে আহত করেন এবং অফিস কক্ষের সাড়ে ৯ হাজার টাকার মালামালের ক্ষতি করেন। পরে কবির উদ্দিন প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। কবির উদ্দিন শাহ বলেন, আমিনুল ও তার সহযোগীরা আমাকে মারধর করে টেবিলের গ্লাসহ কিছু জিনিসপত্র ভেঙে ফেলেছে। এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে দোহার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, কার্তিকপুর একটি স্কুলের ভবনের ঢালাই কাজে প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহ্ আমার কাছে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সে ছাত্রলীগকে নিয়ে কটাক্ষ করলে আমার সঙ্গে থাকা এক কর্মী তাকে ক্যালকুলেটর ছুড়ে মারে। দোহার থানা পুলিশের ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: