সবকিছুর দাম কমিয়েছি, আর কত: প্রধানমন্ত্রী - ডোনেট বাংলাদেশ

সার থেকে শুরু করে সবকিছুর দাম কমানো হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যে সার ৯০ টাকা ছিল, সেই সার ১৫-১৬ টাকায় আমরা পৌঁছে দিচ্ছি। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা তাদেরকে (কৃষক) সব রকম সহায়তা দিচ্ছি।’

গ্লাসগোতে কপ-২৬ সম্মেলন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে সদ্যসমাপ্ত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বুধবার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজেলের দাম যখন বেড়ে গেছে, সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রতিবেশী দেশেও বেড়ে গেছে। আমাদেরকে তো তেল কিনে আনতে হয়। আপনারা কি বলতে পারেন, কত টাকা ভর্তুকি দেই বছরে? বিদ্যুৎ এবং আনুষঙ্গিক মিলিয়ে ৫৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে থাকি। ইতোমধ্যে আমরা এত টাকা ভর্তুকি দেই, আর কত টাকা আমরা ভর্তুকি দেব। আমাদের উপার্জনটা কী? আমাদের নিজস্ব কী সম্পদ আছে? কাজেই আপনাদের এটাও বিবেচনা করতে হবে।

সরকার আর কত টাকা ভর্তুকি দেবে- এ প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, বাজেটের সব টাকা যদি ভর্তুকিতে দিয়ে দেই তাহলে সব উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা করোনাকালে সবাইকে বারবার সহায়তা দিয়েছি। কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে সচল থাকে তার ব্যবস্থা নিয়েছি। বিভিন্ন সেক্টরে প্রণোদনা দিয়েছি। মূল্যস্ফীতি কমাতে ব্যবস্থা নিয়েছি। সবই তো করছি। কিন্তু তেল তো আমাদের কিনে আনতে হয়। সেই কেনা তেলে আবার ভর্তুকি দিয়ে জনগণকে দিতে হয়।

বাস ও অন্যান্য পরিবহণের ভাড়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশে ছিলাম না ঠিক, তবে দেশের সঙ্গে ছিলাম না তা তো নয়। ডিজিটাল যুগ। বিভিন্ন মাধ্যমে বারবার যোগাযোগ হয়েছে। যারা ভাড়া বাড়াচ্ছিল তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এরপর একটি যৌক্তিক পর্যায়ে ভাড়া রাখা হয়েছে।

সার থেকে শুরু করে সবকিছুর দাম কমানো হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যে সার ৯০ টাকা ছিল, সেই সার ১৫-১৬ টাকায় আমরা পৌঁছে দিচ্ছি। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা তাদেরকে (কৃষক) সব রকম সহায়তা দিচ্ছি।’

গ্লাসগোতে কপ-২৬ সম্মেলন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে সদ্যসমাপ্ত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বুধবার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজেলের দাম যখন বেড়ে গেছে, সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রতিবেশী দেশেও বেড়ে গেছে। আমাদেরকে তো তেল কিনে আনতে হয়। আপনারা কি বলতে পারেন, কত টাকা ভর্তুকি দেই বছরে? বিদ্যুৎ এবং আনুষঙ্গিক মিলিয়ে ৫৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে থাকি। ইতোমধ্যে আমরা এত টাকা ভর্তুকি দেই, আর কত টাকা আমরা ভর্তুকি দেব। আমাদের উপার্জনটা কী? আমাদের নিজস্ব কী সম্পদ আছে? কাজেই আপনাদের এটাও বিবেচনা করতে হবে।

সরকার আর কত টাকা ভর্তুকি দেবে- এ প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, বাজেটের সব টাকা যদি ভর্তুকিতে দিয়ে দেই তাহলে সব উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা করোনাকালে সবাইকে বারবার সহায়তা দিয়েছি। কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে সচল থাকে তার ব্যবস্থা নিয়েছি। বিভিন্ন সেক্টরে প্রণোদনা দিয়েছি। মূল্যস্ফীতি কমাতে ব্যবস্থা নিয়েছি। সবই তো করছি। কিন্তু তেল তো আমাদের কিনে আনতে হয়। সেই কেনা তেলে আবার ভর্তুকি দিয়ে জনগণকে দিতে হয়।

বাস ও অন্যান্য পরিবহণের ভাড়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশে ছিলাম না ঠিক, তবে দেশের সঙ্গে ছিলাম না তা তো নয়। ডিজিটাল যুগ। বিভিন্ন মাধ্যমে বারবার যোগাযোগ হয়েছে। যারা ভাড়া বাড়াচ্ছিল তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এরপর একটি যৌক্তিক পর্যায়ে ভাড়া রাখা হয়েছে।

সবকিছুর দাম কমিয়েছি, আর কত: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ নভেম্বর, ২০২১ | ১২:৪৪ 55 ভিউ
সার থেকে শুরু করে সবকিছুর দাম কমানো হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যে সার ৯০ টাকা ছিল, সেই সার ১৫-১৬ টাকায় আমরা পৌঁছে দিচ্ছি। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা তাদেরকে (কৃষক) সব রকম সহায়তা দিচ্ছি।’ গ্লাসগোতে কপ-২৬ সম্মেলন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে সদ্যসমাপ্ত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বুধবার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজেলের দাম যখন বেড়ে গেছে, সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রতিবেশী দেশেও বেড়ে গেছে। আমাদেরকে তো তেল কিনে আনতে হয়। আপনারা কি বলতে পারেন, কত টাকা ভর্তুকি দেই বছরে? বিদ্যুৎ এবং আনুষঙ্গিক মিলিয়ে ৫৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে থাকি। ইতোমধ্যে আমরা এত টাকা ভর্তুকি দেই, আর কত টাকা আমরা ভর্তুকি দেব। আমাদের উপার্জনটা কী? আমাদের নিজস্ব কী সম্পদ আছে? কাজেই আপনাদের এটাও বিবেচনা করতে হবে। সরকার আর কত টাকা ভর্তুকি দেবে- এ প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, বাজেটের সব টাকা যদি ভর্তুকিতে দিয়ে দেই তাহলে সব উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা করোনাকালে সবাইকে বারবার সহায়তা দিয়েছি। কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য যাতে সচল থাকে তার ব্যবস্থা নিয়েছি। বিভিন্ন সেক্টরে প্রণোদনা দিয়েছি। মূল্যস্ফীতি কমাতে ব্যবস্থা নিয়েছি। সবই তো করছি। কিন্তু তেল তো আমাদের কিনে আনতে হয়। সেই কেনা তেলে আবার ভর্তুকি দিয়ে জনগণকে দিতে হয়। বাস ও অন্যান্য পরিবহণের ভাড়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশে ছিলাম না ঠিক, তবে দেশের সঙ্গে ছিলাম না তা তো নয়। ডিজিটাল যুগ। বিভিন্ন মাধ্যমে বারবার যোগাযোগ হয়েছে। যারা ভাড়া বাড়াচ্ছিল তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এরপর একটি যৌক্তিক পর্যায়ে ভাড়া রাখা হয়েছে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: