ভাসানীর স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: মেনন - ডোনেট বাংলাদেশ

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, মওলানা ভাসানীর স্বাধীনতার স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। ভাসানীর কাছে তাই বাঙালির ঋণ কিছু কম নয়। কিন্তু ঋণ স্বীকার করা তো দূরের কথা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে তাকে স্মরণও করা হয়নি।

শনিবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচিতে মওলানা ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মেনন। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় ‘মওলানা ভাসানী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল।

তিনি বলেন, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে কমিউনিস্টদের অগ্রবর্তীস্থান যখন এখন ইতিহাস স্বীকার করছে। এমনকি ভারতের স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর উৎসবে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি প্রেসিডেন্ট কমিউনিস্টদের সেই ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছেন তেমনি স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে স্বাধীনতা সংগ্রামে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বদানকারী ভূমিকাকেও স্বীকার করা হবে। সেদিন আমরা থাকবো না, কিন্তু নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের ইতিহাসকে সঠিক জায়গায় স্থাপন করবেন।

মেনন বলেন, যখন কেউ ভাবতেই পারেনি তখন ১৯৪৮-এ পূর্ব পাকিস্তান পরিষদে মওলানা ভাসানী পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের সুনির্দিষ্ট রূপ তুলে ধরেছিলেন। সেটাই অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল যুক্তফ্রন্টের একুশ দফায় আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে সোহরাওয়ার্দী যখন সংখ্যাসাম্য নীতি মেনে নিয়েছিলেন, পূর্ব বাংলার স্বায়ত্ত্বশাসনকে পায়ে দলেছিলেন, মওলানা পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারী শাসকগোষ্ঠীকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন না পেলে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাতে দ্বিধা করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

‘এজন্য তাকে দল ছাড়তে হয়েছিল, তার সর্বাপেক্ষা প্রিয় সেক্রেটারি মুজিবের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছিল’ উল্লেখ করে মেনন বলেন, আবার সেই মুজিব যখন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের ৬ দফা রূপরেখা তুলে ধরায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বন্দী তখন তিনিই আটষট্টির ডিসেম্বরে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অর্গল খুলে দিয়েছিলেন।

মেনন বলেন, সত্তরের জলোচ্ছ্বাসে দক্ষিণবঙ্গ যখন ধ্বংসপ্রাপ্ত তখন সেখান থেকে ফিরে মওলানা ভাসানী পাকিস্তানী শাসকদের উল্লেখ করে আঙুল তুলে বলেছিলেন ‘ওরা কেউ আসে নাই’।

‘বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার মুক্তিযুদ্ধে অপর কোনও দলের অংশগ্রহণ অস্বীকার করে চললেও তাদের শেষ পর্যন্ত যেতে হয়েছে মওলানা ভাসানীর কাছেই’ উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে তাকে চেয়ারম্যান করতে হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী সরকারের ভূমিকায় বিশেষ করে অন্য কোনও দলকে স্বীকার না করা, নিজেদের অন্তর্কলহে লিপ্ত থাকার ঘটনাবলীতে মওলানা ভাসানী বিরক্ত হলেও, তার মতদ্বৈততা থাকলেও তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঐক্য রক্ষায় নিরলস ছিলেন।’

মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে ভারতে মওলানা ভাসানীর অবস্থান সম্পর্কে মেনন বলেন, ‘ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে মেহমানদারি করলেও তার চলাফেরা ছিল নিয়ন্ত্রিত। তার সঙ্গী একান্ত সচিব সাইফুল ইসলামে বইয়ের লেখা অনুসারে তিনি উত্তর ভারতে ছিলেন মুক্ত, পূর্ব ভারতে নিয়ন্ত্রিত। মওলানা ভাসানী দেশে ফিরেও তার মৃত্যু পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে ভারতে তার অবস্থান সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেননি।’

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, মওলানা ভাসানীর স্বাধীনতার স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। ভাসানীর কাছে তাই বাঙালির ঋণ কিছু কম নয়। কিন্তু ঋণ স্বীকার করা তো দূরের কথা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে তাকে স্মরণও করা হয়নি।

শনিবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচিতে মওলানা ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মেনন। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় ‘মওলানা ভাসানী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল।

তিনি বলেন, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে কমিউনিস্টদের অগ্রবর্তীস্থান যখন এখন ইতিহাস স্বীকার করছে। এমনকি ভারতের স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর উৎসবে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি প্রেসিডেন্ট কমিউনিস্টদের সেই ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছেন তেমনি স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে স্বাধীনতা সংগ্রামে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বদানকারী ভূমিকাকেও স্বীকার করা হবে। সেদিন আমরা থাকবো না, কিন্তু নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের ইতিহাসকে সঠিক জায়গায় স্থাপন করবেন।

মেনন বলেন, যখন কেউ ভাবতেই পারেনি তখন ১৯৪৮-এ পূর্ব পাকিস্তান পরিষদে মওলানা ভাসানী পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের সুনির্দিষ্ট রূপ তুলে ধরেছিলেন। সেটাই অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল যুক্তফ্রন্টের একুশ দফায় আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে সোহরাওয়ার্দী যখন সংখ্যাসাম্য নীতি মেনে নিয়েছিলেন, পূর্ব বাংলার স্বায়ত্ত্বশাসনকে পায়ে দলেছিলেন, মওলানা পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারী শাসকগোষ্ঠীকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন না পেলে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাতে দ্বিধা করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

‘এজন্য তাকে দল ছাড়তে হয়েছিল, তার সর্বাপেক্ষা প্রিয় সেক্রেটারি মুজিবের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছিল’ উল্লেখ করে মেনন বলেন, আবার সেই মুজিব যখন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের ৬ দফা রূপরেখা তুলে ধরায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বন্দী তখন তিনিই আটষট্টির ডিসেম্বরে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অর্গল খুলে দিয়েছিলেন।

মেনন বলেন, সত্তরের জলোচ্ছ্বাসে দক্ষিণবঙ্গ যখন ধ্বংসপ্রাপ্ত তখন সেখান থেকে ফিরে মওলানা ভাসানী পাকিস্তানী শাসকদের উল্লেখ করে আঙুল তুলে বলেছিলেন ‘ওরা কেউ আসে নাই’।

‘বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার মুক্তিযুদ্ধে অপর কোনও দলের অংশগ্রহণ অস্বীকার করে চললেও তাদের শেষ পর্যন্ত যেতে হয়েছে মওলানা ভাসানীর কাছেই’ উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে তাকে চেয়ারম্যান করতে হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী সরকারের ভূমিকায় বিশেষ করে অন্য কোনও দলকে স্বীকার না করা, নিজেদের অন্তর্কলহে লিপ্ত থাকার ঘটনাবলীতে মওলানা ভাসানী বিরক্ত হলেও, তার মতদ্বৈততা থাকলেও তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঐক্য রক্ষায় নিরলস ছিলেন।’

মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে ভারতে মওলানা ভাসানীর অবস্থান সম্পর্কে মেনন বলেন, ‘ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে মেহমানদারি করলেও তার চলাফেরা ছিল নিয়ন্ত্রিত। তার সঙ্গী একান্ত সচিব সাইফুল ইসলামে বইয়ের লেখা অনুসারে তিনি উত্তর ভারতে ছিলেন মুক্ত, পূর্ব ভারতে নিয়ন্ত্রিত। মওলানা ভাসানী দেশে ফিরেও তার মৃত্যু পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে ভারতে তার অবস্থান সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেননি।’

নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ নভেম্বর, ২০২১
৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ
53 ভিউ

ভাসানীর স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: মেনন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:৩৭ 53 ভিউ
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, মওলানা ভাসানীর স্বাধীনতার স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। ভাসানীর কাছে তাই বাঙালির ঋণ কিছু কম নয়। কিন্তু ঋণ স্বীকার করা তো দূরের কথা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে তাকে স্মরণও করা হয়নি। শনিবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচিতে মওলানা ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মেনন। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় ‘মওলানা ভাসানী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল। তিনি বলেন, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে কমিউনিস্টদের অগ্রবর্তীস্থান যখন এখন ইতিহাস স্বীকার করছে। এমনকি ভারতের স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর উৎসবে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি প্রেসিডেন্ট কমিউনিস্টদের সেই ভূমিকার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছেন তেমনি স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে স্বাধীনতা সংগ্রামে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বদানকারী ভূমিকাকেও স্বীকার করা হবে। সেদিন আমরা থাকবো না, কিন্তু নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের ইতিহাসকে সঠিক জায়গায় স্থাপন করবেন। মেনন বলেন, যখন কেউ ভাবতেই পারেনি তখন ১৯৪৮-এ পূর্ব পাকিস্তান পরিষদে মওলানা ভাসানী পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের সুনির্দিষ্ট রূপ তুলে ধরেছিলেন। সেটাই অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল যুক্তফ্রন্টের একুশ দফায় আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে সোহরাওয়ার্দী যখন সংখ্যাসাম্য নীতি মেনে নিয়েছিলেন, পূর্ব বাংলার স্বায়ত্ত্বশাসনকে পায়ে দলেছিলেন, মওলানা পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রকারী শাসকগোষ্ঠীকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন না পেলে ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানাতে দ্বিধা করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। ‘এজন্য তাকে দল ছাড়তে হয়েছিল, তার সর্বাপেক্ষা প্রিয় সেক্রেটারি মুজিবের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছিল’ উল্লেখ করে মেনন বলেন, আবার সেই মুজিব যখন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের ৬ দফা রূপরেখা তুলে ধরায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বন্দী তখন তিনিই আটষট্টির ডিসেম্বরে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অর্গল খুলে দিয়েছিলেন। মেনন বলেন, সত্তরের জলোচ্ছ্বাসে দক্ষিণবঙ্গ যখন ধ্বংসপ্রাপ্ত তখন সেখান থেকে ফিরে মওলানা ভাসানী পাকিস্তানী শাসকদের উল্লেখ করে আঙুল তুলে বলেছিলেন ‘ওরা কেউ আসে নাই’। ‘বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার মুক্তিযুদ্ধে অপর কোনও দলের অংশগ্রহণ অস্বীকার করে চললেও তাদের শেষ পর্যন্ত যেতে হয়েছে মওলানা ভাসানীর কাছেই’ উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে তাকে চেয়ারম্যান করতে হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী সরকারের ভূমিকায় বিশেষ করে অন্য কোনও দলকে স্বীকার না করা, নিজেদের অন্তর্কলহে লিপ্ত থাকার ঘটনাবলীতে মওলানা ভাসানী বিরক্ত হলেও, তার মতদ্বৈততা থাকলেও তিনি মুক্তিযুদ্ধের ঐক্য রক্ষায় নিরলস ছিলেন।’ মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে ভারতে মওলানা ভাসানীর অবস্থান সম্পর্কে মেনন বলেন, ‘ভারত সরকার তাকে সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে মেহমানদারি করলেও তার চলাফেরা ছিল নিয়ন্ত্রিত। তার সঙ্গী একান্ত সচিব সাইফুল ইসলামে বইয়ের লেখা অনুসারে তিনি উত্তর ভারতে ছিলেন মুক্ত, পূর্ব ভারতে নিয়ন্ত্রিত। মওলানা ভাসানী দেশে ফিরেও তার মৃত্যু পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে ভারতে তার অবস্থান সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেননি।’

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: