ফের আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর নামফলক ‘ভাঙা’ সেই আশকর - ডোনেট বাংলাদেশ

কেরানীগঞ্জের বাস্তা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবারো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আশকর আলী। তবে তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামফলক ভেঙে ফেলার অভিযোগ থাকার পরও মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় নেতারা। এতে এলাকায় আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বাস্তা ইউনিয়নে কোনো ধরনের বর্ধিত সভা না করেই এ প্রার্থীর নাম জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে কারও মতামত নেওয়া হয়নি। বড় নেতার মদত ও নিজে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় তার প্রভাব খাটাচ্ছেন আশকর আলী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আশকর আলী ধলেশ্বরী ১ নং সেতুতে থাকা প্রধানমন্ত্রীর নামফলক ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। এজন্য তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়। পাশাপাশি বাস্তা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবুল হাসেমের করা অভিযোগে ওই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর শাস্তির সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু পরে বিষয়টি ভিন্নভাবে ম্যানেজ করেছে সে।

তিনি আরও বলেন, সেসব অপকর্ম তার বিরুদ্ধে আছে সেসবের প্রমাণসহ আমরা সভানেত্রীর কাছে আবেদন করেছি। যেন চূড়ান্তভাবে তার বদলে যে কোনো ত্যাগী নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বাস্তা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নম্বর সদস্য এইচ এম অহিদুল হক বলেন, এ ইউনিয়নে কোনো বর্ধিত সভা হয়নি। কয়েকজন নেতা সব সদস্যের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। শেখ হাসিনার নামফলক ভাঙার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই আবারো নৌকার প্রার্থী করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এবার আশকর মনোনয়ন পাবে আমরা সেটা কোনোভাবে প্রত্যাশা করিনি। তার জন্য ত্যাগী নেতারা এবারও মনোনায়ন পেল না। জামায়াত-বিএনপি আবারও নৌকার প্রার্থী হয়েছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার।

এ বিষয়ে বাস্তা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি জিন্নাত আলী জিন্না বলেন, আমরা কেউ এ মনোনায়ন নিয়ে সন্তুষ্ট না। আমাদের কমিটির ৬৯ জন নেতাকর্মীই তার বিরুদ্ধে। তার পক্ষে হয়ে কাজ করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা আন্দোলন করছি। তার বিরুদ্ধে সবখানে অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু বারবার একজন বড় নেতার ছত্রচ্ছায়ায় তিনি মনোনায়ন নিয়ে আসছেন।

কেরানীগঞ্জের বাস্তা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবারো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আশকর আলী। তবে তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামফলক ভেঙে ফেলার অভিযোগ থাকার পরও মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় নেতারা। এতে এলাকায় আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বাস্তা ইউনিয়নে কোনো ধরনের বর্ধিত সভা না করেই এ প্রার্থীর নাম জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে কারও মতামত নেওয়া হয়নি। বড় নেতার মদত ও নিজে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় তার প্রভাব খাটাচ্ছেন আশকর আলী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আশকর আলী ধলেশ্বরী ১ নং সেতুতে থাকা প্রধানমন্ত্রীর নামফলক ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। এজন্য তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়। পাশাপাশি বাস্তা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবুল হাসেমের করা অভিযোগে ওই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর শাস্তির সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু পরে বিষয়টি ভিন্নভাবে ম্যানেজ করেছে সে।

তিনি আরও বলেন, সেসব অপকর্ম তার বিরুদ্ধে আছে সেসবের প্রমাণসহ আমরা সভানেত্রীর কাছে আবেদন করেছি। যেন চূড়ান্তভাবে তার বদলে যে কোনো ত্যাগী নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বাস্তা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নম্বর সদস্য এইচ এম অহিদুল হক বলেন, এ ইউনিয়নে কোনো বর্ধিত সভা হয়নি। কয়েকজন নেতা সব সদস্যের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। শেখ হাসিনার নামফলক ভাঙার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই আবারো নৌকার প্রার্থী করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এবার আশকর মনোনয়ন পাবে আমরা সেটা কোনোভাবে প্রত্যাশা করিনি। তার জন্য ত্যাগী নেতারা এবারও মনোনায়ন পেল না। জামায়াত-বিএনপি আবারও নৌকার প্রার্থী হয়েছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার।

এ বিষয়ে বাস্তা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি জিন্নাত আলী জিন্না বলেন, আমরা কেউ এ মনোনায়ন নিয়ে সন্তুষ্ট না। আমাদের কমিটির ৬৯ জন নেতাকর্মীই তার বিরুদ্ধে। তার পক্ষে হয়ে কাজ করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা আন্দোলন করছি। তার বিরুদ্ধে সবখানে অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু বারবার একজন বড় নেতার ছত্রচ্ছায়ায় তিনি মনোনায়ন নিয়ে আসছেন।

ফের আ’লীগের মনোনয়ন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর নামফলক ‘ভাঙা’ সেই আশকর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ নভেম্বর, ২০২১ | ২:৪৯ 89 ভিউ
কেরানীগঞ্জের বাস্তা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবারো আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আশকর আলী। তবে তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামফলক ভেঙে ফেলার অভিযোগ থাকার পরও মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় নেতারা। এতে এলাকায় আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি তাদের। নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বাস্তা ইউনিয়নে কোনো ধরনের বর্ধিত সভা না করেই এ প্রার্থীর নাম জেলা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে কারও মতামত নেওয়া হয়নি। বড় নেতার মদত ও নিজে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় তার প্রভাব খাটাচ্ছেন আশকর আলী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আশকর আলী ধলেশ্বরী ১ নং সেতুতে থাকা প্রধানমন্ত্রীর নামফলক ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। এজন্য তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়। পাশাপাশি বাস্তা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবুল হাসেমের করা অভিযোগে ওই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ও আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর শাস্তির সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু পরে বিষয়টি ভিন্নভাবে ম্যানেজ করেছে সে। তিনি আরও বলেন, সেসব অপকর্ম তার বিরুদ্ধে আছে সেসবের প্রমাণসহ আমরা সভানেত্রীর কাছে আবেদন করেছি। যেন চূড়ান্তভাবে তার বদলে যে কোনো ত্যাগী নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এ বিষয়ে বাস্তা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নম্বর সদস্য এইচ এম অহিদুল হক বলেন, এ ইউনিয়নে কোনো বর্ধিত সভা হয়নি। কয়েকজন নেতা সব সদস্যের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। শেখ হাসিনার নামফলক ভাঙার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই আবারো নৌকার প্রার্থী করেছেন। তিনি আরও বলেন, এবার আশকর মনোনয়ন পাবে আমরা সেটা কোনোভাবে প্রত্যাশা করিনি। তার জন্য ত্যাগী নেতারা এবারও মনোনায়ন পেল না। জামায়াত-বিএনপি আবারও নৌকার প্রার্থী হয়েছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার। এ বিষয়ে বাস্তা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি জিন্নাত আলী জিন্না বলেন, আমরা কেউ এ মনোনায়ন নিয়ে সন্তুষ্ট না। আমাদের কমিটির ৬৯ জন নেতাকর্মীই তার বিরুদ্ধে। তার পক্ষে হয়ে কাজ করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা আন্দোলন করছি। তার বিরুদ্ধে সবখানে অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু বারবার একজন বড় নেতার ছত্রচ্ছায়ায় তিনি মনোনায়ন নিয়ে আসছেন।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: