আয়নায় মুখ দেখতে বলার যে ব্যাখ্যা দিলেন মুশফিক - ডোনেট বাংলাদেশ

মুশফিকুর রহিম তার ‘আয়নায় মুখ’ দেখতে বলা বক্তব্যের ব্যাখা দিয়েছেন। মুশফিকের দাবি, অনেকেই তার কথার মূল বক্তব্য বুঝতে পারেননি।

গত ২৪ অক্টোবর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে সমালোচনাকারীদের আয়না দেখতে বলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। মুশফিকের এই বক্তব্য ব্যাপক ট্রল হয়।

ঘটনার প্রায় ২৫ দিন পর এটা নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার পাকিস্তান সিরিজের টি-টোয়েন্টি দলে তার না থাকা, বিশ্বকাপে নিজের ও দলের ব্যর্থতাসহ অনেক কিছু নিয়ে কথা বলেন। সেখানেই উঠে আসে ‘আয়না দেখতে বলা’ সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ।

মুশফিক বলেন, আমি ইঙ্গিত দিতে চেয়েছি, শুধু আমি নই, জাতি হিসেবে যদি আমরা সবাই নিজেদের একটু আয়নার সামনে দেখতে পারি, সেটা মানুষ হিসেবেই উচিত। আজকে আমি খারাপ খেলছি দেখে আমাকে বলবেন, কালকে ভালো খেললে তালি দেবেন, এটা এসবের অংশ নয়। সেদিক থেকে বলেছি।

মুশফিক বলেন, এখন কেউ যদি এটা ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে থাকেন বা অন্যভাবে বলে থাকেন, তাহলে আমি মনে করি, আমি যেহেতু ওভাবে বলিনি, সেক্ষেত্রে কে কী মনে করল, এটায় আমার কিছু করার নেই।

মুশফিকের মতে, বিশ্বকাপে দলের ব্যর্থতার অংশ শুধু ক্রিকেটাররা নয়, সংশ্লিষ্ট সবাই।

তার ভাষায়, আমরা খারাপ করায় মিডিয়া বা দেশের মানুষ, সবারই খারাপ লেগেছে। তবে আপনারাও কিন্তু একটা অংশ। সবারই ব্যর্থতার অংশ এটি। এই উপলব্ধি থাকা উচিত। আমাদের যতটা খারাপ লেগেছে, অন্যদের হয়তো অতটা থাকবে না। তবে এটা সামগ্রিক একটা ব্যর্থতা।

মুশফিক বলেন, আমার কাছে মনে হয়, ব্যর্থতার জায়গাটায় যদি আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারি, পরস্পরের পাশে থাকি, তাহলে সময়টা দ্রুত পার হবে।

প্রসঙ্গত, প্রথম রাউন্ডে স্কটল্যান্ডের কাছে হারার পর সংবাদমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান। কাঠগড়ায় দাঁড় করান তিনি তিন সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিক, সাকিব আল হাসান ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তখন দল ও ক্রিকেটারদের সমালোচনা হচ্ছিল প্রবল।

এসবের প্রসঙ্গেই সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ ঝাড়েন মুশফিক। তিনি বলেছিলেন, ক্রিকেটার হিসেবে ভালো করলে সবাই তালি দেবে, খারাপ করলে গালি দেবে। এটাই স্বাভাবিক, তাই না? আর এটা আমার প্রথম নয়, গত ১৬ বছর ধরে খেলছি, এটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়। আমার কাছে খুবই নরম্যাল লাগে। যারা এরকম কথা বলেন, তাদের নিজেদের মুখটা আয়নায় দেখা উচিত। তারা বাংলাদেশের হয়ে খেলেন না, খেলি আমরা ক্রিকেটাররাই।

মুশফিকুর রহিম তার ‘আয়নায় মুখ’ দেখতে বলা বক্তব্যের ব্যাখা দিয়েছেন। মুশফিকের দাবি, অনেকেই তার কথার মূল বক্তব্য বুঝতে পারেননি।

গত ২৪ অক্টোবর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে সমালোচনাকারীদের আয়না দেখতে বলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। মুশফিকের এই বক্তব্য ব্যাপক ট্রল হয়।

ঘটনার প্রায় ২৫ দিন পর এটা নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার পাকিস্তান সিরিজের টি-টোয়েন্টি দলে তার না থাকা, বিশ্বকাপে নিজের ও দলের ব্যর্থতাসহ অনেক কিছু নিয়ে কথা বলেন। সেখানেই উঠে আসে ‘আয়না দেখতে বলা’ সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ।

মুশফিক বলেন, আমি ইঙ্গিত দিতে চেয়েছি, শুধু আমি নই, জাতি হিসেবে যদি আমরা সবাই নিজেদের একটু আয়নার সামনে দেখতে পারি, সেটা মানুষ হিসেবেই উচিত। আজকে আমি খারাপ খেলছি দেখে আমাকে বলবেন, কালকে ভালো খেললে তালি দেবেন, এটা এসবের অংশ নয়। সেদিক থেকে বলেছি।

মুশফিক বলেন, এখন কেউ যদি এটা ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে থাকেন বা অন্যভাবে বলে থাকেন, তাহলে আমি মনে করি, আমি যেহেতু ওভাবে বলিনি, সেক্ষেত্রে কে কী মনে করল, এটায় আমার কিছু করার নেই।

মুশফিকের মতে, বিশ্বকাপে দলের ব্যর্থতার অংশ শুধু ক্রিকেটাররা নয়, সংশ্লিষ্ট সবাই।

তার ভাষায়, আমরা খারাপ করায় মিডিয়া বা দেশের মানুষ, সবারই খারাপ লেগেছে। তবে আপনারাও কিন্তু একটা অংশ। সবারই ব্যর্থতার অংশ এটি। এই উপলব্ধি থাকা উচিত। আমাদের যতটা খারাপ লেগেছে, অন্যদের হয়তো অতটা থাকবে না। তবে এটা সামগ্রিক একটা ব্যর্থতা।

মুশফিক বলেন, আমার কাছে মনে হয়, ব্যর্থতার জায়গাটায় যদি আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারি, পরস্পরের পাশে থাকি, তাহলে সময়টা দ্রুত পার হবে।

প্রসঙ্গত, প্রথম রাউন্ডে স্কটল্যান্ডের কাছে হারার পর সংবাদমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান। কাঠগড়ায় দাঁড় করান তিনি তিন সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিক, সাকিব আল হাসান ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তখন দল ও ক্রিকেটারদের সমালোচনা হচ্ছিল প্রবল।

এসবের প্রসঙ্গেই সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ ঝাড়েন মুশফিক। তিনি বলেছিলেন, ক্রিকেটার হিসেবে ভালো করলে সবাই তালি দেবে, খারাপ করলে গালি দেবে। এটাই স্বাভাবিক, তাই না? আর এটা আমার প্রথম নয়, গত ১৬ বছর ধরে খেলছি, এটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়। আমার কাছে খুবই নরম্যাল লাগে। যারা এরকম কথা বলেন, তাদের নিজেদের মুখটা আয়নায় দেখা উচিত। তারা বাংলাদেশের হয়ে খেলেন না, খেলি আমরা ক্রিকেটাররাই।

আয়নায় মুখ দেখতে বলার যে ব্যাখ্যা দিলেন মুশফিক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:৩৩ 91 ভিউ
মুশফিকুর রহিম তার ‘আয়নায় মুখ’ দেখতে বলা বক্তব্যের ব্যাখা দিয়েছেন। মুশফিকের দাবি, অনেকেই তার কথার মূল বক্তব্য বুঝতে পারেননি। গত ২৪ অক্টোবর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে সমালোচনাকারীদের আয়না দেখতে বলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। মুশফিকের এই বক্তব্য ব্যাপক ট্রল হয়। ঘটনার প্রায় ২৫ দিন পর এটা নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার পাকিস্তান সিরিজের টি-টোয়েন্টি দলে তার না থাকা, বিশ্বকাপে নিজের ও দলের ব্যর্থতাসহ অনেক কিছু নিয়ে কথা বলেন। সেখানেই উঠে আসে ‘আয়না দেখতে বলা’ সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ। মুশফিক বলেন, আমি ইঙ্গিত দিতে চেয়েছি, শুধু আমি নই, জাতি হিসেবে যদি আমরা সবাই নিজেদের একটু আয়নার সামনে দেখতে পারি, সেটা মানুষ হিসেবেই উচিত। আজকে আমি খারাপ খেলছি দেখে আমাকে বলবেন, কালকে ভালো খেললে তালি দেবেন, এটা এসবের অংশ নয়। সেদিক থেকে বলেছি। মুশফিক বলেন, এখন কেউ যদি এটা ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে থাকেন বা অন্যভাবে বলে থাকেন, তাহলে আমি মনে করি, আমি যেহেতু ওভাবে বলিনি, সেক্ষেত্রে কে কী মনে করল, এটায় আমার কিছু করার নেই। মুশফিকের মতে, বিশ্বকাপে দলের ব্যর্থতার অংশ শুধু ক্রিকেটাররা নয়, সংশ্লিষ্ট সবাই। তার ভাষায়, আমরা খারাপ করায় মিডিয়া বা দেশের মানুষ, সবারই খারাপ লেগেছে। তবে আপনারাও কিন্তু একটা অংশ। সবারই ব্যর্থতার অংশ এটি। এই উপলব্ধি থাকা উচিত। আমাদের যতটা খারাপ লেগেছে, অন্যদের হয়তো অতটা থাকবে না। তবে এটা সামগ্রিক একটা ব্যর্থতা। মুশফিক বলেন, আমার কাছে মনে হয়, ব্যর্থতার জায়গাটায় যদি আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারি, পরস্পরের পাশে থাকি, তাহলে সময়টা দ্রুত পার হবে। প্রসঙ্গত, প্রথম রাউন্ডে স্কটল্যান্ডের কাছে হারার পর সংবাদমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান। কাঠগড়ায় দাঁড় করান তিনি তিন সিনিয়র ক্রিকেটার মুশফিক, সাকিব আল হাসান ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তখন দল ও ক্রিকেটারদের সমালোচনা হচ্ছিল প্রবল। এসবের প্রসঙ্গেই সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ ঝাড়েন মুশফিক। তিনি বলেছিলেন, ক্রিকেটার হিসেবে ভালো করলে সবাই তালি দেবে, খারাপ করলে গালি দেবে। এটাই স্বাভাবিক, তাই না? আর এটা আমার প্রথম নয়, গত ১৬ বছর ধরে খেলছি, এটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়। আমার কাছে খুবই নরম্যাল লাগে। যারা এরকম কথা বলেন, তাদের নিজেদের মুখটা আয়নায় দেখা উচিত। তারা বাংলাদেশের হয়ে খেলেন না, খেলি আমরা ক্রিকেটাররাই।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: