‘স্ত্রী’র স্বীকৃতি না পেলে মরে যাব’ - ডোনেট বাংলাদেশ

সিলেটে স্ত্রী’র স্বীকৃতি চেয়ে যুবকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী।

অবস্থানরত নারীর নাম রেহেনা আক্তার। তিনি নারায়ণগঞ্জের নতুনকোর্ট এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে।

এই নারী শনিবার সকাল থেকে সিলেট নগরীর ৮নং ওয়ার্ডের কালিবাড়ি এলাকার মোল্লাবাড়ির বন্ধন ১৪-ডি এর বাসিন্দা মো. আবু হানিফের ছেলে মিছবাহুজ্জামান রুহিনকে স্বামী দাবি করে তার বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন। মিছবাহুজ্জামান রুহিন পেশায় একজন থাই মিস্ত্রি।

রেহেনা জানান, দীর্ঘ দিন রুহিনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ফেসবুকে সম্পর্ক তৈরি হয়। গত ৮ মাস আগে কোর্টের মাধ্যমে তারা দু’জন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর রুহিন ও তিনি নারায়ণগঞ্জের নতুন কোর্ট এলাকার আমিরের ভাড়া বাসায় থেকে সংসার শুরু করেন। রুহিন সিলেট থেকে কিছুদিন পর পর গিয়ে সেখানে থাকতেন। এভাবে ৫ মাস একসঙ্গে সংসার করার পর তাকে স্ত্রী হিসেবে মেনে নিচ্ছেন না।

তিনি জানান, আড়াইমাস ঘোরাঘুরি করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কোনো ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে স্ত্রী’র স্বীকৃতি ও ‘স্বামী’র বাড়িতে অবস্থান পেতে শনিবার থেকে তিনি অবস্থান নিয়েছেন। রুহিন যদি তাকে মেনে নিয়ে বাড়িতে না তোলেন তাহলে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

রেহেনা আরও জানান, কোনো কাবিনামা তার কাছে নেই। কিন্তু রুহিনের সঙ্গে প্রেম চলাচালীন সময় থেকে তার পরিবারের সবার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতেন। বিয়ের পরও তিনি নিয়মিত শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতেন।

এই নারী জানান, তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালাবাদ থানার সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, পিবিআই থেকে রুহিনের বাড়ি-ঘরের ঠিকানা ও তার স্বভাব-চরিত্রের বিষয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে আমি তদন্ত করে এ বিষয়ে পিবিআই’র কাছে রিপোর্ট প্রদান করেছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুহিনের বক্তব্য জানতে তার দু’টি মোবাইল নম্বরে কল দেওয়া হয়। কিন্তু দুটি নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে রুহিনের বন্ধু আরিফ খান জয় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুরো বিষয়টি তিনি জানেন। রুহিন তাকে বিয়ের সাক্ষী হওয়ার জন্য বলেছিল। তার বিরুদ্ধে এরকম একাধিক অভিযোগ থাকায় তিনি রাজি হননি।

সিলেট সিটি করপোরেশনের ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইলিয়াছুর রহমান বলেন, ওই নারী আমাদের কাছে এসেছিলেন বিচার চাইতে। আমরা বলেছি, কাবিননামা বা উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে আসতে। এরপর তিনি চলে যান।

সিলেটে স্ত্রী’র স্বীকৃতি চেয়ে যুবকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী।

অবস্থানরত নারীর নাম রেহেনা আক্তার। তিনি নারায়ণগঞ্জের নতুনকোর্ট এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে।

এই নারী শনিবার সকাল থেকে সিলেট নগরীর ৮নং ওয়ার্ডের কালিবাড়ি এলাকার মোল্লাবাড়ির বন্ধন ১৪-ডি এর বাসিন্দা মো. আবু হানিফের ছেলে মিছবাহুজ্জামান রুহিনকে স্বামী দাবি করে তার বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন। মিছবাহুজ্জামান রুহিন পেশায় একজন থাই মিস্ত্রি।

রেহেনা জানান, দীর্ঘ দিন রুহিনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ফেসবুকে সম্পর্ক তৈরি হয়। গত ৮ মাস আগে কোর্টের মাধ্যমে তারা দু’জন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর রুহিন ও তিনি নারায়ণগঞ্জের নতুন কোর্ট এলাকার আমিরের ভাড়া বাসায় থেকে সংসার শুরু করেন। রুহিন সিলেট থেকে কিছুদিন পর পর গিয়ে সেখানে থাকতেন। এভাবে ৫ মাস একসঙ্গে সংসার করার পর তাকে স্ত্রী হিসেবে মেনে নিচ্ছেন না।

তিনি জানান, আড়াইমাস ঘোরাঘুরি করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কোনো ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে স্ত্রী’র স্বীকৃতি ও ‘স্বামী’র বাড়িতে অবস্থান পেতে শনিবার থেকে তিনি অবস্থান নিয়েছেন। রুহিন যদি তাকে মেনে নিয়ে বাড়িতে না তোলেন তাহলে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

রেহেনা আরও জানান, কোনো কাবিনামা তার কাছে নেই। কিন্তু রুহিনের সঙ্গে প্রেম চলাচালীন সময় থেকে তার পরিবারের সবার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতেন। বিয়ের পরও তিনি নিয়মিত শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতেন।

এই নারী জানান, তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালাবাদ থানার সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, পিবিআই থেকে রুহিনের বাড়ি-ঘরের ঠিকানা ও তার স্বভাব-চরিত্রের বিষয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে আমি তদন্ত করে এ বিষয়ে পিবিআই’র কাছে রিপোর্ট প্রদান করেছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুহিনের বক্তব্য জানতে তার দু’টি মোবাইল নম্বরে কল দেওয়া হয়। কিন্তু দুটি নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে রুহিনের বন্ধু আরিফ খান জয় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুরো বিষয়টি তিনি জানেন। রুহিন তাকে বিয়ের সাক্ষী হওয়ার জন্য বলেছিল। তার বিরুদ্ধে এরকম একাধিক অভিযোগ থাকায় তিনি রাজি হননি।

সিলেট সিটি করপোরেশনের ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইলিয়াছুর রহমান বলেন, ওই নারী আমাদের কাছে এসেছিলেন বিচার চাইতে। আমরা বলেছি, কাবিননামা বা উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে আসতে। এরপর তিনি চলে যান।

‘স্ত্রী’র স্বীকৃতি না পেলে মরে যাব’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ নভেম্বর, ২০২১ | ১০:৪৭ 70 ভিউ
সিলেটে স্ত্রী’র স্বীকৃতি চেয়ে যুবকের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন এক নারী। অবস্থানরত নারীর নাম রেহেনা আক্তার। তিনি নারায়ণগঞ্জের নতুনকোর্ট এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে। এই নারী শনিবার সকাল থেকে সিলেট নগরীর ৮নং ওয়ার্ডের কালিবাড়ি এলাকার মোল্লাবাড়ির বন্ধন ১৪-ডি এর বাসিন্দা মো. আবু হানিফের ছেলে মিছবাহুজ্জামান রুহিনকে স্বামী দাবি করে তার বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন। মিছবাহুজ্জামান রুহিন পেশায় একজন থাই মিস্ত্রি। রেহেনা জানান, দীর্ঘ দিন রুহিনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ফেসবুকে সম্পর্ক তৈরি হয়। গত ৮ মাস আগে কোর্টের মাধ্যমে তারা দু’জন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর রুহিন ও তিনি নারায়ণগঞ্জের নতুন কোর্ট এলাকার আমিরের ভাড়া বাসায় থেকে সংসার শুরু করেন। রুহিন সিলেট থেকে কিছুদিন পর পর গিয়ে সেখানে থাকতেন। এভাবে ৫ মাস একসঙ্গে সংসার করার পর তাকে স্ত্রী হিসেবে মেনে নিচ্ছেন না। তিনি জানান, আড়াইমাস ঘোরাঘুরি করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কোনো ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে স্ত্রী’র স্বীকৃতি ও ‘স্বামী’র বাড়িতে অবস্থান পেতে শনিবার থেকে তিনি অবস্থান নিয়েছেন। রুহিন যদি তাকে মেনে নিয়ে বাড়িতে না তোলেন তাহলে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন। রেহেনা আরও জানান, কোনো কাবিনামা তার কাছে নেই। কিন্তু রুহিনের সঙ্গে প্রেম চলাচালীন সময় থেকে তার পরিবারের সবার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতেন। বিয়ের পরও তিনি নিয়মিত শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতেন। এই নারী জানান, তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালাবাদ থানার সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, পিবিআই থেকে রুহিনের বাড়ি-ঘরের ঠিকানা ও তার স্বভাব-চরিত্রের বিষয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে আমি তদন্ত করে এ বিষয়ে পিবিআই’র কাছে রিপোর্ট প্রদান করেছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুহিনের বক্তব্য জানতে তার দু’টি মোবাইল নম্বরে কল দেওয়া হয়। কিন্তু দুটি নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়। তবে রুহিনের বন্ধু আরিফ খান জয় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুরো বিষয়টি তিনি জানেন। রুহিন তাকে বিয়ের সাক্ষী হওয়ার জন্য বলেছিল। তার বিরুদ্ধে এরকম একাধিক অভিযোগ থাকায় তিনি রাজি হননি। সিলেট সিটি করপোরেশনের ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইলিয়াছুর রহমান বলেন, ওই নারী আমাদের কাছে এসেছিলেন বিচার চাইতে। আমরা বলেছি, কাবিননামা বা উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে আসতে। এরপর তিনি চলে যান।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: