আখ চাষের এখনই সময়, সফলতা পেতে যা করণীয় - ডোনেট বাংলাদেশ

আখ চাষে সফলতা পেতে হলে অবশ্যই সঠিক সময়ে সঠিক জাত নির্বাচন করতে হবে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আখ চাষে অধিক মুনাফা মিলবে। তবে রোগ বালাই দমনসহ সবদিক খেয়াল রেখেই আখ চাষে নামতে হবে।

ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সমজিৎ কুমার পাল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এখন আখের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। ভালোভাবে জমি তৈরি করে আখের চারা রোপণ করা উচিত।
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট জানায়, আখ রোপণের জন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব ৯০ সেন্টিমিটার থেকে ১২০ সেন্টিমিটার এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৬০ সেন্টিমিটার রাখতে হয়। এভাবে চারা রোপণ করলে বিঘাপ্রতি ২২শ-২৫শ চারার প্রয়োজন হয়।

নতুন উদ্ভাবিত কয়েকটি আখের জাত বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কৃষক পর্যায়ে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বিএসআরআই আখ ৪১, বিএসআরআই আখ ৪২, বিএসআরআই আখ ৪৩, বিএসআরআই আখ ৪৪, বিএসআরআই আখ ৪৫ ও বিএসআরআই আখ ৪৬।

বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইক্ষু চারা উৎপাদন করা যায়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পলি ব্যাগ/চটের ব্যাগ চারা পদ্ধতি, সাধারন বীজতলা পদ্ধতি, গাছ চারা বা রাইউনগান পদ্ধতি, ল্যাটারাল সুট পদ্ধতি, স্টকলেস পদ্ধতি, চোখ চারা/বাডচিপ পদ্ধতি।

ড. সমজিৎ কুমার পাল জানান, আখ এমন একটি ফসল যার রোপণকাল থেকে পরিপক্বতা পর্যন্ত ১০-১৪ মাস সময় প্রয়োজন হয়। এ সময়ে বিভিন্ন পরিচর্যার ওপর আখের সঠিক বৃদ্ধি ও গড় উৎপাদন নির্ভর করে। আখের পরিচর্যা শ্রমিক নির্ভরশীল বিধায় আখচাষের মাধ্যমে কৃষি শ্রমিকদের সারা বছর কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব।
তিনি বলেন, এক হেক্টর আখের জমি লাগানো থেকে কাটা পর্যন্ত প্রায় ৬০০ শ্রমিক-দিবসের প্রয়োজন হয়। অন্য কোনো ফসল আবাদের জন্য এত শ্রমিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে দেশের দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা, যেখানে কৃষি শ্রমিকদের কাজ ধানচাষের ওপর নির্ভরশীল, আগস্ট থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত তারা (কৃষি শ্রমিকরা) কাজের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করে, সেখানে আখ চাষের মাধ্যমে বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব।

আখ চাষে সফলতা পেতে হলে অবশ্যই সঠিক সময়ে সঠিক জাত নির্বাচন করতে হবে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আখ চাষে অধিক মুনাফা মিলবে। তবে রোগ বালাই দমনসহ সবদিক খেয়াল রেখেই আখ চাষে নামতে হবে।

ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সমজিৎ কুমার পাল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এখন আখের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। ভালোভাবে জমি তৈরি করে আখের চারা রোপণ করা উচিত।
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট জানায়, আখ রোপণের জন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব ৯০ সেন্টিমিটার থেকে ১২০ সেন্টিমিটার এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৬০ সেন্টিমিটার রাখতে হয়। এভাবে চারা রোপণ করলে বিঘাপ্রতি ২২শ-২৫শ চারার প্রয়োজন হয়।

নতুন উদ্ভাবিত কয়েকটি আখের জাত বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কৃষক পর্যায়ে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বিএসআরআই আখ ৪১, বিএসআরআই আখ ৪২, বিএসআরআই আখ ৪৩, বিএসআরআই আখ ৪৪, বিএসআরআই আখ ৪৫ ও বিএসআরআই আখ ৪৬।

বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইক্ষু চারা উৎপাদন করা যায়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পলি ব্যাগ/চটের ব্যাগ চারা পদ্ধতি, সাধারন বীজতলা পদ্ধতি, গাছ চারা বা রাইউনগান পদ্ধতি, ল্যাটারাল সুট পদ্ধতি, স্টকলেস পদ্ধতি, চোখ চারা/বাডচিপ পদ্ধতি।

ড. সমজিৎ কুমার পাল জানান, আখ এমন একটি ফসল যার রোপণকাল থেকে পরিপক্বতা পর্যন্ত ১০-১৪ মাস সময় প্রয়োজন হয়। এ সময়ে বিভিন্ন পরিচর্যার ওপর আখের সঠিক বৃদ্ধি ও গড় উৎপাদন নির্ভর করে। আখের পরিচর্যা শ্রমিক নির্ভরশীল বিধায় আখচাষের মাধ্যমে কৃষি শ্রমিকদের সারা বছর কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব।
তিনি বলেন, এক হেক্টর আখের জমি লাগানো থেকে কাটা পর্যন্ত প্রায় ৬০০ শ্রমিক-দিবসের প্রয়োজন হয়। অন্য কোনো ফসল আবাদের জন্য এত শ্রমিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে দেশের দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা, যেখানে কৃষি শ্রমিকদের কাজ ধানচাষের ওপর নির্ভরশীল, আগস্ট থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত তারা (কৃষি শ্রমিকরা) কাজের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করে, সেখানে আখ চাষের মাধ্যমে বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব।

আখ চাষের এখনই সময়, সফলতা পেতে যা করণীয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০২১ | ৬:৫১ 52 ভিউ
আখ চাষে সফলতা পেতে হলে অবশ্যই সঠিক সময়ে সঠিক জাত নির্বাচন করতে হবে। এছাড়া বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আখ চাষে অধিক মুনাফা মিলবে। তবে রোগ বালাই দমনসহ সবদিক খেয়াল রেখেই আখ চাষে নামতে হবে। ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সমজিৎ কুমার পাল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এখন আখের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। ভালোভাবে জমি তৈরি করে আখের চারা রোপণ করা উচিত। ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট জানায়, আখ রোপণের জন্য সারি থেকে সারির দূরত্ব ৯০ সেন্টিমিটার থেকে ১২০ সেন্টিমিটার এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৬০ সেন্টিমিটার রাখতে হয়। এভাবে চারা রোপণ করলে বিঘাপ্রতি ২২শ-২৫শ চারার প্রয়োজন হয়। নতুন উদ্ভাবিত কয়েকটি আখের জাত বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কৃষক পর্যায়ে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বিএসআরআই আখ ৪১, বিএসআরআই আখ ৪২, বিএসআরআই আখ ৪৩, বিএসআরআই আখ ৪৪, বিএসআরআই আখ ৪৫ ও বিএসআরআই আখ ৪৬। বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইক্ষু চারা উৎপাদন করা যায়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে পলি ব্যাগ/চটের ব্যাগ চারা পদ্ধতি, সাধারন বীজতলা পদ্ধতি, গাছ চারা বা রাইউনগান পদ্ধতি, ল্যাটারাল সুট পদ্ধতি, স্টকলেস পদ্ধতি, চোখ চারা/বাডচিপ পদ্ধতি। ড. সমজিৎ কুমার পাল জানান, আখ এমন একটি ফসল যার রোপণকাল থেকে পরিপক্বতা পর্যন্ত ১০-১৪ মাস সময় প্রয়োজন হয়। এ সময়ে বিভিন্ন পরিচর্যার ওপর আখের সঠিক বৃদ্ধি ও গড় উৎপাদন নির্ভর করে। আখের পরিচর্যা শ্রমিক নির্ভরশীল বিধায় আখচাষের মাধ্যমে কৃষি শ্রমিকদের সারা বছর কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব। তিনি বলেন, এক হেক্টর আখের জমি লাগানো থেকে কাটা পর্যন্ত প্রায় ৬০০ শ্রমিক-দিবসের প্রয়োজন হয়। অন্য কোনো ফসল আবাদের জন্য এত শ্রমিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে দেশের দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা, যেখানে কৃষি শ্রমিকদের কাজ ধানচাষের ওপর নির্ভরশীল, আগস্ট থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত তারা (কৃষি শ্রমিকরা) কাজের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করে, সেখানে আখ চাষের মাধ্যমে বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: