কৃষির বাণিজ্যিকীকরণে কাজ করছে সরকার - ডোনেট বাংলাদেশ

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম বলেছেন, শুধু উৎপাদন বৃদ্ধিই নয়, কৃষির বাণিজ্যিকীকরণও করতে হবে। সে লক্ষ্যে পরিকল্পনামাফিক কাজ করছে বর্তমান সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান পলিসি হচ্ছে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন। সেটি বাস্তবায়নে কৃষি মন্ত্রণালয় ও দফতরগুলো নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার (১৪ নভেম্বর) নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিএডিসি খামার প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষি সচিব বলেন, ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে কোন আপোষ করা যাবে না। কেননা আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা মানেই কিন্তু চালের নিরাপত্তা। চালের ক্ষেত্রে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য সবজি, ফলমূল ও বাণিজ্যিক ফসলের আবাদ আরও বাড়াতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ উন্নত হলে আমাদের অনেক কৃষিজমি ও শ্রমিক শিল্পখাতে চলে যাবে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএডিসির সুবর্ণচর প্রকল্প পরিচালক মো. আজিম উদ্দিন। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) এ এফ এম হায়াতুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, বাংলাদেশ সুগার ক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, চৈতি সর্ববিদ্যা এবং সুবর্ণচরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, বোরো মওসুমে চাষ উপযোগী ৮-৯ ধরনের জাত আমাদের হাতে আছে। এগুলো কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারলে আগামী দিনের খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব বিষয় নয়। তিনি নতুন জাতের বীজের জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের সরাসরি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান।
কর্মশালায় ব্রির পক্ষ থেকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রি সোনাগাজী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ড. বিশ্বজিৎ কর্মকার। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. মঞ্জুরুল হুদা। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএডিসির যুগ্ম পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. নাজমুল ইসলাম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন যোগাযোগ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল মোমিন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম পরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত জাত ব্রি-১০০সহ কয়েকটি নতুন বোরো জাতের ধান বীজ কৃষকদের মাঝে বিতরণ করেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম বলেছেন, শুধু উৎপাদন বৃদ্ধিই নয়, কৃষির বাণিজ্যিকীকরণও করতে হবে। সে লক্ষ্যে পরিকল্পনামাফিক কাজ করছে বর্তমান সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান পলিসি হচ্ছে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন। সেটি বাস্তবায়নে কৃষি মন্ত্রণালয় ও দফতরগুলো নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার (১৪ নভেম্বর) নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিএডিসি খামার প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষি সচিব বলেন, ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে কোন আপোষ করা যাবে না। কেননা আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা মানেই কিন্তু চালের নিরাপত্তা। চালের ক্ষেত্রে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য সবজি, ফলমূল ও বাণিজ্যিক ফসলের আবাদ আরও বাড়াতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ উন্নত হলে আমাদের অনেক কৃষিজমি ও শ্রমিক শিল্পখাতে চলে যাবে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএডিসির সুবর্ণচর প্রকল্প পরিচালক মো. আজিম উদ্দিন। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) এ এফ এম হায়াতুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, বাংলাদেশ সুগার ক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, চৈতি সর্ববিদ্যা এবং সুবর্ণচরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, বোরো মওসুমে চাষ উপযোগী ৮-৯ ধরনের জাত আমাদের হাতে আছে। এগুলো কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারলে আগামী দিনের খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব বিষয় নয়। তিনি নতুন জাতের বীজের জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের সরাসরি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান।
কর্মশালায় ব্রির পক্ষ থেকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রি সোনাগাজী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ড. বিশ্বজিৎ কর্মকার। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. মঞ্জুরুল হুদা। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএডিসির যুগ্ম পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. নাজমুল ইসলাম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন যোগাযোগ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল মোমিন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম পরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত জাত ব্রি-১০০সহ কয়েকটি নতুন বোরো জাতের ধান বীজ কৃষকদের মাঝে বিতরণ করেন।

কৃষির বাণিজ্যিকীকরণে কাজ করছে সরকার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০২১ | ৬:৩৪ 53 ভিউ
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম বলেছেন, শুধু উৎপাদন বৃদ্ধিই নয়, কৃষির বাণিজ্যিকীকরণও করতে হবে। সে লক্ষ্যে পরিকল্পনামাফিক কাজ করছে বর্তমান সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান পলিসি হচ্ছে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন। সেটি বাস্তবায়নে কৃষি মন্ত্রণালয় ও দফতরগুলো নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। রোববার (১৪ নভেম্বর) নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিএডিসি খামার প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে বোরো ধানের ফলন বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষি সচিব বলেন, ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে কোন আপোষ করা যাবে না। কেননা আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা মানেই কিন্তু চালের নিরাপত্তা। চালের ক্ষেত্রে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে। পাশাপাশি অন্যান্য সবজি, ফলমূল ও বাণিজ্যিক ফসলের আবাদ আরও বাড়াতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ উন্নত হলে আমাদের অনেক কৃষিজমি ও শ্রমিক শিল্পখাতে চলে যাবে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএডিসির সুবর্ণচর প্রকল্প পরিচালক মো. আজিম উদ্দিন। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) এ এফ এম হায়াতুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, বাংলাদেশ সুগার ক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম, চৈতি সর্ববিদ্যা এবং সুবর্ণচরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোরশেদ আলম। সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, বোরো মওসুমে চাষ উপযোগী ৮-৯ ধরনের জাত আমাদের হাতে আছে। এগুলো কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারলে আগামী দিনের খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব বিষয় নয়। তিনি নতুন জাতের বীজের জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের সরাসরি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান। কর্মশালায় ব্রির পক্ষ থেকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রি সোনাগাজী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ড. বিশ্বজিৎ কর্মকার। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. মঞ্জুরুল হুদা। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএডিসির যুগ্ম পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. নাজমুল ইসলাম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন যোগাযোগ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল মোমিন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম পরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত জাত ব্রি-১০০সহ কয়েকটি নতুন বোরো জাতের ধান বীজ কৃষকদের মাঝে বিতরণ করেন।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: