ক্ষমার জন্য নয়, বিচার করতে বসেছি : দুই চিকিৎসককে হাইকোর্ট - ডোনেট বাংলাদেশ

হবিগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক নারীর মেডিকেল রিপোর্টে ‘কোনো আলামত পাওয়া যায়নি’ উল্লেখ করার ঘটনায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের দুই চিকিৎসক ডা. মোমিন চৌধুরী ও ডা. নাদিরা বেগমের কাছে লিখিতভাবে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট।

এ ঘটনায় রোববার দুই চিকিৎসকের ক্ষমার আবেদন না নিয়ে বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ওই ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামির জামিন শুনানিতে উত্থাপিত ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্ট নজরে আসায় হাইকোর্ট ওই দুই চিকিৎসককে তলব করেছিলেন। তাদের কাছে আদালত জানতে চান, একজন নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার পরও কেন তার শরীরে কোনো চিহ্ন পেলেন না?

এর ব্যাখ্যা দিতে আজ রোববার হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন ওই দুই চিকিৎসক। তারা মৌখিক একটা ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আদালত সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ না করে তাদের বিরুদ্ধে আদেশ দিতে চান। তখন দুই চিকিৎসক হাইকোর্টের কাছে ক্ষমা চান এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীও তাদের ক্ষমা করে দিতে আদালতের প্রতি অনুরোধ করেন।

তখন আদালত বলেন, আমরা ক্ষমা করতে বসিনি, বিচার করতে বসেছি। এ ধরনের পক্ষপাতিত্বমূলক রিপোর্ট দেওয়ার কারণেই ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে ধর্ষকরা খালাস পেয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের উচিত ধর্ষণের ঘটনায় গুরুত্ব সহকারে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা, যাতে ধর্ষকরা কোনোভাবেই পার পেয়ে না যায়।

এরপর হাইকোর্ট ওই দুই চিকিৎসককে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে নির্দেশ দেন।
চলতি বছরের ৬ মার্চ হবিগঞ্জের লাখাইয়ে বান্ধবীর বিয়েতে যান ওই নারী। গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। সেখানে গিয়ে বখাটেদের মাধ্যমে উত্ত্যক্তের শিকার হন তিনি। পরে ওই বখাটেদের কুপ্রস্তাব প্রত্যাখান করায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন তিনি।

এ ঘটনায় ১৯ মার্চ লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার নারী। ওই মামলায় মো. শিপন মিয়া (২২), মো. পারভেজ (২০), মো. হুমায়ুন মিয়া (২০), মো. শাহজাহান (২২), আফিয়া আক্তার (৩০), দেলোয়ার হোসেন দিলু (৪৫) ও রাবিয়া খাতুনকে (৩৫) আসামি করা হয়। এর মধ্যে প্রথম চার আসামি ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। অপর আসামিরা ধর্ষণে সহযোগিতা করেন।

এ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চান গ্রেফতার হওয়া আসামি রাবিয়া খাতুন। ওই জামিনের আবেদন শুনানিকালে ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্টে চিকিৎসকদের দেওয়া মতামতের বিষয়টি নজরে আসে হাইকোর্টের।

আদালতে আসামি রাবিয়া খাতুনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

হবিগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক নারীর মেডিকেল রিপোর্টে ‘কোনো আলামত পাওয়া যায়নি’ উল্লেখ করার ঘটনায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের দুই চিকিৎসক ডা. মোমিন চৌধুরী ও ডা. নাদিরা বেগমের কাছে লিখিতভাবে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট।

এ ঘটনায় রোববার দুই চিকিৎসকের ক্ষমার আবেদন না নিয়ে বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ওই ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামির জামিন শুনানিতে উত্থাপিত ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্ট নজরে আসায় হাইকোর্ট ওই দুই চিকিৎসককে তলব করেছিলেন। তাদের কাছে আদালত জানতে চান, একজন নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার পরও কেন তার শরীরে কোনো চিহ্ন পেলেন না?

এর ব্যাখ্যা দিতে আজ রোববার হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন ওই দুই চিকিৎসক। তারা মৌখিক একটা ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আদালত সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ না করে তাদের বিরুদ্ধে আদেশ দিতে চান। তখন দুই চিকিৎসক হাইকোর্টের কাছে ক্ষমা চান এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীও তাদের ক্ষমা করে দিতে আদালতের প্রতি অনুরোধ করেন।

তখন আদালত বলেন, আমরা ক্ষমা করতে বসিনি, বিচার করতে বসেছি। এ ধরনের পক্ষপাতিত্বমূলক রিপোর্ট দেওয়ার কারণেই ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে ধর্ষকরা খালাস পেয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের উচিত ধর্ষণের ঘটনায় গুরুত্ব সহকারে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা, যাতে ধর্ষকরা কোনোভাবেই পার পেয়ে না যায়।

এরপর হাইকোর্ট ওই দুই চিকিৎসককে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে নির্দেশ দেন।
চলতি বছরের ৬ মার্চ হবিগঞ্জের লাখাইয়ে বান্ধবীর বিয়েতে যান ওই নারী। গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। সেখানে গিয়ে বখাটেদের মাধ্যমে উত্ত্যক্তের শিকার হন তিনি। পরে ওই বখাটেদের কুপ্রস্তাব প্রত্যাখান করায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন তিনি।

এ ঘটনায় ১৯ মার্চ লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার নারী। ওই মামলায় মো. শিপন মিয়া (২২), মো. পারভেজ (২০), মো. হুমায়ুন মিয়া (২০), মো. শাহজাহান (২২), আফিয়া আক্তার (৩০), দেলোয়ার হোসেন দিলু (৪৫) ও রাবিয়া খাতুনকে (৩৫) আসামি করা হয়। এর মধ্যে প্রথম চার আসামি ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। অপর আসামিরা ধর্ষণে সহযোগিতা করেন।

এ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চান গ্রেফতার হওয়া আসামি রাবিয়া খাতুন। ওই জামিনের আবেদন শুনানিকালে ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্টে চিকিৎসকদের দেওয়া মতামতের বিষয়টি নজরে আসে হাইকোর্টের।

আদালতে আসামি রাবিয়া খাতুনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

ক্ষমার জন্য নয়, বিচার করতে বসেছি : দুই চিকিৎসককে হাইকোর্ট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ নভেম্বর, ২০২১ | ১০:২২ 100 ভিউ
হবিগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক নারীর মেডিকেল রিপোর্টে ‘কোনো আলামত পাওয়া যায়নি’ উল্লেখ করার ঘটনায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের দুই চিকিৎসক ডা. মোমিন চৌধুরী ও ডা. নাদিরা বেগমের কাছে লিখিতভাবে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট। এ ঘটনায় রোববার দুই চিকিৎসকের ক্ষমার আবেদন না নিয়ে বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ওই ধর্ষণের ঘটনায় এক আসামির জামিন শুনানিতে উত্থাপিত ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্ট নজরে আসায় হাইকোর্ট ওই দুই চিকিৎসককে তলব করেছিলেন। তাদের কাছে আদালত জানতে চান, একজন নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার পরও কেন তার শরীরে কোনো চিহ্ন পেলেন না? এর ব্যাখ্যা দিতে আজ রোববার হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন ওই দুই চিকিৎসক। তারা মৌখিক একটা ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আদালত সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ না করে তাদের বিরুদ্ধে আদেশ দিতে চান। তখন দুই চিকিৎসক হাইকোর্টের কাছে ক্ষমা চান এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীও তাদের ক্ষমা করে দিতে আদালতের প্রতি অনুরোধ করেন। তখন আদালত বলেন, আমরা ক্ষমা করতে বসিনি, বিচার করতে বসেছি। এ ধরনের পক্ষপাতিত্বমূলক রিপোর্ট দেওয়ার কারণেই ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে ধর্ষকরা খালাস পেয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের উচিত ধর্ষণের ঘটনায় গুরুত্ব সহকারে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা, যাতে ধর্ষকরা কোনোভাবেই পার পেয়ে না যায়। এরপর হাইকোর্ট ওই দুই চিকিৎসককে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে নির্দেশ দেন। চলতি বছরের ৬ মার্চ হবিগঞ্জের লাখাইয়ে বান্ধবীর বিয়েতে যান ওই নারী। গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে তাদের মধ্যে পরিচয় হয়। সেখানে গিয়ে বখাটেদের মাধ্যমে উত্ত্যক্তের শিকার হন তিনি। পরে ওই বখাটেদের কুপ্রস্তাব প্রত্যাখান করায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় ১৯ মার্চ লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার নারী। ওই মামলায় মো. শিপন মিয়া (২২), মো. পারভেজ (২০), মো. হুমায়ুন মিয়া (২০), মো. শাহজাহান (২২), আফিয়া আক্তার (৩০), দেলোয়ার হোসেন দিলু (৪৫) ও রাবিয়া খাতুনকে (৩৫) আসামি করা হয়। এর মধ্যে প্রথম চার আসামি ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। অপর আসামিরা ধর্ষণে সহযোগিতা করেন। এ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চান গ্রেফতার হওয়া আসামি রাবিয়া খাতুন। ওই জামিনের আবেদন শুনানিকালে ভিকটিমের মেডিকেল রিপোর্টে চিকিৎসকদের দেওয়া মতামতের বিষয়টি নজরে আসে হাইকোর্টের। আদালতে আসামি রাবিয়া খাতুনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: