কীভাবে চিনবেন মুখের ক্যানসার - ডোনেট বাংলাদেশ

ওপরের চোয়াল, নিচের চোয়াল, ঠোঁট, গালের ভেতরের দিক, ওপরের তালু, জিভ ও দাঁতের মাঝের জায়গা, দুই চোয়ালের শেষ অংশ–এই পুরো জায়গার ক্যানসারকে বলে মুখের কানসার বা ওরাল ক্যানসার।

মুখের ক্যানসারের কারণ

গুল, জর্দা ইত্যাদির মতো ধোঁয়াহীন তামাক সেবন ক্যানসারের প্রধান কারণ।
সিগারেট, বিড়ি এবং অন্যান্য ধোঁয়াযুক্ত তামাকজাত দ্রব্য সেবনেও ক্যানসার হয়।
সুপারি থেকেও মুখের ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। তাই পানমসলা বা শুধু সুপারি খাওয়াও বেশ বিপজ্জনক।
মদ্যপানেও ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
জিনগত কারণ এবং পরিবেশও এর জন্য দায়ী।
লক্ষণ

মুখের ঘা দুই-তিন সপ্তাহে না সারা।
মুখের মধ্যে অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ড দেখা দেওয়া।
মুখের ভেতর সাদা সাদা দাগ বা লিউকোপ্লেকিয়া হওয়া। এগুলো ক্যানসার নয়। তবে এই সাদা দাগের মধ্যে লাল রঙের আলসার দেখা দিলেই সতর্ক হতে হবে।
মুখের ভেতর অনুভব করতে না পারা ছোট ঘা থাকলে।
বেশ কিছুদিন ধরে গলার গ্ল্যান্ড ফুলে থাকলে।
এ লক্ষণগুলো থাকা মানেই ক্যানসার নয়। অন্য রোগও হতে পারে। তবে এই উপসর্গগুলো থাকলে ক্যানসারের আশঙ্কা থাকে বহুগুণে বেশি। তাই সতর্ক থাকতে হবে।

রোগ নির্ণয়
প্রাথমিকভাবে ভালো করে রোগীর সমস্যার জায়গাটি দেখে করা হয় ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এরপর প্রয়োজন হলে বায়োপসি করতে হয়। বায়োপসি রিপোর্টে বোঝা যায় ক্যানসার আছে কি না। ক্যানসার কতটা ছড়িয়েছে বুঝতে সিটি স্ক্যান, এমআরআই করতে হয়।

চিকিৎসা
মুখের ক্যানসারের মূল চিকিৎসা হলো অপারেশন বা সার্জারি। তবে এ ক্ষেত্রে ক্যানসারের স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসার ধরন থাকে। স্টেজ ১, স্টেজ ২-এর মতো প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে সাধারণত শুধু অপারেশন করেই রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব। বেশির ভাগ সময়ই অন্য কোনো চিকিৎসার সাহায্য নিতে হয় না। এ পর্যায়ে ক্যানসারের চিকিৎসায় সাফল্যের হারও বেশি। সময়মতো চিকিৎসকের কাছে না যাওয়ার কারণে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরে খুব কম মানুষেরই ক্যানসার রোগ ধরা পড়ে। বেশির ভাগ রোগীরই স্টেজ ৩ বা স্টেজ ৪-এর মতো অ্যাডভান্সড স্টেজে রোগ নির্ণয় হয়। এই স্টেজের ক্যানসারে প্রথমে সার্জারি করা হয়। তারপর দেওয়া হয় রেডিওথেরাপি। রোগ খুব খারাপ অবস্থায় থাকলে রেডিওথেরাপির পাশাপাশি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়।

খুবই অ্যাডভান্সড স্টেজ, যেখানে সার্জারি করার কোনো উপায় থাকে না, তখন দেওয়া হয় প্যালিয়েটিভ কেয়ার। এই চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলো, রোগীর যন্ত্রণা এবং উপসর্গের উপশম করে যতটা সম্ভব ভালো রাখা।

ওপরের চোয়াল, নিচের চোয়াল, ঠোঁট, গালের ভেতরের দিক, ওপরের তালু, জিভ ও দাঁতের মাঝের জায়গা, দুই চোয়ালের শেষ অংশ–এই পুরো জায়গার ক্যানসারকে বলে মুখের কানসার বা ওরাল ক্যানসার।

মুখের ক্যানসারের কারণ

গুল, জর্দা ইত্যাদির মতো ধোঁয়াহীন তামাক সেবন ক্যানসারের প্রধান কারণ।
সিগারেট, বিড়ি এবং অন্যান্য ধোঁয়াযুক্ত তামাকজাত দ্রব্য সেবনেও ক্যানসার হয়।
সুপারি থেকেও মুখের ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। তাই পানমসলা বা শুধু সুপারি খাওয়াও বেশ বিপজ্জনক।
মদ্যপানেও ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
জিনগত কারণ এবং পরিবেশও এর জন্য দায়ী।
লক্ষণ

মুখের ঘা দুই-তিন সপ্তাহে না সারা।
মুখের মধ্যে অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ড দেখা দেওয়া।
মুখের ভেতর সাদা সাদা দাগ বা লিউকোপ্লেকিয়া হওয়া। এগুলো ক্যানসার নয়। তবে এই সাদা দাগের মধ্যে লাল রঙের আলসার দেখা দিলেই সতর্ক হতে হবে।
মুখের ভেতর অনুভব করতে না পারা ছোট ঘা থাকলে।
বেশ কিছুদিন ধরে গলার গ্ল্যান্ড ফুলে থাকলে।
এ লক্ষণগুলো থাকা মানেই ক্যানসার নয়। অন্য রোগও হতে পারে। তবে এই উপসর্গগুলো থাকলে ক্যানসারের আশঙ্কা থাকে বহুগুণে বেশি। তাই সতর্ক থাকতে হবে।

রোগ নির্ণয়
প্রাথমিকভাবে ভালো করে রোগীর সমস্যার জায়গাটি দেখে করা হয় ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এরপর প্রয়োজন হলে বায়োপসি করতে হয়। বায়োপসি রিপোর্টে বোঝা যায় ক্যানসার আছে কি না। ক্যানসার কতটা ছড়িয়েছে বুঝতে সিটি স্ক্যান, এমআরআই করতে হয়।

চিকিৎসা
মুখের ক্যানসারের মূল চিকিৎসা হলো অপারেশন বা সার্জারি। তবে এ ক্ষেত্রে ক্যানসারের স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসার ধরন থাকে। স্টেজ ১, স্টেজ ২-এর মতো প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে সাধারণত শুধু অপারেশন করেই রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব। বেশির ভাগ সময়ই অন্য কোনো চিকিৎসার সাহায্য নিতে হয় না। এ পর্যায়ে ক্যানসারের চিকিৎসায় সাফল্যের হারও বেশি। সময়মতো চিকিৎসকের কাছে না যাওয়ার কারণে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরে খুব কম মানুষেরই ক্যানসার রোগ ধরা পড়ে। বেশির ভাগ রোগীরই স্টেজ ৩ বা স্টেজ ৪-এর মতো অ্যাডভান্সড স্টেজে রোগ নির্ণয় হয়। এই স্টেজের ক্যানসারে প্রথমে সার্জারি করা হয়। তারপর দেওয়া হয় রেডিওথেরাপি। রোগ খুব খারাপ অবস্থায় থাকলে রেডিওথেরাপির পাশাপাশি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়।

খুবই অ্যাডভান্সড স্টেজ, যেখানে সার্জারি করার কোনো উপায় থাকে না, তখন দেওয়া হয় প্যালিয়েটিভ কেয়ার। এই চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলো, রোগীর যন্ত্রণা এবং উপসর্গের উপশম করে যতটা সম্ভব ভালো রাখা।

কীভাবে চিনবেন মুখের ক্যানসার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ নভেম্বর, ২০২১ | ৪:৪১ 58 ভিউ
ওপরের চোয়াল, নিচের চোয়াল, ঠোঁট, গালের ভেতরের দিক, ওপরের তালু, জিভ ও দাঁতের মাঝের জায়গা, দুই চোয়ালের শেষ অংশ–এই পুরো জায়গার ক্যানসারকে বলে মুখের কানসার বা ওরাল ক্যানসার। মুখের ক্যানসারের কারণ গুল, জর্দা ইত্যাদির মতো ধোঁয়াহীন তামাক সেবন ক্যানসারের প্রধান কারণ। সিগারেট, বিড়ি এবং অন্যান্য ধোঁয়াযুক্ত তামাকজাত দ্রব্য সেবনেও ক্যানসার হয়। সুপারি থেকেও মুখের ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। তাই পানমসলা বা শুধু সুপারি খাওয়াও বেশ বিপজ্জনক। মদ্যপানেও ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। জিনগত কারণ এবং পরিবেশও এর জন্য দায়ী। লক্ষণ মুখের ঘা দুই-তিন সপ্তাহে না সারা। মুখের মধ্যে অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ড দেখা দেওয়া। মুখের ভেতর সাদা সাদা দাগ বা লিউকোপ্লেকিয়া হওয়া। এগুলো ক্যানসার নয়। তবে এই সাদা দাগের মধ্যে লাল রঙের আলসার দেখা দিলেই সতর্ক হতে হবে। মুখের ভেতর অনুভব করতে না পারা ছোট ঘা থাকলে। বেশ কিছুদিন ধরে গলার গ্ল্যান্ড ফুলে থাকলে। এ লক্ষণগুলো থাকা মানেই ক্যানসার নয়। অন্য রোগও হতে পারে। তবে এই উপসর্গগুলো থাকলে ক্যানসারের আশঙ্কা থাকে বহুগুণে বেশি। তাই সতর্ক থাকতে হবে। রোগ নির্ণয় প্রাথমিকভাবে ভালো করে রোগীর সমস্যার জায়গাটি দেখে করা হয় ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এরপর প্রয়োজন হলে বায়োপসি করতে হয়। বায়োপসি রিপোর্টে বোঝা যায় ক্যানসার আছে কি না। ক্যানসার কতটা ছড়িয়েছে বুঝতে সিটি স্ক্যান, এমআরআই করতে হয়। চিকিৎসা মুখের ক্যানসারের মূল চিকিৎসা হলো অপারেশন বা সার্জারি। তবে এ ক্ষেত্রে ক্যানসারের স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসার ধরন থাকে। স্টেজ ১, স্টেজ ২-এর মতো প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে সাধারণত শুধু অপারেশন করেই রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব। বেশির ভাগ সময়ই অন্য কোনো চিকিৎসার সাহায্য নিতে হয় না। এ পর্যায়ে ক্যানসারের চিকিৎসায় সাফল্যের হারও বেশি। সময়মতো চিকিৎসকের কাছে না যাওয়ার কারণে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরে খুব কম মানুষেরই ক্যানসার রোগ ধরা পড়ে। বেশির ভাগ রোগীরই স্টেজ ৩ বা স্টেজ ৪-এর মতো অ্যাডভান্সড স্টেজে রোগ নির্ণয় হয়। এই স্টেজের ক্যানসারে প্রথমে সার্জারি করা হয়। তারপর দেওয়া হয় রেডিওথেরাপি। রোগ খুব খারাপ অবস্থায় থাকলে রেডিওথেরাপির পাশাপাশি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। খুবই অ্যাডভান্সড স্টেজ, যেখানে সার্জারি করার কোনো উপায় থাকে না, তখন দেওয়া হয় প্যালিয়েটিভ কেয়ার। এই চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলো, রোগীর যন্ত্রণা এবং উপসর্গের উপশম করে যতটা সম্ভব ভালো রাখা।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: