যেখানে গোসল করতে ভিড় করে অসংখ্য বানর - ডোনেট বাংলাদেশ

যেখানে গোসল করতে ভিড় করে অসংখ্য বানর
এটিই বিশ্বের একমাত্র স্থান, যেখানে বানররা হট স্প্রিংসে গোসল করতে ভিড় জমায়। তারা হট শাওয়ার উপভোগ করে, এ কারণেই শত শত বানর একসঙ্গে জলকেলি করে সময় কাটায়। জ্বি, এমনই বিস্ময়কর দৃশ্যের দেখা পাবেন জাপানে।

জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে জিগোকুদানি ইয়ানকোয়েনে অবস্থিত ‘স্নো মাংকি পার্ক’। যেটি ৮৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। বছরের প্রায় এক-তৃতীংশ সময় স্থানটি বরফে ঢেকে থাকে। তবুও কঠোর এই পরিবেশ বানরদের জন্য স্বর্গ!

এই পার্কটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি জিগোকুদানি ইয়োকোয়ু নদীর উপত্যকায় অবস্থিত। প্রাচীন লোকেরা উপত্যকাটিকে ‘জিগোকুদানি’ অর্থাৎ ‘নরক উপত্যকা’ বলে ডাকতো। কারণ এটি এটি খাড়া ও অনেক গভীর উষ্ণ প্রস্রবণ।
জিগোকুদানির বানরগুলো মূলত তুষার বানর হিসেবেই পরিচিত। চরম ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় তাদের বাস। তারা লাল মুখের জন্য পরিচিত। এই বানরদের লেজ ছোট থাকে। উত্তর জাপানের বনাঞ্চলেই বাস করে এই তারা।

জাপানি ভাষায় বানরকে সারু বলা হয়। জানলে অবাক হবে, এই প্রজাতির বানরদের মধ্যে আবার দলনেতা থাকে। সবাই দলনেতাকে মান্য করে। নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের মধ্যেই দলনেতা থাকে। পার্কের কর্মীরা দিনে তিনবার তাদের খাওয়ায়।

এই অঞ্চলে সাধারণত ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত তুষারপাত হয়। হট স্প্রিংয়ে বানরদের জলকেলি দেখতে চাইলে জানুয়রি ও ফেব্রুয়ারিতে সেখানে যেতে হবে।

যেখানে গোসল করতে ভিড় করে অসংখ্য বানর
এটিই বিশ্বের একমাত্র স্থান, যেখানে বানররা হট স্প্রিংসে গোসল করতে ভিড় জমায়। তারা হট শাওয়ার উপভোগ করে, এ কারণেই শত শত বানর একসঙ্গে জলকেলি করে সময় কাটায়। জ্বি, এমনই বিস্ময়কর দৃশ্যের দেখা পাবেন জাপানে।

জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে জিগোকুদানি ইয়ানকোয়েনে অবস্থিত ‘স্নো মাংকি পার্ক’। যেটি ৮৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। বছরের প্রায় এক-তৃতীংশ সময় স্থানটি বরফে ঢেকে থাকে। তবুও কঠোর এই পরিবেশ বানরদের জন্য স্বর্গ!

এই পার্কটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি জিগোকুদানি ইয়োকোয়ু নদীর উপত্যকায় অবস্থিত। প্রাচীন লোকেরা উপত্যকাটিকে ‘জিগোকুদানি’ অর্থাৎ ‘নরক উপত্যকা’ বলে ডাকতো। কারণ এটি এটি খাড়া ও অনেক গভীর উষ্ণ প্রস্রবণ।
জিগোকুদানির বানরগুলো মূলত তুষার বানর হিসেবেই পরিচিত। চরম ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় তাদের বাস। তারা লাল মুখের জন্য পরিচিত। এই বানরদের লেজ ছোট থাকে। উত্তর জাপানের বনাঞ্চলেই বাস করে এই তারা।

জাপানি ভাষায় বানরকে সারু বলা হয়। জানলে অবাক হবে, এই প্রজাতির বানরদের মধ্যে আবার দলনেতা থাকে। সবাই দলনেতাকে মান্য করে। নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের মধ্যেই দলনেতা থাকে। পার্কের কর্মীরা দিনে তিনবার তাদের খাওয়ায়।

এই অঞ্চলে সাধারণত ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত তুষারপাত হয়। হট স্প্রিংয়ে বানরদের জলকেলি দেখতে চাইলে জানুয়রি ও ফেব্রুয়ারিতে সেখানে যেতে হবে।

যেখানে গোসল করতে ভিড় করে অসংখ্য বানর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:০৩ 69 ভিউ
যেখানে গোসল করতে ভিড় করে অসংখ্য বানর এটিই বিশ্বের একমাত্র স্থান, যেখানে বানররা হট স্প্রিংসে গোসল করতে ভিড় জমায়। তারা হট শাওয়ার উপভোগ করে, এ কারণেই শত শত বানর একসঙ্গে জলকেলি করে সময় কাটায়। জ্বি, এমনই বিস্ময়কর দৃশ্যের দেখা পাবেন জাপানে। জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে জিগোকুদানি ইয়ানকোয়েনে অবস্থিত ‘স্নো মাংকি পার্ক’। যেটি ৮৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। বছরের প্রায় এক-তৃতীংশ সময় স্থানটি বরফে ঢেকে থাকে। তবুও কঠোর এই পরিবেশ বানরদের জন্য স্বর্গ! এই পার্কটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি জিগোকুদানি ইয়োকোয়ু নদীর উপত্যকায় অবস্থিত। প্রাচীন লোকেরা উপত্যকাটিকে ‘জিগোকুদানি’ অর্থাৎ ‘নরক উপত্যকা’ বলে ডাকতো। কারণ এটি এটি খাড়া ও অনেক গভীর উষ্ণ প্রস্রবণ। জিগোকুদানির বানরগুলো মূলত তুষার বানর হিসেবেই পরিচিত। চরম ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় তাদের বাস। তারা লাল মুখের জন্য পরিচিত। এই বানরদের লেজ ছোট থাকে। উত্তর জাপানের বনাঞ্চলেই বাস করে এই তারা। জাপানি ভাষায় বানরকে সারু বলা হয়। জানলে অবাক হবে, এই প্রজাতির বানরদের মধ্যে আবার দলনেতা থাকে। সবাই দলনেতাকে মান্য করে। নারী-পুরুষ উভয় লিঙ্গের মধ্যেই দলনেতা থাকে। পার্কের কর্মীরা দিনে তিনবার তাদের খাওয়ায়। এই অঞ্চলে সাধারণত ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত তুষারপাত হয়। হট স্প্রিংয়ে বানরদের জলকেলি দেখতে চাইলে জানুয়রি ও ফেব্রুয়ারিতে সেখানে যেতে হবে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: