পৃথিবীর শেষ রাস্তা, যেখানে একা গেলেই বিপদ! – ডোনেট বাংলাদেশ

পৃথিবীর শেষ রাস্তা, যেখানে একা গেলেই বিপদ!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:২৪ 674 ভিউ
পৃথিবীর শেষ রাস্তাটি কোথায় অবস্থিত? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা! ইউরোপের ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ হলো পৃথিবীর শেষ রাস্তা। যেটি নরওয়েতে অবস্থিত। পৃথিবীর শেষ সীমানা নিয়ে বিশ্ববাসীর মনে কৌতুহলের শেষ নেই। বিশেষ করে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীরা সে স্থানে দেখতে চান সরেজমিনে। তবে সেখানে পৌঁছোনো কি সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব। পৃথিবীর শেষ রাস্তাটির নাম ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’। যেখানে একা যাওয়া নিষেধ। একা গেলেই নাকি বিপদ হতে পারে। উত্তরমেরুর মেরুজ্যোতি দেখা যেমন বিস্ময়ের ঠিক তেমনিই অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীরা স্বপ্ন দেখেন পৃথিবীর শেষ রাস্তা দিয়ে অন্তত একবার হলেও হাঁটবেন। পৃথিবীর শেষ রাস্তাটি অবস্থিত উত্তর গোলার্ধে অর্থাৎ নিরক্ষরেখার উপরের দিকে। তবে রাস্তাটিকে কেন বিশ্বের শেষ রাস্তা বলা হয় জানেন কি? আর কেনই বা সেখানে একা যাওয়া

নিষেধ? ইউরোপের ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ বা পৃথিবীর শেষ রাস্তাটি উত্তর মেরুর গা ঘেঁষে চলে গেছে। এই পথ উত্তর ইউরোপের নর্ডক্যাপকে সংযুক্ত করেছে নরওয়ের ওল্ডারফিউওর্ড গ্রামের সঙ্গে। পথটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২৯ কিলোমিটার। ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ তে যেতে গেলে ৫টি টানেল পার হতে হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে লম্বা টানেল ‘নর্থ কেপ’র দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এটি গিয়ে পৌঁছায় সমুদ্রতলের প্রায় ২১২ মিটার নীচে। এই পথে যেতে যেতে দু’পাশে নজরে আসবে অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য। একইসঙ্গে সমুদ্র ও বরফ দেখবেন। বলা হয়, এই রাস্তায় জীবনে একবার অন্তত না গেলে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জীবন বৃথা। তবে পৃথিবীর শেষ রাস্তায় একা যাওয়া নিষেধ কেন? ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’তে যাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। সেগুলো না মানলে

ওই রাস্তায় যাওয়ার কথা ভুলেও ভাববেন না। ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ অভিনব ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এখানে কাউকে একা যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। এখানে একদিকে যেমন ভয়ানক গতিতে বাতাস বয় তেমনই এখানে ঠান্ডা। সেখানকার আবহাওয়া একেবারেই অনিশ্চিত। গ্রীষ্মকালেও এখানে বরফ পড়ে। আবার সমুদ্র উপকূলে হওয়ায় যে কোনো মুহূর্তে আবহাওয়া পরিবর্তন হতে পারে। আর শীতকালে এই রাস্তা একেবারেই বন্ধ থাকে। অতিরিক্ত তুষারপাত বা বৃষ্টি হলে আবার গাড়ি চালানো ভয়ানক বিপজ্জনক। যখন তখন সেখানে ঝড় উঠতে পারে। এই অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার কারণেই ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’তে একা যাওয়া নিষেধ। নরওয়ের ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’ তৈরির পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৩০ নাগাদ। এর ৪ বছর পর ১৯৩৪ সালে রাস্তাটি তৈরির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

পর্যটন, মৎস্যচাষ ইত্যাদির পরিকল্পনাও তাতে সামিল ছিল। ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’র বর্তমান দৈর্ঘ্য ১২৯ কিলোমিটার। যা সম্পূর্ণ হয়েছে ১৯৯২ সালে। তারপর থেকে এভাবেই চলছে। যদিও আন্তর্জাতিক মহলে ‘ই-৬৯ হাইওয়ে’টি পৃথিবীর শেষ রাস্তা বলে স্বীকৃতি পেয়েছে, তবে এরকম রাস্তা বিশ্বে আরও আছে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কুষ্টিয়ায় প্রেমিকাকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, প্রেমিক গ্রেফতার মাগুরায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সুরত আলীর রাষ্ট্রীয় মর্জাদায় দাফন মাগুরায় কওমি মাদ্রাসার ছাত্রীকে বেধড়ক পিটিয়ে মাগুরায় সমবায় বিভাগের উন্নত জাতের গাভী পালনের চেক বিতরণ কেন্দুয়ায় মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে বাড়িঘরে হামলা-লুটপাটঃ ৮টি গরু ও ৪টি ছাগল উদ্ধার যতদিন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ততদিন নিরাপদ কৃষকরা দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ভারতে ইলিশ রফতানির মেয়াদ বাড়ল ইডেনের ছাত্রলীগ নেত্রীদের যৌন শোষণের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ এখন আর আকর্ষণীয় নয়: গভর্নর বাংলাদেশে কী ধরনের নির্বাচন হবে তা নির্ধারণ করবে জনগণ বনানীতে চিরনিদ্রায় শায়িবনানীতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তোয়াব খানত হলেন তোয়াব খান হাজারো ভক্তদের উপস্থিতিতে মণ্ডপে মণ্ডপে কুমারী পূজা লিটারে সয়াবিন তেলের দাম কমেছে ১৪ টাকা রপ্তানি আয়-রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে ২৫১ জনের কমিটির অধিকাংশই নিষ্ক্রিয় নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু আজ ফের তুমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা কিশোর নিহত মাদ্রিদে বাংলাদেশিদের পরিচালনায় আরও একটি মসজিদ জীবন কাঁপানো দুর্ভোগের শেষ কোথায়