তাজ্জব ব্যাপার! - ডোনেট বাংলাদেশ

ভবনের একটিতে গড়ে উঠেছে মাদ্রাসা-মসজিদ! ধর্মের অপব্যবহার কাকে বলে!

এই সমস্ত ঘটনা ঘটছে স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির নাকের ডগার ওপর দিয়েই। তিনি আজকের পত্রিকার প্রতিবেদককে যা বলেছেন, তাতে মনে হচ্ছে ভদ্রলোক ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানেন না। ২০০৮ সাল থেকে তিনি পাকাপোক্তভাবে এই দায়িত্বে আছেন। ভদ্রলোকের এতোই ক্ষমতা যে, স্কুলভবনে মাদ্রাসা করে তার জায়গা বাড়াতে দখল করেছেন সিটি করপোরেশনের জায়গা।

খলিলুর রহমানের গুণের শেষ নেই। একের পর এক প্রধান শিক্ষককে কেন পত্রপাঠ বিদায় নিতে হয়েছে, সেটা অনুক্তই থেকে গেছে। কেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলছে, তার উত্তর কে দেবে? খলিলুর রহমানের স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের কারণেই স্কুলের এই দশা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

শহীদ আবু তালেব একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ মিরপুরে গেলে তাঁকে বিহারিদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনারা হত্যা করে। বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর মতো রসিক ও প্রতিভাবান সাংবাদিক বিরল।

এমন একজন মুক্তমনা সাংবাদিকের নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুল এভাবে বেদখল হয়ে যাবে, সেটা কল্পনারও বাইরে। কিন্তু কল্পনাকে হার মানানো ঘটনা যে ঘটে গেছে, সেটা তো দেখাই যাচ্ছে।

স্কুল কমিটির সভাপতি খলিলুর রহমানের নিশ্চয়ই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় আছে, নইলে এভাবে একের পর এক নিয়ম লঙ্ঘন করতে পারতেন না। প্রতিবেদনেই তাঁর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগের কথা উল্লেখ আছে, তার ওপর নির্ভর করে বলা যায়, তিনি স্কুলের অভিভাবক হওয়ার যোগ্য নন। একমাত্র অবৈধ ক্ষমতাবলে তিনি স্কুল ভবনে এ রকম দুঃশাসন চালাতে পারছেন।

একটি স্কুলভবন দখল করে কীভাবে তাতে দোকান আর মাদ্রাসা-মসজিদের জায়গা দেওয়া হয়, তা কোনো যুক্তিতেই বোধগম্য হয় না। যারা সেখানে মাদ্রাসা ও মসজিদ করেছেন, তারাই বা কোন আক্কেলে এ কাণ্ডটি ঘটাতে পারলেন? এটা অনেক বড় অনিয়ম। খলিলুর রহমানের এহেন কর্মকাণ্ডের ফলে দুই শিফটে যে স্কুলে দেড় হাজার শিক্ষার্থী পড়ত, তা এখন প্রায় শিক্ষার্থীশূন্য। এ জন্য স্কুল কমিটির সভাপতিকে জবাবদিহি করতেই হবে।

মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক এই ঘটনাকে ‘বড় অনিয়ম’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা বোর্ডে আলোচনা করবেন বলেও জানিয়েছেন। আমাদের দৃষ্টি থাকবে সেদিকেই। স্কুলের ভবনে যে অবৈধ মাদ্রাসা আর মসজিদ গড়ে উঠেছে, তা উচ্ছেদ করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। শহীদ আবু তালেব উচ্চবিদ্যালয়টির পরিচালনার কাজ যোগ্য মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হোক। যারা স্কুল ভবনকে দোকান, মাদ্রাসা আর মসজিদ বানায়, তারা শিক্ষার শত্রু, দুর্নীতিই তাদের ভিত্তি। এদের বিচার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।

ভবনের একটিতে গড়ে উঠেছে মাদ্রাসা-মসজিদ! ধর্মের অপব্যবহার কাকে বলে!

এই সমস্ত ঘটনা ঘটছে স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির নাকের ডগার ওপর দিয়েই। তিনি আজকের পত্রিকার প্রতিবেদককে যা বলেছেন, তাতে মনে হচ্ছে ভদ্রলোক ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানেন না। ২০০৮ সাল থেকে তিনি পাকাপোক্তভাবে এই দায়িত্বে আছেন। ভদ্রলোকের এতোই ক্ষমতা যে, স্কুলভবনে মাদ্রাসা করে তার জায়গা বাড়াতে দখল করেছেন সিটি করপোরেশনের জায়গা।

খলিলুর রহমানের গুণের শেষ নেই। একের পর এক প্রধান শিক্ষককে কেন পত্রপাঠ বিদায় নিতে হয়েছে, সেটা অনুক্তই থেকে গেছে। কেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলছে, তার উত্তর কে দেবে? খলিলুর রহমানের স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের কারণেই স্কুলের এই দশা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

শহীদ আবু তালেব একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ মিরপুরে গেলে তাঁকে বিহারিদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনারা হত্যা করে। বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর মতো রসিক ও প্রতিভাবান সাংবাদিক বিরল।

এমন একজন মুক্তমনা সাংবাদিকের নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুল এভাবে বেদখল হয়ে যাবে, সেটা কল্পনারও বাইরে। কিন্তু কল্পনাকে হার মানানো ঘটনা যে ঘটে গেছে, সেটা তো দেখাই যাচ্ছে।

স্কুল কমিটির সভাপতি খলিলুর রহমানের নিশ্চয়ই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় আছে, নইলে এভাবে একের পর এক নিয়ম লঙ্ঘন করতে পারতেন না। প্রতিবেদনেই তাঁর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগের কথা উল্লেখ আছে, তার ওপর নির্ভর করে বলা যায়, তিনি স্কুলের অভিভাবক হওয়ার যোগ্য নন। একমাত্র অবৈধ ক্ষমতাবলে তিনি স্কুল ভবনে এ রকম দুঃশাসন চালাতে পারছেন।

একটি স্কুলভবন দখল করে কীভাবে তাতে দোকান আর মাদ্রাসা-মসজিদের জায়গা দেওয়া হয়, তা কোনো যুক্তিতেই বোধগম্য হয় না। যারা সেখানে মাদ্রাসা ও মসজিদ করেছেন, তারাই বা কোন আক্কেলে এ কাণ্ডটি ঘটাতে পারলেন? এটা অনেক বড় অনিয়ম। খলিলুর রহমানের এহেন কর্মকাণ্ডের ফলে দুই শিফটে যে স্কুলে দেড় হাজার শিক্ষার্থী পড়ত, তা এখন প্রায় শিক্ষার্থীশূন্য। এ জন্য স্কুল কমিটির সভাপতিকে জবাবদিহি করতেই হবে।

মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক এই ঘটনাকে ‘বড় অনিয়ম’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা বোর্ডে আলোচনা করবেন বলেও জানিয়েছেন। আমাদের দৃষ্টি থাকবে সেদিকেই। স্কুলের ভবনে যে অবৈধ মাদ্রাসা আর মসজিদ গড়ে উঠেছে, তা উচ্ছেদ করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। শহীদ আবু তালেব উচ্চবিদ্যালয়টির পরিচালনার কাজ যোগ্য মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হোক। যারা স্কুল ভবনকে দোকান, মাদ্রাসা আর মসজিদ বানায়, তারা শিক্ষার শত্রু, দুর্নীতিই তাদের ভিত্তি। এদের বিচার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।

তাজ্জব ব্যাপার!

সম্পাদকীয়
আপডেটঃ ১৮ নভেম্বর, ২০২১ | ৮:১৯ 46 ভিউ
ভবনের একটিতে গড়ে উঠেছে মাদ্রাসা-মসজিদ! ধর্মের অপব্যবহার কাকে বলে! এই সমস্ত ঘটনা ঘটছে স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির নাকের ডগার ওপর দিয়েই। তিনি আজকের পত্রিকার প্রতিবেদককে যা বলেছেন, তাতে মনে হচ্ছে ভদ্রলোক ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানেন না। ২০০৮ সাল থেকে তিনি পাকাপোক্তভাবে এই দায়িত্বে আছেন। ভদ্রলোকের এতোই ক্ষমতা যে, স্কুলভবনে মাদ্রাসা করে তার জায়গা বাড়াতে দখল করেছেন সিটি করপোরেশনের জায়গা। খলিলুর রহমানের গুণের শেষ নেই। একের পর এক প্রধান শিক্ষককে কেন পত্রপাঠ বিদায় নিতে হয়েছে, সেটা অনুক্তই থেকে গেছে। কেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে স্কুল চলছে, তার উত্তর কে দেবে? খলিলুর রহমানের স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও একনায়কতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের কারণেই স্কুলের এই দশা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে। শহীদ আবু তালেব একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ মিরপুরে গেলে তাঁকে বিহারিদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনারা হত্যা করে। বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর মতো রসিক ও প্রতিভাবান সাংবাদিক বিরল। এমন একজন মুক্তমনা সাংবাদিকের নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুল এভাবে বেদখল হয়ে যাবে, সেটা কল্পনারও বাইরে। কিন্তু কল্পনাকে হার মানানো ঘটনা যে ঘটে গেছে, সেটা তো দেখাই যাচ্ছে। স্কুল কমিটির সভাপতি খলিলুর রহমানের নিশ্চয়ই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় আছে, নইলে এভাবে একের পর এক নিয়ম লঙ্ঘন করতে পারতেন না। প্রতিবেদনেই তাঁর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগের কথা উল্লেখ আছে, তার ওপর নির্ভর করে বলা যায়, তিনি স্কুলের অভিভাবক হওয়ার যোগ্য নন। একমাত্র অবৈধ ক্ষমতাবলে তিনি স্কুল ভবনে এ রকম দুঃশাসন চালাতে পারছেন। একটি স্কুলভবন দখল করে কীভাবে তাতে দোকান আর মাদ্রাসা-মসজিদের জায়গা দেওয়া হয়, তা কোনো যুক্তিতেই বোধগম্য হয় না। যারা সেখানে মাদ্রাসা ও মসজিদ করেছেন, তারাই বা কোন আক্কেলে এ কাণ্ডটি ঘটাতে পারলেন? এটা অনেক বড় অনিয়ম। খলিলুর রহমানের এহেন কর্মকাণ্ডের ফলে দুই শিফটে যে স্কুলে দেড় হাজার শিক্ষার্থী পড়ত, তা এখন প্রায় শিক্ষার্থীশূন্য। এ জন্য স্কুল কমিটির সভাপতিকে জবাবদিহি করতেই হবে। মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক এই ঘটনাকে ‘বড় অনিয়ম’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা বোর্ডে আলোচনা করবেন বলেও জানিয়েছেন। আমাদের দৃষ্টি থাকবে সেদিকেই। স্কুলের ভবনে যে অবৈধ মাদ্রাসা আর মসজিদ গড়ে উঠেছে, তা উচ্ছেদ করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। শহীদ আবু তালেব উচ্চবিদ্যালয়টির পরিচালনার কাজ যোগ্য মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হোক। যারা স্কুল ভবনকে দোকান, মাদ্রাসা আর মসজিদ বানায়, তারা শিক্ষার শত্রু, দুর্নীতিই তাদের ভিত্তি। এদের বিচার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: