আখের লালপচা রোগ প্রতিরোধে যা করতে হবে - ডোনেট বাংলাদেশ

অর্থকরী ফসল হিসেবে আখ কৃষকের পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে। এক বিঘা জমিতে আখ চাষ করে কেউ কেউ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন।

তবে আখ চাষে সফলতা পেতে হলে অবশ্যই ঠিকমতো যত্ন নিতে হবে। বিশেষ করে এ সময়ে আখ ফসলে লালপচা রোগ দেখা দেয়। রোগটি দমনে অবশ্যই কৃষককে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
আসুন জেনে নেয়া যাক আখ ফসলের লালপচা রোগের বিস্তারিত তথ্য।

কৃষি তথ্য সার্ভিস জানায়, এ রোগের আক্রমণ হলে আখের কাণ্ড পচে যায় এবং হলদে হয়ে শুকিয়ে যেতে থাকে। এজন্য আক্রান্ত আখ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং জমিতে যেন পানি না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এছাড়া রোগমুক্ত বীজ বা শোধন করা বীজ ব্যবহার করলে অথবা রোগ প্রতিরোধী জাত চাষ করলে লালপচা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। লালপচা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন কয়েকটি আখের জাত হচ্ছে ঈশ্বরদী ১৬, ২০, ২১।

বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে প্রায় ১.৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয় (এর মধ্যে ১ লক্ষ হেক্টর চিনিকল এলাকায় এবং ০.৮ লক্ষ হেক্টর চিনিকল বহির্ভূত গুড় এলাকায়) এবং এ থেকে সর্বমোট ৭৩ লক্ষ টন আখ উৎপাদিত হয়।
এতে আখের গড় ফলন দাঁড়ায় ৪০.৫২ টন/হেক্টর (চিনিকল এলাকায় ৪৬ টন/হেক্টর, গুড় এলাকায় ৩৬ টন/হেক্টর)। চাহিদানুযায়ী প্রতিবছর ৯ লক্ষ টন চিনি ও গুড়ের জন্য দরকার মোট ১ কোটি ১১ লক্ষ টন ইক্ষু। আখের হেক্টরপ্রতি উৎপাদন বৃদ্ধি না হলে ওই পরিমাণ আখ উৎপাদন সম্ভব নয়।

অর্থকরী ফসল হিসেবে আখ কৃষকের পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে। এক বিঘা জমিতে আখ চাষ করে কেউ কেউ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন।

তবে আখ চাষে সফলতা পেতে হলে অবশ্যই ঠিকমতো যত্ন নিতে হবে। বিশেষ করে এ সময়ে আখ ফসলে লালপচা রোগ দেখা দেয়। রোগটি দমনে অবশ্যই কৃষককে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।
আসুন জেনে নেয়া যাক আখ ফসলের লালপচা রোগের বিস্তারিত তথ্য।

কৃষি তথ্য সার্ভিস জানায়, এ রোগের আক্রমণ হলে আখের কাণ্ড পচে যায় এবং হলদে হয়ে শুকিয়ে যেতে থাকে। এজন্য আক্রান্ত আখ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং জমিতে যেন পানি না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এছাড়া রোগমুক্ত বীজ বা শোধন করা বীজ ব্যবহার করলে অথবা রোগ প্রতিরোধী জাত চাষ করলে লালপচা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। লালপচা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন কয়েকটি আখের জাত হচ্ছে ঈশ্বরদী ১৬, ২০, ২১।

বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে প্রায় ১.৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয় (এর মধ্যে ১ লক্ষ হেক্টর চিনিকল এলাকায় এবং ০.৮ লক্ষ হেক্টর চিনিকল বহির্ভূত গুড় এলাকায়) এবং এ থেকে সর্বমোট ৭৩ লক্ষ টন আখ উৎপাদিত হয়।
এতে আখের গড় ফলন দাঁড়ায় ৪০.৫২ টন/হেক্টর (চিনিকল এলাকায় ৪৬ টন/হেক্টর, গুড় এলাকায় ৩৬ টন/হেক্টর)। চাহিদানুযায়ী প্রতিবছর ৯ লক্ষ টন চিনি ও গুড়ের জন্য দরকার মোট ১ কোটি ১১ লক্ষ টন ইক্ষু। আখের হেক্টরপ্রতি উৎপাদন বৃদ্ধি না হলে ওই পরিমাণ আখ উৎপাদন সম্ভব নয়।

আখের লালপচা রোগ প্রতিরোধে যা করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:৩৫ 78 ভিউ
অর্থকরী ফসল হিসেবে আখ কৃষকের পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে। এক বিঘা জমিতে আখ চাষ করে কেউ কেউ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। তবে আখ চাষে সফলতা পেতে হলে অবশ্যই ঠিকমতো যত্ন নিতে হবে। বিশেষ করে এ সময়ে আখ ফসলে লালপচা রোগ দেখা দেয়। রোগটি দমনে অবশ্যই কৃষককে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। আসুন জেনে নেয়া যাক আখ ফসলের লালপচা রোগের বিস্তারিত তথ্য। কৃষি তথ্য সার্ভিস জানায়, এ রোগের আক্রমণ হলে আখের কাণ্ড পচে যায় এবং হলদে হয়ে শুকিয়ে যেতে থাকে। এজন্য আক্রান্ত আখ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং জমিতে যেন পানি না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া রোগমুক্ত বীজ বা শোধন করা বীজ ব্যবহার করলে অথবা রোগ প্রতিরোধী জাত চাষ করলে লালপচা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। লালপচা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন কয়েকটি আখের জাত হচ্ছে ঈশ্বরদী ১৬, ২০, ২১। বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে প্রায় ১.৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয় (এর মধ্যে ১ লক্ষ হেক্টর চিনিকল এলাকায় এবং ০.৮ লক্ষ হেক্টর চিনিকল বহির্ভূত গুড় এলাকায়) এবং এ থেকে সর্বমোট ৭৩ লক্ষ টন আখ উৎপাদিত হয়। এতে আখের গড় ফলন দাঁড়ায় ৪০.৫২ টন/হেক্টর (চিনিকল এলাকায় ৪৬ টন/হেক্টর, গুড় এলাকায় ৩৬ টন/হেক্টর)। চাহিদানুযায়ী প্রতিবছর ৯ লক্ষ টন চিনি ও গুড়ের জন্য দরকার মোট ১ কোটি ১১ লক্ষ টন ইক্ষু। আখের হেক্টরপ্রতি উৎপাদন বৃদ্ধি না হলে ওই পরিমাণ আখ উৎপাদন সম্ভব নয়।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: