"কবিতা উৎসব ২০২১" কুমারখালী, কুষ্টিয়া। - ডোনেট বাংলাদেশ

কুমারখালী কবিতা পরিষদ কর্তৃক ২০ নভেম্বর ২০২১ আয়োজনে আমার কবিতা পাঠের সুযোগ হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর এই প্রথম কবিতা উৎসব কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে। মানবজীবনে কবিতা ছাড়া শিল্প সাহিত্যে সুন্দরভাবে সৃষ্টি হয় না। কয়েকটি স্তম্ভের উপর একটি ঘর দাঁড়িয়ে থাকে, তেমনি কুমারখালীর শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে দন্ডায়মান। তাই কবিতা উৎসবে বলি: ‘কবিতার জন্য জীবন নয়, জীবনের জন্য কবিতা।…কবিতার শিরোনাম│

পৃথিবীর স্তন যখন শুকিয়ে যায়

ড. এমদাদ হাসনায়েন

শৈশবে শখ ছিল, বাউল হওয়ার

পৃথিবীর মানচিত্র জুড়ে যার ছায়া পড়ে আছে

তার চুল স্পর্শ করছে সমুদ্রের জল

একহাত, ভালবাসে জলের উচ্ছ¡াস

অন্যহাতে, নীরবতার নীল আসমান।

আজ আমি ঘোষণা করবো

কবিতা পাঠের উৎসবে, আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য।

রক্ত গোলাপের সৌন্দর্য্যে ফুঁটিয়ে তুলবো, তাদের কথা

কত উল্লাসের মত, প্রেম ও আবেগে ছিটিয়ে দেবো

হাজারো গোলাপে।…

আমি অন্ধকার হাতড়ে হৃদয়ের সাইরেন বাজিয়ে

খুঁজে নিবো তোমাদের হাজারো ইতিহাস।

আমাদের আছে, লালন-রবীন্দ্র-মীর মশাররফ-বাঘা যতীন-কাঙ্গাল হরিনাথ,

আছে, মিয়াজান-মোহিনী মোহন-গগন হরকরা,

আছে, মোতাহার হোসেন-আকবর হোসেন-রাধাবিনোদ পাল,

আমাদের আছে, কবি দাদ আলী-পল্লীকবি রওশন আলী-কবি আজিজুর রহমান-কবি মাহমুদা খাতুন,

আছে, নির্ভিক সৈনিক গোলাম কিবরিয়া ও বীর প্রতীক দিদার আলী সহ হাজারো মনীষী কুষ্টিয়াকে করেছে সমৃদ্ধ, করেছে বিশ্বকেও।

আমরা আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যে বাঁচাতে

স্বাধীনতার ৫০ বছরে দাঁড়িয়ে, তাঁদের কথা বলতে চাই-

পদ্মা পাড়ে দাঁড়িয়ে যে ছেলে

‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’

জাতীয় সংগীত বলে স্বীকার করে গাইলো

আমি তাদের কথা বলি, আমি তোমাদের;

আমি বলি তাদের কথা।…

রবী ঠাকুরের সেই কথা আজও মনে পড়ে-

পৃথিবীর স্তন যখন শুকিয়ে যায় তখন শুধু কাঁদতে জানি, আবার একটুখানি ভালোবাসা পেলেই যেন সমস্ত কিছু ভুলে যাই…

ধন্যবাদ। সবাইকে নান্দনিক শুভেচ্ছা

কুমারখালী কবিতা পরিষদ কর্তৃক ২০ নভেম্বর ২০২১ আয়োজনে আমার কবিতা পাঠের সুযোগ হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর এই প্রথম কবিতা উৎসব কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে। মানবজীবনে কবিতা ছাড়া শিল্প সাহিত্যে সুন্দরভাবে সৃষ্টি হয় না। কয়েকটি স্তম্ভের উপর একটি ঘর দাঁড়িয়ে থাকে, তেমনি কুমারখালীর শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে দন্ডায়মান। তাই কবিতা উৎসবে বলি: ‘কবিতার জন্য জীবন নয়, জীবনের জন্য কবিতা।…কবিতার শিরোনাম│

পৃথিবীর স্তন যখন শুকিয়ে যায়

ড. এমদাদ হাসনায়েন

শৈশবে শখ ছিল, বাউল হওয়ার

পৃথিবীর মানচিত্র জুড়ে যার ছায়া পড়ে আছে

তার চুল স্পর্শ করছে সমুদ্রের জল

একহাত, ভালবাসে জলের উচ্ছ¡াস

অন্যহাতে, নীরবতার নীল আসমান।

আজ আমি ঘোষণা করবো

কবিতা পাঠের উৎসবে, আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য।

রক্ত গোলাপের সৌন্দর্য্যে ফুঁটিয়ে তুলবো, তাদের কথা

কত উল্লাসের মত, প্রেম ও আবেগে ছিটিয়ে দেবো

হাজারো গোলাপে।…

আমি অন্ধকার হাতড়ে হৃদয়ের সাইরেন বাজিয়ে

খুঁজে নিবো তোমাদের হাজারো ইতিহাস।

আমাদের আছে, লালন-রবীন্দ্র-মীর মশাররফ-বাঘা যতীন-কাঙ্গাল হরিনাথ,

আছে, মিয়াজান-মোহিনী মোহন-গগন হরকরা,

আছে, মোতাহার হোসেন-আকবর হোসেন-রাধাবিনোদ পাল,

আমাদের আছে, কবি দাদ আলী-পল্লীকবি রওশন আলী-কবি আজিজুর রহমান-কবি মাহমুদা খাতুন,

আছে, নির্ভিক সৈনিক গোলাম কিবরিয়া ও বীর প্রতীক দিদার আলী সহ হাজারো মনীষী কুষ্টিয়াকে করেছে সমৃদ্ধ, করেছে বিশ্বকেও।

আমরা আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যে বাঁচাতে

স্বাধীনতার ৫০ বছরে দাঁড়িয়ে, তাঁদের কথা বলতে চাই-

পদ্মা পাড়ে দাঁড়িয়ে যে ছেলে

‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’

জাতীয় সংগীত বলে স্বীকার করে গাইলো

আমি তাদের কথা বলি, আমি তোমাদের;

আমি বলি তাদের কথা।…

রবী ঠাকুরের সেই কথা আজও মনে পড়ে-

পৃথিবীর স্তন যখন শুকিয়ে যায় তখন শুধু কাঁদতে জানি, আবার একটুখানি ভালোবাসা পেলেই যেন সমস্ত কিছু ভুলে যাই…

ধন্যবাদ। সবাইকে নান্দনিক শুভেচ্ছা

“কবিতা উৎসব ২০২১” কুমারখালী, কুষ্টিয়া।

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ নভেম্বর, ২০২১ | ১:০৮ 65 ভিউ
কুমারখালী কবিতা পরিষদ কর্তৃক ২০ নভেম্বর ২০২১ আয়োজনে আমার কবিতা পাঠের সুযোগ হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর এই প্রথম কবিতা উৎসব কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে। মানবজীবনে কবিতা ছাড়া শিল্প সাহিত্যে সুন্দরভাবে সৃষ্টি হয় না। কয়েকটি স্তম্ভের উপর একটি ঘর দাঁড়িয়ে থাকে, তেমনি কুমারখালীর শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে দন্ডায়মান। তাই কবিতা উৎসবে বলি: ‘কবিতার জন্য জীবন নয়, জীবনের জন্য কবিতা।...কবিতার শিরোনাম│

পৃথিবীর স্তন যখন শুকিয়ে যায়

ড. এমদাদ হাসনায়েন

শৈশবে শখ ছিল, বাউল হওয়ার

পৃথিবীর মানচিত্র জুড়ে যার ছায়া পড়ে আছে

তার চুল স্পর্শ করছে সমুদ্রের জল

একহাত, ভালবাসে জলের উচ্ছ¡াস

অন্যহাতে, নীরবতার নীল আসমান।

আজ আমি ঘোষণা করবো

কবিতা পাঠের উৎসবে, আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য।

রক্ত গোলাপের সৌন্দর্য্যে ফুঁটিয়ে তুলবো, তাদের কথা

কত উল্লাসের মত, প্রেম ও আবেগে ছিটিয়ে দেবো

হাজারো গোলাপে।...

আমি অন্ধকার হাতড়ে হৃদয়ের সাইরেন বাজিয়ে

খুঁজে নিবো তোমাদের হাজারো ইতিহাস।

আমাদের আছে, লালন-রবীন্দ্র-মীর মশাররফ-বাঘা যতীন-কাঙ্গাল হরিনাথ,

আছে, মিয়াজান-মোহিনী মোহন-গগন হরকরা,

আছে, মোতাহার হোসেন-আকবর হোসেন-রাধাবিনোদ পাল,

আমাদের আছে, কবি দাদ আলী-পল্লীকবি রওশন আলী-কবি আজিজুর রহমান-কবি মাহমুদা খাতুন,

আছে, নির্ভিক সৈনিক গোলাম কিবরিয়া ও বীর প্রতীক দিদার আলী সহ হাজারো মনীষী কুষ্টিয়াকে করেছে সমৃদ্ধ, করেছে বিশ্বকেও।

আমরা আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যে বাঁচাতে

স্বাধীনতার ৫০ বছরে দাঁড়িয়ে, তাঁদের কথা বলতে চাই-

পদ্মা পাড়ে দাঁড়িয়ে যে ছেলে

‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’

জাতীয় সংগীত বলে স্বীকার করে গাইলো

আমি তাদের কথা বলি, আমি তোমাদের;

আমি বলি তাদের কথা।...

রবী ঠাকুরের সেই কথা আজও মনে পড়ে-

পৃথিবীর স্তন যখন শুকিয়ে যায় তখন শুধু কাঁদতে জানি, আবার একটুখানি ভালোবাসা পেলেই যেন সমস্ত কিছু ভুলে যাই...

ধন্যবাদ। সবাইকে নান্দনিক শুভেচ্ছা

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: