আ.লীগ থেকে বহিষ্কার হয়ে যা বললেন মেয়র জাহাঙ্গীর - ডোনেট বাংলাদেশ

গাজীপুর সিটির মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে আওয়ামী লীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় উপস্থিত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তার প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে।’

এদিকে দল থেকে বহিষ্কারের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হয়তো ভুল বোঝানো হয়েছে। উনি সঠিকটা জানলে কোনো দিনই এই ব্যবস্থা নিতেন না।

জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে উনি একমুখো শুনেছেন, তাই হয়তো এমনটা হয়েছে। তারপরও তিনি দেশের ও দলের অভিভাবক। উনি যা ভালো মনে করেন আমি তা মাথা পাইতা নেব।

গত ২২ সেপ্টেম্বর ঘরোয়া আলোচনার রেকর্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর আওয়ামী লীগের একটি অংশ মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামে।

এরপর গত ৩ অক্টোবর মেয়র জাহাঙ্গীরের ব্যাখ্যা চায় আওয়ামী লীগ। এতে তাকে ১৫ দিন সময় দেয়া হয়। ১৮ অক্টোবর সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই মেয়র তার ব্যাখ্যা দেন।

গাজীপুর সিটির মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে আওয়ামী লীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় উপস্থিত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তার প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে।’

এদিকে দল থেকে বহিষ্কারের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হয়তো ভুল বোঝানো হয়েছে। উনি সঠিকটা জানলে কোনো দিনই এই ব্যবস্থা নিতেন না।

জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে উনি একমুখো শুনেছেন, তাই হয়তো এমনটা হয়েছে। তারপরও তিনি দেশের ও দলের অভিভাবক। উনি যা ভালো মনে করেন আমি তা মাথা পাইতা নেব।

গত ২২ সেপ্টেম্বর ঘরোয়া আলোচনার রেকর্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর আওয়ামী লীগের একটি অংশ মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামে।

এরপর গত ৩ অক্টোবর মেয়র জাহাঙ্গীরের ব্যাখ্যা চায় আওয়ামী লীগ। এতে তাকে ১৫ দিন সময় দেয়া হয়। ১৮ অক্টোবর সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই মেয়র তার ব্যাখ্যা দেন।

আ.লীগ থেকে বহিষ্কার হয়ে যা বললেন মেয়র জাহাঙ্গীর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:৩৬ 231 ভিউ
গাজীপুর সিটির মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে আওয়ামী লীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে আওয়ামী লীগ। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় উপস্থিত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তার প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে।’ এদিকে দল থেকে বহিষ্কারের প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হয়তো ভুল বোঝানো হয়েছে। উনি সঠিকটা জানলে কোনো দিনই এই ব্যবস্থা নিতেন না। জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে উনি একমুখো শুনেছেন, তাই হয়তো এমনটা হয়েছে। তারপরও তিনি দেশের ও দলের অভিভাবক। উনি যা ভালো মনে করেন আমি তা মাথা পাইতা নেব। গত ২২ সেপ্টেম্বর ঘরোয়া আলোচনার রেকর্ড ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর আওয়ামী লীগের একটি অংশ মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নামে। এরপর গত ৩ অক্টোবর মেয়র জাহাঙ্গীরের ব্যাখ্যা চায় আওয়ামী লীগ। এতে তাকে ১৫ দিন সময় দেয়া হয়। ১৮ অক্টোবর সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই মেয়র তার ব্যাখ্যা দেন।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: