কেমন আছে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ – ডোনেট বাংলাদেশ

কেমন আছে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ

ড. মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন : কবি, প্রাবন্ধিক, কলামিস্ট
আপডেটঃ ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ৮:৩১ 21 ভিউ
বাঙালি জাতির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষ একটি ইন্দো-আর্য জনগোষ্ঠীর নাম বাঙালি। ফরাসি শব্দ ‘বাঙ্গালা’ থেকে এ বাঙালি শব্দের উদ্ভব। আর বাঙালি জাতির রাজনৈতিক অভিব্যক্তি হলো, ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’। চার হাজার বছরের ঐতিহ্যের এ বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থায় এতদঞ্চলের মানুষকে সংগঠিত করেছে, এ জাতীয়তাবাদী চেতনা মানুষকে শক্তি-সাহস জুগিয়েছে। বাঙালি অধ্যুষিত দক্ষিণ এশিয়ার এ অঞ্চলটি যুগে যুগে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী দ্বারা শাসিত হয়েছে! দূর অতীতের কিছু ইতিহাস তুলে ধরলে দেখা যায়, সুলতানি আমল, মোগল আমল, ইংরেজ আমলে এদেশের মানুষ শাসিত এবং শোষিত হয়ে এসেছে! আর এসবের ধারাবাহিকতায় ষোড়শ শতাব্দীতে মোগল সাম্রাজ্য বাংলা জয় করে এবং আস্তে আস্তে বাংলার বিদ্রোহী

বারো ভূঁইয়াদের পরাজিত করে বাংলার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। ১৭তম শতাব্দীর গোড়ার দিকে মোগল সেনাপতি ইসলাম খাঁ সমগ্র বাংলা জয় করে সুবাহ বাংলা কায়েম করেছিলেন। আর এটি ছিল মোগল সাম্রাজ্যের বৃহত্তম সুবাহ। সে সময়ের সুবাহ বাংলা দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ধনী অঞ্চলে পরিণত হয়েছিল। এতদঞ্চলের মানুষের জীবনযাপন অন্যান্য সুবাহ থেকে বহুগুণে সুখী এবং সমৃদ্ধ হওয়ায় সুবাহ বাংলাকে বেহেশত বলা হতো এবং সে সময়টিকে বাংলার সোনালি জমানা বলা হতো। আর তখন থেকেই বাংলার আর এক নাম ‘সোনার বাংলা’ হয়ে গিয়েছিল। অতঃপর নবাব আলীবর্দী খান বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শাসনকর্তা থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে তার দৌহিত্র নবাব সিরাজউদ্দৌলা শাসনভার গ্রহণ করার পর ইংরেজরা বিশ্বাসঘাতক মীরজাফরের সহায়তায় নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করে

মীরজাফরকে সিংহাসনে বসানোর পর কী ঘটেছিল সে ঘটনাটি আমরা জানি। আবার, ইংরেজরা বিদায় গ্রহণ করলে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরও বাংলাদেশে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রের রাজনীতি অব্যাহত থাকে। ১৯৪৭ সালে ভারত ভেঙে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্র সৃষ্টির পরও তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালিদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন না ঘটায় একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন বাংলাদেশে রূপান্তরিত করা হয়। আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানের অসীম ত্যাগ-তিতিক্ষার ফলে নয় মাস যুদ্ধ করে বাঙালি জাতি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিল। আর সে কারণেই বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার স্থপতি বলা হয়। অথচ সেই বঙ্গবন্ধুকেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে! সে

হত্যাকাণ্ডের রূপকার ছিল আরেক মীরজাফর খন্দকার মোশতাক আহমেদ। মোশতাক অতি সন্তর্পণে তার নীলনকশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করেছিল। যদিও মীরজাফরের মতো তারও সে ক্ষমতা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। কিন্তু ষড়যন্ত্রের জাল বিছানোর ক্ষেত্রে মোশতাক মীরজাফরের চেয়েও এককাঠি সরেস ছিল। বঙ্গবন্ধুর মা ইন্তেকাল করায়, সেসময়ে বঙ্গবন্ধুর সামনে মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে সে কান্নাকাটি করেছিল, হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পূর্বে নিজ বাড়ি থেকে রান্না করা খাদ্য এনে বঙ্গবন্ধুকে খাইয়েছিল। তার হীন বুদ্ধি এতটাই তীব্র ছিল যে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পূর্বে ঘূর্ণাক্ষরেও তার ষড়যন্ত্রের কথা কেউ জানতে বা বুঝতে পারেনি। তোষামোদির পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করে সেদিন বঙ্গবন্ধুর সামনে মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে কান্নাকাটি

করে সে বঙ্গবন্ধুর হৃদয় বিগলিত করেছিল। এ অবস্থায় তোষামোদির কথা বলতে গেলে তাই মোশতাকের মতো ব্যক্তিদের প্রসঙ্গ টেনে বলতে হয়, তোষামোদকারীরা মানুষের এমনসব দুর্বল মুহূর্তের অপেক্ষায় থাকে, যে সময় যাকে তোষামোদ করা হয়, সে সময়ে তার মন দুর্বল থাকে, মানসিক অবস্থা তোষামোদকারীর অনুকূলে থাকে। এমনি একটি ঘটনায় একসময় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থা থেকে যেদিন রিলিজ হয়ে বেরিয়ে আসেন, সেদিন তাকে দেখতে গিয়ে দেখেছিলাম, হাসপাতাল থেকে বের হতে না হতেই একজন দৌড়ে এগিয়ে তার সামনে গিয়ে হাউমাউ করে কান্না শুরু করে দিলেন! অথচ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সাহেব যখন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা জেলে ছিলেন, তখন জিল্লুর রহমান সাহেবের

বাসায় অনুষ্ঠিত এক সভাশেষে সে সময়ের (২০০৮) সাধারণ সম্পাদক আশরাফ সাহেব যখন জিল্লুর রহমান সাহেবকে বললেন, ‘আমার কাছে এবারের ১৫ আগস্ট পালনের কোনো টাকা-পয়সা নাই’, তখন সে কথা শুনে কোনো প্রত্যুত্তর না দিয়ে একে একে যেসব নেতা বের হয়ে গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে পরবর্তীকালে বঙ্গবন্ধুকন্যার সামনে কান্নাকাটি করা সেই ব্যক্তিও ছিলেন। উল্লেখ্য, দুটি ঘটনারই আমি চাক্ষুষ সাক্ষী হওয়ায় বিষয়টি মাঝেমধ্যেই আমার বিবেককে নাড়া দেয়। কারণ, সেদিন অন্তত দশ-বারোজন বড় নেতা আশরাফ সাহেবের কথাটি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার পরদিন, কেন্দ্রীয় উপকমিটির এক নেতা ভারপ্রাপ্ত সভাপতির হাতে এক লাখ টাকা এনে দিলে, তিনি ‘রন্জন’ নামে তার এক কর্মচারীকে দিয়ে আশরাফ সাহেবকে ফোন করিয়ে বলেন, ‘আশরাফ

টাকা পাওয়া গেছে, নিয়ে যাও’। সে সময় প্রায় প্রতিদিনই আমি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান সাহেবের বাসায় গিয়ে তার কথামত কিছু কিছু লেখা লিখে দিতাম, তিনিও আমাকে খুব স্নেহের চোখে দেখতেন। এ অবস্থায় একদিন রাত ১০টার পর তার বাসা থেকে বের হলে গেটের সামনের রাস্তা থেকে এনএসআই’র দুজন ফিল্ড অফিসার আমাকে ধরে নিয়ে সারারাত জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। পরদিন ঘটনাটি জিল্লুর রহমান সাহেবকে বলায়, তিনি আমাকে আপাতত কিছুদিন সেখানে যেতে না করেছিলেন। বিষয়টি এখানে উল্লেখ করার বিশেষ কারণ হলো, ২০০৮ সালের আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে সেদিন আমি অন্য আরেক ধরনের কিছু সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতাদের চেহারা দেখেছিলাম। আর সে কারণেই বিষয়টির প্রতি আজকের দিনে মাননীয়

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তোষামোদকারীদের কাছ থেকে তাকে দূরে থাকার অনুরোধ জানাই। কারণ, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যাদের হাতে মন্ত্রিত্ব-নেতৃত্ব তুলে দিয়েছিলেন, তাদের অধিকাংশই যেমন সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করেননি, ঠিক তেমনি বর্তমানেও বঙ্গবন্ধুকন্যা যাদের হাতে দায়িত্ব, কর্তৃত্ব, নেতৃত্ব তুলে দিয়েছেন, তাদের অনেকেও কিন্তু সঠিকভাবে দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করছেন না বা করতে পারছেন না। কারণ, দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকেই নিজের আখের গুছিয়েছেন। অনেকে আবার গণমানুষের চিন্তা-চেতনা মনে প্রাণে ধারণ না করে নিজস্ব স্টাইলে ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণের অনাস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন, আবার তাদের মধ্যে এমন মন্ত্রীও আছেন, যাদের কেউ কেউ মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণও করে থাকেন। অভয় দিলে দলীয় হাইকমান্ড বা দলীয় সভানেত্রীর কাছে এসবের তথ্য-প্রমাণও উপস্থাপন করা যাবে। যাক সেসব কথা। এত বছর ধরে আমাদের দেখে আসা এসব ঘটনা জানা বা শোনার মতো সময় দলীয় হাইকমান্ডের আছে বলে মনে হয় না। বিশেষ করে আমাদের মতো কলাম লেখক কলম পিষতে পিষতে হাত ক্ষয় করে ফেললেও এসব কথা কেউ কানে তোলেন না বলেই জানতে পেরেছি। এই তো সেদিনও মফস্বল শহরের একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে বলতে শুনলাম, ‘আজকাল আবার কেউ পত্রিকায় লেখা কলাম পড়ে নাকি’! সুতরাং আমাদের এসব লেখা লিখে দেশ, সমাজ বা জাতির কোনো উপকার হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ থেকেই যায়। যদিও হতাশ হওয়ারও কিছু আছে বলে মনে হয় না। কারণ কিছুদিন আগে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব আমাকে দেখে বললেন, আপনার লেখা আমরা পড়ি, আপনি লিখে যান। ব্যস, আমরা কলামিস্ট-সাংবাদিকরা মনে হয় এতেই খুশি, এটুকুতেই সন্তুষ্ট। দেশের বর্তমান অবস্থায় কিছুটা দুঃখভারাক্রান্ত মনেই আজকের লেখাটি লিখতে বসেছিলাম। কারণ বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের মানুষ ভালো নেই। যদিও বলা হবে যে, সারা পৃথিবীর মানুষই এখন দুরবস্থায় আছে। শ্রীলঙ্কার মানুষ সীমাহীন দুঃখ-কষ্টে আছে, অমুক দেশের মানুষ একবেলা নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু তাতে করে কি বাংলাদেশের মানুষের দুঃখ-কষ্ট কমে যাবে, নাকি এসব বলে কষ্টে থাকা মানুষজনকে সান্ত্বনা দেওয়া যাবে? এসব কথা না বলে, তার চেয়ে ভালো হতো না, যদি এমপি-মন্ত্রী সাহেবরাও এ দুঃসময়ে তাদের নিজস্ব ফান্ড থেকে কিছুটা অর্থ-বিত্ত দিয়ে দুস্থ মানবতার সেবায় এগিয়ে যেতেন। সরকারি ফান্ডের সীমাবদ্ধতার কথা তো সবারই জানা; সেক্ষেত্রে সরকারি দলের যেসব নেতা পরপর তিন-চারবার এমপি হয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন, তারা তো নিজস্ব ফান্ড থেকেও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারতেন। কারণ, তাদের মধ্যেও তো অনেকে বিত্তবান আছেন। নাকি তাদের কেউই দুর্দশাগ্রস্ত মানুষ দেখতে পান না, বা দেশে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষ নেই। তাছাড়া সরকারি ত্রাণ তহবিলেও তারা যদি কিছু দান করতেন, তাহলেও তো এক্ষেত্রে সরকারি ফান্ড কিছুটা স্ফীত হলে সরকারের ওপর চাপ কম পড়ত। এক নাগাড়ে ১২/১৪ বছর ক্ষমতা ভোগ করা এমপি-মন্ত্রীদের মধ্যে কেউ কি নেই যে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে কিছু অর্থ দান করে এ সময় রাষ্ট্রকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পারতেন! নাকি থলের বিড়াল বের হয়ে যেতে পারে এই ভয়ে তারা সবাই সরকারি ফান্ডের দিকে তাকিয়ে থাকেন? মাফ করবেন, উপরের কথাটুকু এ কারণে বললাম যে, এদেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু যা করে গেছেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর দলের লোকেরা তার সিকিভাগও করছি বা করতে পারছি না। কারণ বঙ্গবন্ধু তার পিতার গোলা থেকে ধান-চাল বের করে নিয়ে দরিদ্র-অসহায় মানুষদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন। এ অবস্থায় বঙ্গবন্ধু প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে বর্তমান আওয়ামী লীগের কতটুকু বা কত শতাংশ মিল আছে সে বিষয়টি জানা বা বোঝার জন্যও উপরের কথাটুকু বলে ফেললাম। আশা করি, কেউ ভুল বুঝবেন না। কারণ, বর্তমান বাংলাদেশ বলতে আমরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকেই বুঝে থাকি আর বাঙালি হিসাবেও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আমরা অহংকার করি। অতঃপর, বাংলাদেশের কোনো মানুষ না খেয়ে থাকলে, বিভিন্ন যুগের শোষণ-বঞ্চনা ছিন্ন করে সবশেষে পাকিস্তানিদের পরাজিত করে বাঙালি জাতিকে বঙ্গবন্ধু যে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সেই স্বাধীনতাই অর্থহীন হয়ে যায়। যে কোনো কারণে পৃথিবীর কোনো দেশ বা জাতির কাছে মাথা নত করতে হলে বাঙালি জাতি হিসাবে আমাদের গর্ব করার কোনো কিছু আর অবশিষ্ট থাকে না। এ অবস্থায় যারা নিজেদের লাভের জন্য রাজনীতি করে লোভে পড়ে দেশ ও জনগণের ক্ষতি করে চলেছে, তাদের সুমতি কামনা করছি।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চিরিরবন্দর দুই কেজি গাঁজা ও মাদক বিক্রির টাকাসহ গ্রেফতার দুই সম্প্রতি কুড়িয়ে পাওয়া সেই টাকার মালিক কে খোঁজে না পেয়ে অন্ধ হাফেজের চিকিৎসার জন‍্য দিলেন সৌরভ।। কলারোয়ায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সাথে মতবিনিময় টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগ চালাচ্ছেন আলহাজ্ব শেখ আমজাদ হোসেন ইউপি সদস্য ওমর ফারুককের হত্যা মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড সমাবেশ শুরুর আগেই হাজারীবাগে আ.লীগ-বিএনপির সংঘর্ষ মামলায় আসামি মৃত ব্যক্তি, ছাত্রলীগকর্মীও কুমিল্লা পিবিআই কার্যালয় থেকে অস্ত্র-গুলিসহ মালামাল চুরি ইউক্রেন ইস্যুতে ঢাকার সহযোগিতা চায় টোকিও এবার কানাডা যাচ্ছেন মুহিবুল্লাহর মাসহ ১৪ স্বজন পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে যাবে না আওয়ামী লীগ সংস্কৃতিজনদের ভালোবাসায় সিক্ত সাফজয়ী নারী ফুটবলাররা মাদক মামলায় পুলিশ-র‌্যাবের সদস্যও কারাগারে আছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবদের জন্য সতর্কবার্তা স্বাক্ষর যাঁর দায়িত্ব তাঁর তাল মেলাতে পারছে না দেশের পর্যটন খাত ওডেসায় সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানল রাশিয়ার ড্রোন হাজারীবাগে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ রাশিয়ার স্কুলে ভয়াবহ হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ বিপিএলে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক কত, জানাল বিসিবি ‘বড় ভাইদের আশ্বাসে’ অনশন বাতিল করে ক্যাম্পাসে ফিরলেন ইডেনের সেই নেত্রীরা