বিপজ্জনক এয়ারপোর্ট, রানওয়ের মাঝে রেললাইন - ডোনেট বাংলাদেশ

বর্তমানে পণ্য পরিবহন কিংবা যাতায়াতের অন্যতম সহজ ও দ্রুততম মাধ্যম হচ্ছে আকাশপথ। কিছু বছর আগেও বিমানে চড়া আভিজাত্যের অংশ ছিল। তবে তার পাট চুকিয়ে বর্তমানে শুধু দেশের বাইরেই নয় দেশের গণ্ডির ভেতরেই বেড়েছে বিমানে চলাচল। অনেকে ধন কুবেরের রয়েছে নিজস্ব হেলিকপ্টার থেকে বিমানও।

বিমান উড্ডয়ন ও অবতরনের জন্য রানওয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্বের এমন কিছু রানওয়ে আছে যা তৈরির সময় পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল। আমার কোথাও কোথাও উপায় না পেয়েই রেললাইন মাঝে রেখেই রানওয়ে তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক রানওয়ের মধ্যে একটি হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের পূর্ব উপকূলে এলগিন শহরে অবস্থিত গিসবোর্ন বিমানবন্দরের রানওয়ে। যেখানে রানওয়ের মাঝেই রয়েছে রেললাইন।
প্রায় ১৬০ হেক্টর জায়গাজুড়ে এই বিমানবন্দরের অবস্থান। রয়েছে তিনটি ঘাস রানওয়ে এবং এর ঠিক মাঝেই রয়েছে একটি রেললাইন। একবার ভাবুন তো আপনি সেই রেলের কিংবা বিমানের যাত্রী। দুটো একইসঙ্গে অতিক্রম করছে রানওয়ে। এমন অবস্থায় যে কারো পিলে চমকে যাবে। বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দর এটি। তবে এখানে তেমন মারাত্মক কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি এখনও।
দুর্ঘটনা এড়াতে সকাল ৬.৩০ এবং রাত ৮.৩০ এ এখানে বিমান ল্যান্ড করতে পারে। আর এর মাঝের সময়গুলোতে ট্রেন যাতায়াত করে। বিমানবন্দরটি গিসবোর্নের ছোট অঞ্চলে প্রবেশের একটি প্রধান সংযোগ। ৬০টিরও বেশি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে এখানে। প্রতি বছর এই বিমানবন্দর দিয়ে এক লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করে।
২০০৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর গিসবোর্ন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলর এই বিমানবন্দরটি নির্মাণ করেন। রানওয়ে ৪ হাজার ২৯৭ ফুট লম্বা। ২০১৮ সালে পুনঃডিজাইন করা হয়েছে। এজন্য তারা ঋণ পেয়েছিল ৫.৫মিলিয়ন ডলার। মূল রানওয়ের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা স্তরের পাশাপাশি এটিকে দর্শনার্থীদের জন্যও সাজানো হয়েছে।

বর্তমানে পণ্য পরিবহন কিংবা যাতায়াতের অন্যতম সহজ ও দ্রুততম মাধ্যম হচ্ছে আকাশপথ। কিছু বছর আগেও বিমানে চড়া আভিজাত্যের অংশ ছিল। তবে তার পাট চুকিয়ে বর্তমানে শুধু দেশের বাইরেই নয় দেশের গণ্ডির ভেতরেই বেড়েছে বিমানে চলাচল। অনেকে ধন কুবেরের রয়েছে নিজস্ব হেলিকপ্টার থেকে বিমানও।

বিমান উড্ডয়ন ও অবতরনের জন্য রানওয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্বের এমন কিছু রানওয়ে আছে যা তৈরির সময় পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল। আমার কোথাও কোথাও উপায় না পেয়েই রেললাইন মাঝে রেখেই রানওয়ে তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক রানওয়ের মধ্যে একটি হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের পূর্ব উপকূলে এলগিন শহরে অবস্থিত গিসবোর্ন বিমানবন্দরের রানওয়ে। যেখানে রানওয়ের মাঝেই রয়েছে রেললাইন।
প্রায় ১৬০ হেক্টর জায়গাজুড়ে এই বিমানবন্দরের অবস্থান। রয়েছে তিনটি ঘাস রানওয়ে এবং এর ঠিক মাঝেই রয়েছে একটি রেললাইন। একবার ভাবুন তো আপনি সেই রেলের কিংবা বিমানের যাত্রী। দুটো একইসঙ্গে অতিক্রম করছে রানওয়ে। এমন অবস্থায় যে কারো পিলে চমকে যাবে। বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দর এটি। তবে এখানে তেমন মারাত্মক কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি এখনও।
দুর্ঘটনা এড়াতে সকাল ৬.৩০ এবং রাত ৮.৩০ এ এখানে বিমান ল্যান্ড করতে পারে। আর এর মাঝের সময়গুলোতে ট্রেন যাতায়াত করে। বিমানবন্দরটি গিসবোর্নের ছোট অঞ্চলে প্রবেশের একটি প্রধান সংযোগ। ৬০টিরও বেশি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে এখানে। প্রতি বছর এই বিমানবন্দর দিয়ে এক লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করে।
২০০৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর গিসবোর্ন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলর এই বিমানবন্দরটি নির্মাণ করেন। রানওয়ে ৪ হাজার ২৯৭ ফুট লম্বা। ২০১৮ সালে পুনঃডিজাইন করা হয়েছে। এজন্য তারা ঋণ পেয়েছিল ৫.৫মিলিয়ন ডলার। মূল রানওয়ের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা স্তরের পাশাপাশি এটিকে দর্শনার্থীদের জন্যও সাজানো হয়েছে।

বিপজ্জনক এয়ারপোর্ট, রানওয়ের মাঝে রেললাইন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:১২ 67 ভিউ
বর্তমানে পণ্য পরিবহন কিংবা যাতায়াতের অন্যতম সহজ ও দ্রুততম মাধ্যম হচ্ছে আকাশপথ। কিছু বছর আগেও বিমানে চড়া আভিজাত্যের অংশ ছিল। তবে তার পাট চুকিয়ে বর্তমানে শুধু দেশের বাইরেই নয় দেশের গণ্ডির ভেতরেই বেড়েছে বিমানে চলাচল। অনেকে ধন কুবেরের রয়েছে নিজস্ব হেলিকপ্টার থেকে বিমানও। বিমান উড্ডয়ন ও অবতরনের জন্য রানওয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্বের এমন কিছু রানওয়ে আছে যা তৈরির সময় পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল। আমার কোথাও কোথাও উপায় না পেয়েই রেললাইন মাঝে রেখেই রানওয়ে তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক রানওয়ের মধ্যে একটি হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের পূর্ব উপকূলে এলগিন শহরে অবস্থিত গিসবোর্ন বিমানবন্দরের রানওয়ে। যেখানে রানওয়ের মাঝেই রয়েছে রেললাইন। প্রায় ১৬০ হেক্টর জায়গাজুড়ে এই বিমানবন্দরের অবস্থান। রয়েছে তিনটি ঘাস রানওয়ে এবং এর ঠিক মাঝেই রয়েছে একটি রেললাইন। একবার ভাবুন তো আপনি সেই রেলের কিংবা বিমানের যাত্রী। দুটো একইসঙ্গে অতিক্রম করছে রানওয়ে। এমন অবস্থায় যে কারো পিলে চমকে যাবে। বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দর এটি। তবে এখানে তেমন মারাত্মক কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি এখনও। দুর্ঘটনা এড়াতে সকাল ৬.৩০ এবং রাত ৮.৩০ এ এখানে বিমান ল্যান্ড করতে পারে। আর এর মাঝের সময়গুলোতে ট্রেন যাতায়াত করে। বিমানবন্দরটি গিসবোর্নের ছোট অঞ্চলে প্রবেশের একটি প্রধান সংযোগ। ৬০টিরও বেশি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে এখানে। প্রতি বছর এই বিমানবন্দর দিয়ে এক লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করে। ২০০৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর গিসবোর্ন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিলর এই বিমানবন্দরটি নির্মাণ করেন। রানওয়ে ৪ হাজার ২৯৭ ফুট লম্বা। ২০১৮ সালে পুনঃডিজাইন করা হয়েছে। এজন্য তারা ঋণ পেয়েছিল ৫.৫মিলিয়ন ডলার। মূল রানওয়ের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা স্তরের পাশাপাশি এটিকে দর্শনার্থীদের জন্যও সাজানো হয়েছে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: