মুন্সিগঞ্জ পৌর শহর নাইটভিশনের সিসি ক্যামেরার আওতায় আসছে।


অথর
মুন্সিগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা   ডোনেট বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২২ অক্টোবর ২০২০, ১১:১৯ অপরাহ্ণ | পঠিত : 165 বার
মুন্সিগঞ্জ পৌর শহর নাইটভিশনের সিসি ক্যামেরার আওতায় আসছে।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনের আগেই মুন্সিগঞ্জ পৌর শহরকে আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে নাইটভিশন সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। নির্বাচনী চমক হিসেবে মুন্সীগঞ্জ পৌর মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ পৌরবাসীকে এই বিশেষ উপহার দিতে যাচ্ছেন বলে খবর চাউর হচ্ছে। করোনার বিষয়ে প্রাধান্যের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে তিনি মুন্সিগঞ্জ পৌরসভায় বসবাসকারীদের মধ্যে এক শ্রেণির পৌরবাসীর হোলডিং ট্রেক্স মওকুফের ঘোষণা দিয়েছেন। এই দুটি ধাপের অংশে তিনি বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে চলে এসেছেন। অনেকেই এ বিষয়ে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।খুব শীঘ্রই মুন্সিগঞ্জ পৌর শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। এ ক্যামেরায় উন্নতমানের নাইটভিশন এর ব্যবস্থা থাকছে। রাত্রিকালিন কোন সংঘঠিত অপরাধ খুব সহজেই এ ক্যামেরায় ধারণ করা সম্ভব হবে বলে শোনা যাচ্ছে। তাতে কেউ এ শহরে অপরাধ করে আর পাড় পাবে না।এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই প্রাথমিকভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই মোতাবেক এর প্রাথমিক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মুন্সিগঞ্জ শহরের এই সিসি ক্যামেরার সকল কার্যক্রম মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপার অফিস থেকে মনিটর করা হবে বলে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব এ বিষয়ে জানিয়েছে।মুন্সিগঞ্জ শহরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ করতে এ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানান মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব।মুন্সিগঞ্জ শহরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এমন কার্যক্রমে ও মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব এমন উদ্যোগে খুশি মুন্সীগঞ্জ পৌর শহরবাসী। কয়েক লাখ মানুষের বসবাস হচ্ছে এ মুন্সিগঞ্জ পৌর শহরে। তার মধ্যে রয়েছে লক্ষাধিক লোক ভোটার। এ শহরে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা ধরণের অপরাধ।কোনটির অপরাধীরা সাজা পান আবার কোনটির অপরাধীরা প্রমাণের অভাবে চিহ্নিতই হয় না। এসব সমস্যা দূর করতে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব এর নিজস্ব অর্থায়ানে মুন্সীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও স্থাপনায় সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি ফয়সাল বিপ্লব জানান, প্রাথমিকভাবে মুন্সিগঞ্জ শহরের গুরুত্ব পূর্ণ স্থানে ৪০টি সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। তিনি জানান, সাইক্লিং বৃত্ত আকারে প্রাথমিকভাবে এর আওয়াতায় আসছে মানিকপুরের দশ তলা ভবন থেকে সুপার মার্কেট পর্যন্ত। সেখান থেকে পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার আল্লাহু চত্বর পর্যন্ত এর প্রাথমিক সিসি ক্যামেরার কাজ শেষ হবে।এসব এলাকায় পর্যবেক্ষণের জন্য একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে রাস্তার লাইট পোস্টে। রাস্তার এসব লাইট পোস্টেও ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে সিসি ক্যামেরার কাজের জন্য। সিসি ক্যামেরার কাজের জন্য রাত্রিকালিন রাস্তার লাইট পোস্টেও বাতির আলো বাড়ানো হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে মুন্সিগঞ্জ পৌর শহর আলো জ্বলমলে শহরে পরিণত হবে বলে অনেকেই মনে করছেন।এরপরে সুপার মার্কেট থেকে মেথরপট্টি এলাকা হয়ে খালইস্ট এলাকা থেকে হরগঙ্গ কলেজের শেষ প্রান্ত হয়ে আসমা টাওয়ার পর্যন্ত একাধিক পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। এদিকে সুপার মার্কেট থেকে শহরের নতুন রাস্তার প্রধান বাজার হয়ে আসমা টাওয়ার ও পুরাতন সড়ক মুন্সিগঞ্জ সদর থানা হয়ে পুরাতন কাচারী হয়ে আসমা টাওয়ার পর্যন্ত একাধিক পয়েন্টে পর্যন্ত সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। আসমা টাওয়ার থেকে পুরাতন কাচারী হয়ে ডিসি পার্কের পতাকা একাত্তর পর্যন্ত ও আসমা টাওয়ার থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা হয়ে নতুন ডায়াবেটিক হাসপাতাল পর্যন্ত প্রাথমিক ভাবে এসব এলাকাগুলো সিসি ক্যামেরার পরিধির আওয়াতায় আসছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তিনি আরো জানান, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার সমগ্র এলাকাকে পর্যায় ক্রমে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।সেক্ষেত্রে এখানে প্রায় ২০০টি সিসি ক্যামেরার প্রয়োজন পড়বে। সিসি ক্যামেরার এ কার্যক্রম উন্নত মোবাইলের মাধ্যমে সহজেই মনিটর করা যাবে। এসব সিসি ক্যামেরায় নাইটভিশনের ব্যবস্থাও থাকবে। প্রথম পর্যায়ে মুন্সিগঞ্জ শহরকে সিসি ক্যামেরায় আনা হলেও পরে মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার শহরতলীকে দ্বিতীয় পর্যায়ে শহরতলীকে আনা হবে বলে সূত্র মতে জানা গেছে।

No Comments

আরও পড়ুন