১৯ মাস পর মাঠে দর্শক - ডোনেট বাংলাদেশ

দীর্ঘ ১৯ মাস পর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

আজ শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি ২০ সিরিজ দিয়ে ‘হোম অব ক্রিকেট’ মিরপুরের গ্যালারিতে দর্শক ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বৃহস্পতিবার মিরপুর শহিদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। দীর্ঘ বিরতির পর গ্যালারিতে বসে প্রিয় দলকে সমর্থন করতে টিকিট প্রত্যাশীদের ছিল উপচেপড়া ভিড়।

এদিকে সদ্যসমাপ্ত টি-২০ বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিমদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা ঝরেছে টিকিটপ্রত্যাশীদের কারও কারও কণ্ঠে।

নটরডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের চার সহপাঠী দীর্ঘ চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে হাতে পান টিকিট। টিকিট পেয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা।

তাদের একজন মো. ফাহিম বলেন, ‘এই প্রথম গ্যালারিতে বসে খেলা দেখব। দীর্ঘদিন ধরে আমরা গৃহবন্দি ছিলাম। সব খেলা টিভিতেই দেখতে হয়েছে। করোনার মধ্যে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার সুযোগ তাই হাতছাড়া করতে চাইনি। বাংলাদেশ দলের জন্য শুভ কামনা।’

টি ২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে আর সবার মতো হতাশ মিরপুরের ব্যবসায়ী মো. এনাম। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে বাংলাদেশ এত খারাপ করবে ভাবিনি। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালোমানের উইকেটে খেলা হলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ এতো খারাপ করত না।’
পাকিস্তান সিরিজে বাংলাদেশ দল নিয়ে বিস্মিত এনাম বলেন, ‘পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বিসিবি যে দল ঘোষণা করেছে, তা আমাকে হতাশ করেছে। আমরাও চাই দলে নতুন মুখ আসুন। কিন্তু কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় থাকলে দলটা পরিপূর্ণ হতো।’

গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার জন্য সুদূর রাজবাড়ী থেকে দশজন দলবেঁধে ঢাকায় এসেছেন পরশু রাতে। তাদের একজন ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান খোকন বলেন, ‘আমরা অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। মাঝে কয়েকজনকে দেখলাম টিকিট নিয়ে চলে গেলেন, কিছুই বুঝলাম না।’

পাশ থেকে আরেকজন বলেন, ‘হারুক-জিতুক সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছি। টিকিট না পেলে হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরা ছাড়া কিছুই করার থাকবে না।’

টিকিট প্রত্যাশীদের অভিযোগ নিয়ে মিরপুর ও পল্লবী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক। টিকিট বিক্রি নিয়ে অনিয়মের কোনো অভিযোগ কেউ আমার কাছে করেনি। করোনা প্ররিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, এজন্য সামাজিক দূরত্ব মানার বিষয়টি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।’

এই সিরিজে পাঁচ ক্যাটাগরিতে টিকিট ছেড়েছে বিসিবি। টিকিটের সর্বোচ্চ দাম এক হাজার টাকা (গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড)। সর্বনিম্ন ১০০ (পূর্ব গ্যালারি)।

এছাড়া ভিআইপি স্ট্যান্ড পাঁচশ, ক্লাব হাউস তিনশ, দক্ষিণ-উত্তর গ্যালারির টিকিট পাওয়া যাবে ১৫০ টাকায়। পর্যাপ্ত টিকিট থাকলে ম্যাচের দিন স্টেডিয়াম সংলগ্ন বুথে পাওয়া যাবে।

মিরপুর স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ টিকিট ছাড়া হবে। টিকিট কেনা ও মাঠে প্রবেশের সময় দর্শকদের কোভিড টিকা নেওয়ার সনদপত্র দেখাতে হবে। তবে ১৮ বছরের কম বয়সিদের তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র দেখালেই চলবে।

দীর্ঘ ১৯ মাস পর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

আজ শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি ২০ সিরিজ দিয়ে ‘হোম অব ক্রিকেট’ মিরপুরের গ্যালারিতে দর্শক ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বৃহস্পতিবার মিরপুর শহিদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। দীর্ঘ বিরতির পর গ্যালারিতে বসে প্রিয় দলকে সমর্থন করতে টিকিট প্রত্যাশীদের ছিল উপচেপড়া ভিড়।

এদিকে সদ্যসমাপ্ত টি-২০ বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিমদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা ঝরেছে টিকিটপ্রত্যাশীদের কারও কারও কণ্ঠে।

নটরডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের চার সহপাঠী দীর্ঘ চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে হাতে পান টিকিট। টিকিট পেয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা।

তাদের একজন মো. ফাহিম বলেন, ‘এই প্রথম গ্যালারিতে বসে খেলা দেখব। দীর্ঘদিন ধরে আমরা গৃহবন্দি ছিলাম। সব খেলা টিভিতেই দেখতে হয়েছে। করোনার মধ্যে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার সুযোগ তাই হাতছাড়া করতে চাইনি। বাংলাদেশ দলের জন্য শুভ কামনা।’

টি ২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে আর সবার মতো হতাশ মিরপুরের ব্যবসায়ী মো. এনাম। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে বাংলাদেশ এত খারাপ করবে ভাবিনি। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালোমানের উইকেটে খেলা হলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ এতো খারাপ করত না।’
পাকিস্তান সিরিজে বাংলাদেশ দল নিয়ে বিস্মিত এনাম বলেন, ‘পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বিসিবি যে দল ঘোষণা করেছে, তা আমাকে হতাশ করেছে। আমরাও চাই দলে নতুন মুখ আসুন। কিন্তু কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় থাকলে দলটা পরিপূর্ণ হতো।’

গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার জন্য সুদূর রাজবাড়ী থেকে দশজন দলবেঁধে ঢাকায় এসেছেন পরশু রাতে। তাদের একজন ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান খোকন বলেন, ‘আমরা অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। মাঝে কয়েকজনকে দেখলাম টিকিট নিয়ে চলে গেলেন, কিছুই বুঝলাম না।’

পাশ থেকে আরেকজন বলেন, ‘হারুক-জিতুক সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছি। টিকিট না পেলে হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরা ছাড়া কিছুই করার থাকবে না।’

টিকিট প্রত্যাশীদের অভিযোগ নিয়ে মিরপুর ও পল্লবী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক। টিকিট বিক্রি নিয়ে অনিয়মের কোনো অভিযোগ কেউ আমার কাছে করেনি। করোনা প্ররিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, এজন্য সামাজিক দূরত্ব মানার বিষয়টি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।’

এই সিরিজে পাঁচ ক্যাটাগরিতে টিকিট ছেড়েছে বিসিবি। টিকিটের সর্বোচ্চ দাম এক হাজার টাকা (গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড)। সর্বনিম্ন ১০০ (পূর্ব গ্যালারি)।

এছাড়া ভিআইপি স্ট্যান্ড পাঁচশ, ক্লাব হাউস তিনশ, দক্ষিণ-উত্তর গ্যালারির টিকিট পাওয়া যাবে ১৫০ টাকায়। পর্যাপ্ত টিকিট থাকলে ম্যাচের দিন স্টেডিয়াম সংলগ্ন বুথে পাওয়া যাবে।

মিরপুর স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ টিকিট ছাড়া হবে। টিকিট কেনা ও মাঠে প্রবেশের সময় দর্শকদের কোভিড টিকা নেওয়ার সনদপত্র দেখাতে হবে। তবে ১৮ বছরের কম বয়সিদের তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র দেখালেই চলবে।

১৯ মাস পর মাঠে দর্শক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ নভেম্বর, ২০২১ | ৭:৪১ 87 ভিউ
দীর্ঘ ১৯ মাস পর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা। আজ শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি ২০ সিরিজ দিয়ে ‘হোম অব ক্রিকেট’ মিরপুরের গ্যালারিতে দর্শক ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৃহস্পতিবার মিরপুর শহিদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। দীর্ঘ বিরতির পর গ্যালারিতে বসে প্রিয় দলকে সমর্থন করতে টিকিট প্রত্যাশীদের ছিল উপচেপড়া ভিড়। এদিকে সদ্যসমাপ্ত টি-২০ বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিমদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা ঝরেছে টিকিটপ্রত্যাশীদের কারও কারও কণ্ঠে। নটরডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের চার সহপাঠী দীর্ঘ চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে হাতে পান টিকিট। টিকিট পেয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন তারা। তাদের একজন মো. ফাহিম বলেন, ‘এই প্রথম গ্যালারিতে বসে খেলা দেখব। দীর্ঘদিন ধরে আমরা গৃহবন্দি ছিলাম। সব খেলা টিভিতেই দেখতে হয়েছে। করোনার মধ্যে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার সুযোগ তাই হাতছাড়া করতে চাইনি। বাংলাদেশ দলের জন্য শুভ কামনা।’ টি ২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে আর সবার মতো হতাশ মিরপুরের ব্যবসায়ী মো. এনাম। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপে বাংলাদেশ এত খারাপ করবে ভাবিনি। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালোমানের উইকেটে খেলা হলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ এতো খারাপ করত না।’ পাকিস্তান সিরিজে বাংলাদেশ দল নিয়ে বিস্মিত এনাম বলেন, ‘পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বিসিবি যে দল ঘোষণা করেছে, তা আমাকে হতাশ করেছে। আমরাও চাই দলে নতুন মুখ আসুন। কিন্তু কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় থাকলে দলটা পরিপূর্ণ হতো।’ গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার জন্য সুদূর রাজবাড়ী থেকে দশজন দলবেঁধে ঢাকায় এসেছেন পরশু রাতে। তাদের একজন ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান খোকন বলেন, ‘আমরা অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। মাঝে কয়েকজনকে দেখলাম টিকিট নিয়ে চলে গেলেন, কিছুই বুঝলাম না।’ পাশ থেকে আরেকজন বলেন, ‘হারুক-জিতুক সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছি। টিকিট না পেলে হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরা ছাড়া কিছুই করার থাকবে না।’ টিকিট প্রত্যাশীদের অভিযোগ নিয়ে মিরপুর ও পল্লবী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক। টিকিট বিক্রি নিয়ে অনিয়মের কোনো অভিযোগ কেউ আমার কাছে করেনি। করোনা প্ররিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, এজন্য সামাজিক দূরত্ব মানার বিষয়টি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।’ এই সিরিজে পাঁচ ক্যাটাগরিতে টিকিট ছেড়েছে বিসিবি। টিকিটের সর্বোচ্চ দাম এক হাজার টাকা (গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড)। সর্বনিম্ন ১০০ (পূর্ব গ্যালারি)। এছাড়া ভিআইপি স্ট্যান্ড পাঁচশ, ক্লাব হাউস তিনশ, দক্ষিণ-উত্তর গ্যালারির টিকিট পাওয়া যাবে ১৫০ টাকায়। পর্যাপ্ত টিকিট থাকলে ম্যাচের দিন স্টেডিয়াম সংলগ্ন বুথে পাওয়া যাবে। মিরপুর স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতার ৫০ শতাংশ টিকিট ছাড়া হবে। টিকিট কেনা ও মাঠে প্রবেশের সময় দর্শকদের কোভিড টিকা নেওয়ার সনদপত্র দেখাতে হবে। তবে ১৮ বছরের কম বয়সিদের তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র দেখালেই চলবে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: