বসে কাজ করার স্বাস্থ্যঝুঁকি - ডোনেট বাংলাদেশ

‘সেডেন্টারি লাইফস্টাইল’ শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। কায়িক পরিশ্রমবিহীন বা অতিনগণ্য শারীরিক পরিশ্রমের জীবনধারাই হলো সেডেন্টারি লাইফস্টাইল। সাধারণত শিক্ষার্থী, অফিসকর্মী এবং যাঁরা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে হাঁটাচলা না করে এক জায়গায় স্থির থেকে কাজ করেন, তাঁদের সেডেন্টারি ওয়ার্কার বলা হয়ে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার জন্য দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য-সমস্যা, যেমন হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসার, এমনকি মানসিক অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে।

বসে থাকায় স্বাস্থ্য-সমস্যা

দীর্ঘসময় বসে/শুয়ে থাকলে আমাদের পায়ের ও গ্লুটিয়াল মাংসপেশি দুর্বল ও নরম হয়ে যেতে থাকে। এ থেকে মাংসপেশি ক্ষয় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আমাদের পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে এবং খাদ্য পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যরস নিঃসরণ কমে যায়। ফলে আমাদের শরীরে চর্বি ও সুগার জমা হয়ে ওজন বাড়িয়ে দেয়।
শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া টানা বসে সময় পার করলে আমাদের হৃৎপিণ্ডে রক্ত প্রবাহের মাত্রা কমতে থাকে। এ থেকে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার জন্য আমাদের দেহে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যেতে থাকে, ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে, অতিরিক্ত বসে থাকা কোলন, ফুসফুস ও ইন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের জন্য দায়ী।
শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব থেকে মানসিক অবসাদ সৃষ্টি হয়।
দীর্ঘক্ষণ অস্বাস্থ্যকরভাবে বসে থাকার জন্য কোমর, ঘাড় ও গোড়ালির অস্থিসন্ধিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এ থেকে মেরুদণ্ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বহুক্ষণ বসে কাজ করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও ধীর হতে থাকে। মস্তিষ্কে কম পরিমাণ অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছানোর কারণে ব্রেইনের কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে একটা সময় পর বুদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি দুটোই কমে যায়।
প্রতিকার

বসে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর বিরতি নিয়ে হাঁটাচলা করতে হবে।
বসে কাজ করার সময় সোজা হয়ে বসতে হবে, ঝুঁকে বসা যাবে না। সম্ভব হলে বসে কাজ করার উপযোগী কুশন ব্যবহার করতে হবে।
লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে।
ফোনে কথা বলা বা টেলিভিশন দেখার সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
ডেস্ক জবের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে স্ট্যান্ডিং ডেস্ক ব্যবহার করতে হবে।
প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা সময় হাঁটার জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে।
শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করতে হবে।

‘সেডেন্টারি লাইফস্টাইল’ শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। কায়িক পরিশ্রমবিহীন বা অতিনগণ্য শারীরিক পরিশ্রমের জীবনধারাই হলো সেডেন্টারি লাইফস্টাইল। সাধারণত শিক্ষার্থী, অফিসকর্মী এবং যাঁরা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে হাঁটাচলা না করে এক জায়গায় স্থির থেকে কাজ করেন, তাঁদের সেডেন্টারি ওয়ার্কার বলা হয়ে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার জন্য দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য-সমস্যা, যেমন হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসার, এমনকি মানসিক অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে।

বসে থাকায় স্বাস্থ্য-সমস্যা

দীর্ঘসময় বসে/শুয়ে থাকলে আমাদের পায়ের ও গ্লুটিয়াল মাংসপেশি দুর্বল ও নরম হয়ে যেতে থাকে। এ থেকে মাংসপেশি ক্ষয় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আমাদের পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে এবং খাদ্য পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যরস নিঃসরণ কমে যায়। ফলে আমাদের শরীরে চর্বি ও সুগার জমা হয়ে ওজন বাড়িয়ে দেয়।
শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া টানা বসে সময় পার করলে আমাদের হৃৎপিণ্ডে রক্ত প্রবাহের মাত্রা কমতে থাকে। এ থেকে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার জন্য আমাদের দেহে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যেতে থাকে, ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে, অতিরিক্ত বসে থাকা কোলন, ফুসফুস ও ইন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের জন্য দায়ী।
শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব থেকে মানসিক অবসাদ সৃষ্টি হয়।
দীর্ঘক্ষণ অস্বাস্থ্যকরভাবে বসে থাকার জন্য কোমর, ঘাড় ও গোড়ালির অস্থিসন্ধিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এ থেকে মেরুদণ্ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বহুক্ষণ বসে কাজ করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও ধীর হতে থাকে। মস্তিষ্কে কম পরিমাণ অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছানোর কারণে ব্রেইনের কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে একটা সময় পর বুদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি দুটোই কমে যায়।
প্রতিকার

বসে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর বিরতি নিয়ে হাঁটাচলা করতে হবে।
বসে কাজ করার সময় সোজা হয়ে বসতে হবে, ঝুঁকে বসা যাবে না। সম্ভব হলে বসে কাজ করার উপযোগী কুশন ব্যবহার করতে হবে।
লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে।
ফোনে কথা বলা বা টেলিভিশন দেখার সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
ডেস্ক জবের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে স্ট্যান্ডিং ডেস্ক ব্যবহার করতে হবে।
প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা সময় হাঁটার জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে।
শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করতে হবে।

বসে কাজ করার স্বাস্থ্যঝুঁকি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ নভেম্বর, ২০২১ | ৫:১৯ 62 ভিউ
‘সেডেন্টারি লাইফস্টাইল’ শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। কায়িক পরিশ্রমবিহীন বা অতিনগণ্য শারীরিক পরিশ্রমের জীবনধারাই হলো সেডেন্টারি লাইফস্টাইল। সাধারণত শিক্ষার্থী, অফিসকর্মী এবং যাঁরা দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে হাঁটাচলা না করে এক জায়গায় স্থির থেকে কাজ করেন, তাঁদের সেডেন্টারি ওয়ার্কার বলা হয়ে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার জন্য দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য-সমস্যা, যেমন হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসার, এমনকি মানসিক অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে। বসে থাকায় স্বাস্থ্য-সমস্যা দীর্ঘসময় বসে/শুয়ে থাকলে আমাদের পায়ের ও গ্লুটিয়াল মাংসপেশি দুর্বল ও নরম হয়ে যেতে থাকে। এ থেকে মাংসপেশি ক্ষয় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। দীর্ঘ সময় বসে থাকলে আমাদের পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে এবং খাদ্য পরিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যরস নিঃসরণ কমে যায়। ফলে আমাদের শরীরে চর্বি ও সুগার জমা হয়ে ওজন বাড়িয়ে দেয়। শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া টানা বসে সময় পার করলে আমাদের হৃৎপিণ্ডে রক্ত প্রবাহের মাত্রা কমতে থাকে। এ থেকে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার জন্য আমাদের দেহে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যেতে থাকে, ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা গেছে, অতিরিক্ত বসে থাকা কোলন, ফুসফুস ও ইন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের জন্য দায়ী। শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব থেকে মানসিক অবসাদ সৃষ্টি হয়। দীর্ঘক্ষণ অস্বাস্থ্যকরভাবে বসে থাকার জন্য কোমর, ঘাড় ও গোড়ালির অস্থিসন্ধিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এ থেকে মেরুদণ্ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বহুক্ষণ বসে কাজ করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও ধীর হতে থাকে। মস্তিষ্কে কম পরিমাণ অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছানোর কারণে ব্রেইনের কার্যক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে একটা সময় পর বুদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি দুটোই কমে যায়। প্রতিকার বসে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রতি ৩০ মিনিট অন্তর বিরতি নিয়ে হাঁটাচলা করতে হবে। বসে কাজ করার সময় সোজা হয়ে বসতে হবে, ঝুঁকে বসা যাবে না। সম্ভব হলে বসে কাজ করার উপযোগী কুশন ব্যবহার করতে হবে। লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করতে হবে। ফোনে কথা বলা বা টেলিভিশন দেখার সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। ডেস্ক জবের ক্ষেত্রে সম্ভব হলে স্ট্যান্ডিং ডেস্ক ব্যবহার করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা সময় হাঁটার জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে। শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করতে হবে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: