শাসনের অভাবেই নদীর এই হাল – ডোনেট বাংলাদেশ

শাসনের অভাবেই নদীর এই হাল

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী : শিক্ষাবিদ; সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
আপডেটঃ ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ৮:২৪ 22 ভিউ
নদীভাঙন রোধ করার জন্য নদীপৃষ্ঠ থেকে পাড়ের উচ্চতায় বড় বড় পাথর ফেলে বা কংক্রিটের তৈরি বিশাল আকারের নানা রকমের ব্লক দিয়ে পানির স্রোতের গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে ভূমিক্ষয় রোধ ও পাড়ের মাঝে বাঁধ দিয়ে পাড় ভাঙন বন্ধ করার প্রক্রিয়াই হলো নদীশাসন। নদীর নাব্যতা ও গভীরতা বজায় রাখার নিমিত্তে নদীর তলদেশ থেকে বালি উত্তোলন, পানি প্রবাহ ও নদীর পরিবেশ ধরে রাখা নদীশাসনের অন্যতম অনুষঙ্গ। এ ছাড়া নদীশাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে বড় ধরনের জলাধার নির্মাণ, হাওড় অঞ্চলের সংস্কারপূর্বক পানি ধারণ ও পানির গুণগত মান বাড়ানোর মতো নানা উদ্যোগ গ্রহণ করার ফলে দেশে মরুকরণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পানি সংরক্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানির চাপ

প্রতিরোধ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যাও রোধ করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ার সুবাদে এ দেশের মানুষের জীবন-জীবিকাসহ জনজীবনে নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। ইতিহাস পর্যালোচনায় এটি সুস্পষ্ট যে, সুপেয় পানি-চাষাবাদ-যাতায়াতের সুবিধার্থে পৃথিবীর প্রাচীন সব সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল নদীকে কেন্দ্র করেই। এদের মধ্যে ইরাকের ইউফ্রেটিস-তাইগ্রিস নদের সুমেরীয় সভ্যতা, সিন্ধু নদের মহেনজোদারো-হরপ্পা সভ্যতা, চীনের হোয়াংহো-ইয়াংসি নদী সভ্যতা এবং মিসরীয়দের নীল নদের সভ্যতা উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশেরও সভ্যতা-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যসহ মানুষের জীবন-অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নদ-নদীগুলোর নিগূঢ় সম্পর্ক অনস্বীকার্য। দেশের ও জনগণের, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক কল্যাণে নদীশাসনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। গণমাধ্যমে প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুসারে, বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ৫৭টি আন্তর্জাতিক নদীর ৫৪টি এসেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মেঘালয় ও আসাম থেকে এবং তিনটি

এসেছে মিয়ানমার থেকে। সমসূত্র মতে, বহুকালব্যাপী ভারতের একতরফা অভিন্ন নদীশাসনের ফলে ভাটি অঞ্চলে বাংলাদেশের নদ-নদীর পানি প্রবাহ কমে বিস্তীর্ণ এলাকায় চর জেগে উঠেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত। ফলে কালের পরিক্রমায় হ্রাস পাচ্ছে দেশের নদ-নদীর সংখ্যা। সরকারি তথ্যমতে, দেশে নদ-নদীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৮০০। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশের নদ-নদী শীর্ষক গ্রন্থ অনুসারে, দেশে নদ-নদীর সংখ্যা ৩১০। পরে ২০১১ সালে নদ-নদীর সংখ্যা হয় ৪০৫। বেসরকারি হিসাবে বর্তমানে বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা ২৩০। গবেষকদের মতে, প্রতিবছর গড়ে ১০টি নদীর অস্তিত্ব বিপন্ন হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, ইতোমধ্যে দখল ও দূষণের কারণে বিলীন হয়ে গেছে ২৫টি নদী। বর্তমানে বিপন্ন নদীর

সংখ্যা ১৭৪টি। এটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, দেশের অনেক এলাকার নদী-খাল-বিল অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত পানিপ্রবাহের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। নদ-নদীর সংকীর্ণতায় বর্ষাকালে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়ে গ্রামীণ এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে ফসল ও বাড়িঘর তলিয়ে যাচ্ছে। একইভাবে শহরাঞ্চলে ড্রেনেজ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়ে বৃষ্টি-অতিবৃষ্টিতে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। এতে পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে। নদী গবেষকদের মতে, নদী কখনো একা মরে না। নদীর মৃত্যু হলে দু’পাড়ের জনপদও একটু একটু করে মরতে শুরু করে। রাজধানী ঢাকা যদি বুড়িগঙ্গার মৃত্যুর কারণ হয়, তবে নদীর মৃত্যুতে ঢাকার অবস্থাও এখন মুমূর্ষু প্রায়! বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বংশী, বালু এবং শীতলক্ষ্যা নদীর দুধারে গড়ে ওঠা শিল্প

কারখানার অপরিশোধিত বর্জ্যরে বিষক্রিয়ায় এসব নদী ধীরে ধীরে প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে প্রয়োজন দ্রুত নদীশাসনের ব্যবস্থা করা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, ভুল নদীশাসন, দখল ও দূষণের কারণে এখন অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে দেশের সিংহভাগ নদী কিংবা খাল। ঢাকাসহ সারা দেশের নদ-নদীগুলো দখল ও দূষণমুক্ত করতে আদালত থেকেও বারবার নির্দেশনা এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রায়ই নদীর ওপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখলেও পরক্ষণেই নদীগুলো আবার দখল হচ্ছে। নদীর অবৈধ দখল, পানি-পরিবেশ দূষণ, শিল্প কারখানা কর্তৃক নদীদূষণ, অবৈধ কাঠামো নির্মাণসহ নানাবিধ অনিয়ম রোধকল্পে এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধার, নদীর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, নৌ পরিবহণযোগ্য হিসাবে গড়ে তোলা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নদীর বহুমাত্রিক ব্যবহার

নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন আইন করেও এর সুফল পাওয়া যায়নি। ২০২০ সালে এটি সংশোধনের উদ্দেশ্যে খসড়া জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন আইন-২০২০ প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন আইন-২০২০-এর উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে-দেশের সব নদ-নদী-জলাধার-খাল-বিল-সমুদ্র উপকূল-হাওড়-বাঁওড়-জলাভূমি-জলাশয়-ঝরনা-হ্রদসহ পানির উৎস সব কিছুই এর আওতার মধ্যে থাকবে। দেশের সব ধরনের নদ-নদী, জলাধার, পানির উৎস রক্ষা করা-অবৈধ দখল মুক্তকরণ-নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ-বিলুপ্ত বা মৃতপ্রায় নদী খননের বিষয়ে পরিকল্পনা তৈরি করা। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবহমান সব নদী আইনি ব্যক্তি ও জীবন্ত সত্তা হিসাবে বিবেচিত হবে। সব নদী একই মর্যাদাপ্রাপ্ত হবে। সেই সঙ্গে সব নদী পাবলিক ট্রাস্ট ডকট্রিনের আওতায় হওয়ায় সেগুলো জনসম্পত্তি বলে বিবেচিত

হবে। সরকারি কোনো কর্মকর্তাও যদি নদ-নদীর জায়গা, তীরভূমি ইত্যাদি অবৈধভাবে কারও নামে বরাদ্দ করেন-তারাও অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙের দায়ে দোষী হবেন। প্রতিটি বিভাগে ‘নদীরক্ষা কোর্ট’ নামে এক বা একাধিক কোর্ট স্থাপিত থাকবে। নদী ও জলাধার সংক্রান্ত সব বিষয় নিয়ে এ আদালত বিচার করবেন। এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। নদী দখল, দূষণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তি দিতে পারবে মোবাইল কোর্ট। কমিশন ছাড়াও নদী রক্ষার্থে যে কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি না নাগরিক কোর্টে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পুনরুদ্ধার ও দূষণ রোধের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করতে পারবেন। যথাযথ নদীশাসনের অভাবে প্রতিবছরই প্রধান প্রধান নদীর তীর ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, আবাদি জমি, হাট-বাজারসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন

স্থাপনা। নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতিদিনই নিঃস্ব হচ্ছে নদী পাড়ের মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে নদীরক্ষা-নদীশাসন ও স্থায়ীভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ-বাস্তবায়ন শুরু করেছে। গত ২২ মে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শনকালে সম্মানিত পানিসম্পদ উপমন্ত্রী সারা দেশের নদীভাঙন রোধে সরকার দ্রুত কাজ করছে বলে গণমাধ্যমকে জানান। দেশের নদ-নদী নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার বিষয়েও অবহিত করেন। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে নদ-নদীর গুরুত্ব বিবেচনায় ভরাট হওয়া নদ-নদী পুনরুদ্ধার ও নাব্য রক্ষাকল্পে দেশরত্ন শেখ হাসিনা নদীগুলোতে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। অতিসম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএ ১ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে অভ্যন্তরীণ নৌপথ ড্রেজিং উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মৃতপ্রায় নদীগুলোর অভ্যন্তরীণ নৌপথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশের ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের পর নদীর নাব্য ফিরেছে। এ কারণে কৃষি কাজের সেচ সহায়তা পাওয়ায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিসহ মাছ উৎপাদন অনেকাংশে বেড়ছে। নদীগুলোতে বৃদ্ধি পেয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ। গত ১৮ মে ‘নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২২’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নৌ-যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক পরিবহণ নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনার বিষয়টি দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করেছেন। ওই বাণীতে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার নৌ সেক্টরের উন্নয়নের লক্ষ্যে নৌপথের সংরক্ষণ ও নৌপরিবহণ ব্যবস্থা উন্নয়নে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের সব নদী দখলমুক্ত করা এবং নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন নদীবন্দর স্থাপনসহ সব নদীবন্দরের আধুনিকীকরণ-নদীবন্দরের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা-পটুয়াখালী জেলায় তৃতীয় সমুদ্রবন্দর স্থাপন-উপকূলীয় দুর্গম পথে যাত্রী পরিবহণ ব্যবস্থা চালুকরণ-কনটেইনার টার্মিনাল স্থাপন-স্থলবন্দরের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নসহ আধুনিকীকরণ ও সস্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই পঞ্চাশের দশক থেকে নদী ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ভাবতেন। বঙ্গবন্ধু সদ্য স্বাধীন মাতৃভূমির শাসনভার হাতে নিয়েই নদীমাতৃক বাংলাদেশের নৌচলাচল ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নৌপথের পলি অপসারণ ও নদী খননের জন্য স্বাধীন দেশে ৭টি ড্রেজার আমদানির মতো সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নদীর প্রতি তার ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ। জাতির পিতা নৌ সেক্টরের গুরুত্ব অনুধাবন করে যে ধারা শুরু করেছিলেন; তা অনুসরণ করে বর্তমান সরকার নৌপরিবহণের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখেছে।’ দীর্ঘকালব্যাপী বাচনিক প্রতিশ্রুতিতে নদীশাসনের অব্যবস্থাপনায় জনদুর্ভোগ লাঘবে দৃশ্যমান কার্যক্রম তেমন পরিলক্ষিত না হলেও এ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের মনোযোগ অতীব জরুরি। আশু-স্বল্প-দীর্ঘমেয়াদি প্রায়োগিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কার্যকর পন্থা অবলম্বন ব্যাহত হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পুরো দেশকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ওডেসায় সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানল রাশিয়ার ড্রোন হাজারীবাগে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ রাশিয়ার স্কুলে ভয়াবহ হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ বিপিএলে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক কত, জানাল বিসিবি ‘বড় ভাইদের আশ্বাসে’ অনশন বাতিল করে ক্যাম্পাসে ফিরলেন ইডেনের সেই নেত্রীরা উপস্থাপনায় অপু বিশ্বাসের অভিষেক উন্মুক্ত হলো ‘শেখ হাসিনা- অ্যা ট্রু লিজেন্ড’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র খালেদা জিয়াকে নিয়ে এবার স্প্যানিশ শিল্পীর গান সাংবাদিক রণেশ মৈত্র না ফেরার দেশে সাগর-রুনি হত্যা: ৯২ বারের মতো পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন গুণগতমান সম্পন্ন বীজআখ উৎপাদন ও বিস্তারের কৌশল শীর্ষক ফরিদপুর চিনিকলে দিন ব্যাপি কর্মশালা কেন্দুয়ায় কৃষকলীগের ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত করোনায় একদিনে ছয়জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৭১৮ করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃ‌ত বেড়ে ৩৯ জাইকার ৬০ কোটি ডলার বাজেট সাপোর্টের আশা রাশিয়ায় স্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ৬, আহত ২০ হারুন পেলেন মোটরসাইকেল, বাহার আনারস, দারা চশমা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন শীর্ষে জনপ্রশাসন, তলানিতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ব্লক মার্কেটে ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন আমরণ অনশনের হুমকি ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের