ইউএস ওপেনের নতুন রানি এমা রাডুকানু - ডোনেট বাংলাদেশ

ইউএস ওপেনের স্বপ্নময় পথচলার শেষটা দারুণভাবে রাঙালেন ব্রিটিশ তারকা এমা রাডুকানু। প্রতিযোগিতার ফাইনালে কানাডার লায়লা ফার্নান্দেজকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের নতুন রানি হলেন রাডুকানু।

মেয়েদের এককে সাড়া জাগানো দুই টিনএজারের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের ফাইনাল। যেখানে কানাডার তরুণীকে ৬-৪, ৬-৩ গেমে হারিয়ে মুকুট জিতলেন ১৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ তারকা রাডুকানু।

গ্র্যান্ড স্ল্যামের ইতিহাসে বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে শিরোপা জয়ের ইতিহাস গড়লেন এই ব্রিটিশ তারকা। একই সঙ্গে দেশটির ৪৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটালেন তিনি। শেষ ১৯৭৭ সালের উইম্বলডনে ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর কোনো মেজরের নারী এককে ট্রফিজয়ী পেয়েছে ব্রিটিশরা।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দারুণ ছিলেন রাডুকানু। বাছাইপর্বসহ ১০ ম্যাচে একটি সেটও হারেননি র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫০তম স্থানে থেকে আসর শুরু করা রাডুকানু। তবে, ফাইনালে শেষ দিকে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয় তাঁর। দ্বিতীয় সেটে ৫-৩ গেমে এগিয়ে থাকার পর চোট পান তিনি। তবে, মেডিকেল ট্রিটমেন্টের পর আবার কোর্টে ফিরে ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগেনি তাঁর। শেষ পর্যন্ত ইউএস ওপেনের মুকুট নিজের করে নিলেন এই তরুণী।

মুকুট জয়ের পর উচ্ছ্বসিত রাডুকানু বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব বেশি চাপ অনুভব করিনি। আমার বয়সটা এখন মাত্র ১৮। কোনো কিছু নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তা করিনি, যা হওয়ার হবে ভেবেই আমি প্রতিটি ম্যাচ খেলেছি। এভাবে খেলেই আমি শিরোপা জিতেছি। ভবিষ্যতেও ঠিক এভাবেই খেলব। আমি প্রতিটি ম্যাচেই বেশ কিছু বাধা অতিক্রম করেছি। এ টুর্নামেন্টে আমার শিরোপাজয়ের মূল রহস্য হলো আমি গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিগুলোতে ভালো খেলতে পেরেছি। যখন যেটি দরকার সেটিই করতে পেরেছি।’

ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতে সবচেয়ে কম বয়সী ব্রিটিশ খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের ইতিহাসও গড়লেন রাডুকানু। এই শিরোপা জয়ে ১৫০ নম্বর থেকে এক লাফে র‌্যাঙ্কিংয়ে ২৩ নম্বরে উঠে আসবেন রাডুকানু। হয়ে যাবেন ব্রিটেনের এক নম্বর তারকা।

ইউএস ওপেনের স্বপ্নময় পথচলার শেষটা দারুণভাবে রাঙালেন ব্রিটিশ তারকা এমা রাডুকানু। প্রতিযোগিতার ফাইনালে কানাডার লায়লা ফার্নান্দেজকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের নতুন রানি হলেন রাডুকানু।

মেয়েদের এককে সাড়া জাগানো দুই টিনএজারের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের ফাইনাল। যেখানে কানাডার তরুণীকে ৬-৪, ৬-৩ গেমে হারিয়ে মুকুট জিতলেন ১৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ তারকা রাডুকানু।

গ্র্যান্ড স্ল্যামের ইতিহাসে বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে শিরোপা জয়ের ইতিহাস গড়লেন এই ব্রিটিশ তারকা। একই সঙ্গে দেশটির ৪৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটালেন তিনি। শেষ ১৯৭৭ সালের উইম্বলডনে ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর কোনো মেজরের নারী এককে ট্রফিজয়ী পেয়েছে ব্রিটিশরা।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দারুণ ছিলেন রাডুকানু। বাছাইপর্বসহ ১০ ম্যাচে একটি সেটও হারেননি র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫০তম স্থানে থেকে আসর শুরু করা রাডুকানু। তবে, ফাইনালে শেষ দিকে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয় তাঁর। দ্বিতীয় সেটে ৫-৩ গেমে এগিয়ে থাকার পর চোট পান তিনি। তবে, মেডিকেল ট্রিটমেন্টের পর আবার কোর্টে ফিরে ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগেনি তাঁর। শেষ পর্যন্ত ইউএস ওপেনের মুকুট নিজের করে নিলেন এই তরুণী।

মুকুট জয়ের পর উচ্ছ্বসিত রাডুকানু বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব বেশি চাপ অনুভব করিনি। আমার বয়সটা এখন মাত্র ১৮। কোনো কিছু নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তা করিনি, যা হওয়ার হবে ভেবেই আমি প্রতিটি ম্যাচ খেলেছি। এভাবে খেলেই আমি শিরোপা জিতেছি। ভবিষ্যতেও ঠিক এভাবেই খেলব। আমি প্রতিটি ম্যাচেই বেশ কিছু বাধা অতিক্রম করেছি। এ টুর্নামেন্টে আমার শিরোপাজয়ের মূল রহস্য হলো আমি গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিগুলোতে ভালো খেলতে পেরেছি। যখন যেটি দরকার সেটিই করতে পেরেছি।’

ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতে সবচেয়ে কম বয়সী ব্রিটিশ খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের ইতিহাসও গড়লেন রাডুকানু। এই শিরোপা জয়ে ১৫০ নম্বর থেকে এক লাফে র‌্যাঙ্কিংয়ে ২৩ নম্বরে উঠে আসবেন রাডুকানু। হয়ে যাবেন ব্রিটেনের এক নম্বর তারকা।

ইউএস ওপেনের নতুন রানি এমা রাডুকানু

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ নভেম্বর, ২০২১ | ৮:০১ 42 ভিউ
ইউএস ওপেনের স্বপ্নময় পথচলার শেষটা দারুণভাবে রাঙালেন ব্রিটিশ তারকা এমা রাডুকানু। প্রতিযোগিতার ফাইনালে কানাডার লায়লা ফার্নান্দেজকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের নতুন রানি হলেন রাডুকানু। মেয়েদের এককে সাড়া জাগানো দুই টিনএজারের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবারের ফাইনাল। যেখানে কানাডার তরুণীকে ৬-৪, ৬-৩ গেমে হারিয়ে মুকুট জিতলেন ১৮ বছর বয়সী ব্রিটিশ তারকা রাডুকানু। গ্র্যান্ড স্ল্যামের ইতিহাসে বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে শিরোপা জয়ের ইতিহাস গড়লেন এই ব্রিটিশ তারকা। একই সঙ্গে দেশটির ৪৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটালেন তিনি। শেষ ১৯৭৭ সালের উইম্বলডনে ভার্জিনিয়া ওয়েডের পর কোনো মেজরের নারী এককে ট্রফিজয়ী পেয়েছে ব্রিটিশরা। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দারুণ ছিলেন রাডুকানু। বাছাইপর্বসহ ১০ ম্যাচে একটি সেটও হারেননি র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫০তম স্থানে থেকে আসর শুরু করা রাডুকানু। তবে, ফাইনালে শেষ দিকে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয় তাঁর। দ্বিতীয় সেটে ৫-৩ গেমে এগিয়ে থাকার পর চোট পান তিনি। তবে, মেডিকেল ট্রিটমেন্টের পর আবার কোর্টে ফিরে ঘুরে দাঁড়াতে সময় লাগেনি তাঁর। শেষ পর্যন্ত ইউএস ওপেনের মুকুট নিজের করে নিলেন এই তরুণী। মুকুট জয়ের পর উচ্ছ্বসিত রাডুকানু বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব বেশি চাপ অনুভব করিনি। আমার বয়সটা এখন মাত্র ১৮। কোনো কিছু নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তা করিনি, যা হওয়ার হবে ভেবেই আমি প্রতিটি ম্যাচ খেলেছি। এভাবে খেলেই আমি শিরোপা জিতেছি। ভবিষ্যতেও ঠিক এভাবেই খেলব। আমি প্রতিটি ম্যাচেই বেশ কিছু বাধা অতিক্রম করেছি। এ টুর্নামেন্টে আমার শিরোপাজয়ের মূল রহস্য হলো আমি গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিগুলোতে ভালো খেলতে পেরেছি। যখন যেটি দরকার সেটিই করতে পেরেছি।’ ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতে সবচেয়ে কম বয়সী ব্রিটিশ খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের ইতিহাসও গড়লেন রাডুকানু। এই শিরোপা জয়ে ১৫০ নম্বর থেকে এক লাফে র‌্যাঙ্কিংয়ে ২৩ নম্বরে উঠে আসবেন রাডুকানু। হয়ে যাবেন ব্রিটেনের এক নম্বর তারকা।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: