২৫ শে জুনকে “পদ্মা সেতু দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হোক – ডোনেট বাংলাদেশ

গত ২৫ শে জুন ২০২২ ইং তারিখে উদ্বোধন করা হলো মুক্তিকামী মানুষের দীর্ঘ বছরের লালিত স্বপ্ন ও আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক স্বপ্নের পদ্মা সেতু। নিঃসন্দেহে এই দিনটি বাংলাদেশীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঐতিহাসিক একটি দিন। দেশী-বিদেশী নানান ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সৎ ও সাহসী নেতৃত্বে ও উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হয় পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘতর সেতু; যা শুধু বাংলাদেশীদের জন্য গর্ব নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের মানুষের জন্য সাহসীকতার এক দৃষ্টান্ত, প্রেরণা এবং শিক্ষাও বটে। এই সেতুটি শুধুমাত্র সেতু নয়, বরং এটি বাঙালিদের বিজয়, এটি গর্ব, এটি অহংকার, এটি ঐতিহ্য। অবশ্য ২৫ শে জুনকে এক প্রকার বাংলাদেশের ২য় বিজয় দিবসও বলা যায়। মাননীয়

প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকার শতভাগ সাহসীকতা ও সততার সহীত প্রতিষ্ঠা করছেন বাংলার অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এ প্রসঙ্গে বলা যায়-


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগ,

স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তব।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ত্যাগও করেছেন। সকলের চাওয়া ছিল পদ্মা সেতুর নামকরণ করা হোক “শেখ হাসিনা সেতু”। কিন্তু ত্যাগী ও আপোষহীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটি নাকচ করে দিয়েছেন। অবশ্য চিরকাল পৃথিবীর ইতিহাসে পদ্মা সেতুর সাথে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাম। আমরা বাঙালি হিসেবে গর্বিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসীকতা ও সততার ফলস্বরূপ আবারও প্রমাণ হলো বাঙালি বীরের জাতি। নিজস্ব অর্থায়নে পৃথিবীর বহু উন্নত দেশও এত বড় প্রকল্পে হাত দিতে পারেনি। কিন্তু মানবতার মা, বিশ্ব জননী, স্বাধীনতার

মহান সংরক্ষক, লৌহমানবী, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সফলভাবে সেতুর কাজ সম্পন্ন করে বিশ্ব দরবারে বাঙালিদের মাথা উঁচু করেছেন; তিনি প্রমাণ করেছেন বাঙালি বীরের জাতি। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচিত হয় গত ২৫ শে জুন ২০২২ ইং তারিখে। অর্থাৎ এই দিনে স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। তাই নিঃসন্দেহে এই দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন। তাই বর্তমান সরকারের প্রতি বিশেষ ভাবে অনুরোধ রইল দয়া করে ২৫ শে জুনকে “পদ্মা সেতু দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হোক। অবশ্য এই দিনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ দেশের আপামর মুক্তিকামী জনতার এক বিজয় দিবস। তাই আশা করি সরকার ২৫ শে

জুনকে “পদ্মা সেতু দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখবে।

গত ২৫ শে জুন ২০২২ ইং তারিখে উদ্বোধন করা হলো মুক্তিকামী মানুষের দীর্ঘ বছরের লালিত স্বপ্ন ও আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক স্বপ্নের পদ্মা সেতু। নিঃসন্দেহে এই দিনটি বাংলাদেশীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঐতিহাসিক একটি দিন। দেশী-বিদেশী নানান ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সৎ ও সাহসী নেতৃত্বে ও উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হয় পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘতর সেতু; যা শুধু বাংলাদেশীদের জন্য গর্ব নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের মানুষের জন্য সাহসীকতার এক দৃষ্টান্ত, প্রেরণা এবং শিক্ষাও বটে। এই সেতুটি শুধুমাত্র সেতু নয়, বরং এটি বাঙালিদের বিজয়, এটি গর্ব, এটি অহংকার, এটি ঐতিহ্য। অবশ্য ২৫ শে জুনকে এক প্রকার বাংলাদেশের ২য় বিজয় দিবসও বলা যায়। মাননীয়

প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকার শতভাগ সাহসীকতা ও সততার সহীত প্রতিষ্ঠা করছেন বাংলার অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এ প্রসঙ্গে বলা যায়-


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগ,

স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তব।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ত্যাগও করেছেন। সকলের চাওয়া ছিল পদ্মা সেতুর নামকরণ করা হোক “শেখ হাসিনা সেতু”। কিন্তু ত্যাগী ও আপোষহীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটি নাকচ করে দিয়েছেন। অবশ্য চিরকাল পৃথিবীর ইতিহাসে পদ্মা সেতুর সাথে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাম। আমরা বাঙালি হিসেবে গর্বিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসীকতা ও সততার ফলস্বরূপ আবারও প্রমাণ হলো বাঙালি বীরের জাতি। নিজস্ব অর্থায়নে পৃথিবীর বহু উন্নত দেশও এত বড় প্রকল্পে হাত দিতে পারেনি। কিন্তু মানবতার মা, বিশ্ব জননী, স্বাধীনতার

মহান সংরক্ষক, লৌহমানবী, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সফলভাবে সেতুর কাজ সম্পন্ন করে বিশ্ব দরবারে বাঙালিদের মাথা উঁচু করেছেন; তিনি প্রমাণ করেছেন বাঙালি বীরের জাতি। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচিত হয় গত ২৫ শে জুন ২০২২ ইং তারিখে। অর্থাৎ এই দিনে স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। তাই নিঃসন্দেহে এই দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন। তাই বর্তমান সরকারের প্রতি বিশেষ ভাবে অনুরোধ রইল দয়া করে ২৫ শে জুনকে “পদ্মা সেতু দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হোক। অবশ্য এই দিনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ দেশের আপামর মুক্তিকামী জনতার এক বিজয় দিবস। তাই আশা করি সরকার ২৫ শে

জুনকে “পদ্মা সেতু দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখবে।

গত ২৫ শে জুন ২০২২ ইং তারিখে উদ্বোধন করা হলো মুক্তিকামী মানুষের দীর্ঘ বছরের লালিত স্বপ্ন ও আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক স্বপ্নের পদ্মা সেতু। নিঃসন্দেহে এই দিনটি বাংলাদেশীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঐতিহাসিক একটি দিন। দেশী-বিদেশী নানান ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সৎ ও সাহসী নেতৃত্বে ও উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হয় পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘতর সেতু; যা শুধু বাংলাদেশীদের জন্য গর্ব নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের মানুষের জন্য সাহসীকতার এক দৃষ্টান্ত, প্রেরণা এবং শিক্ষাও বটে। এই সেতুটি শুধুমাত্র সেতু নয়, বরং এটি বাঙালিদের বিজয়, এটি গর্ব, এটি অহংকার, এটি ঐতিহ্য। অবশ্য ২৫ শে জুনকে এক প্রকার বাংলাদেশের ২য় বিজয় দিবসও বলা যায়। মাননীয়

প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকার শতভাগ সাহসীকতা ও সততার সহীত প্রতিষ্ঠা করছেন বাংলার অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এ প্রসঙ্গে বলা যায়-


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগ,

স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তব।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ত্যাগও করেছেন। সকলের চাওয়া ছিল পদ্মা সেতুর নামকরণ করা হোক “শেখ হাসিনা সেতু”। কিন্তু ত্যাগী ও আপোষহীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটি নাকচ করে দিয়েছেন। অবশ্য চিরকাল পৃথিবীর ইতিহাসে পদ্মা সেতুর সাথে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাম। আমরা বাঙালি হিসেবে গর্বিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসীকতা ও সততার ফলস্বরূপ আবারও প্রমাণ হলো বাঙালি বীরের জাতি। নিজস্ব অর্থায়নে পৃথিবীর বহু উন্নত দেশও এত বড় প্রকল্পে হাত দিতে পারেনি। কিন্তু মানবতার মা, বিশ্ব জননী, স্বাধীনতার

মহান সংরক্ষক, লৌহমানবী, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সফলভাবে সেতুর কাজ সম্পন্ন করে বিশ্ব দরবারে বাঙালিদের মাথা উঁচু করেছেন; তিনি প্রমাণ করেছেন বাঙালি বীরের জাতি। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচিত হয় গত ২৫ শে জুন ২০২২ ইং তারিখে। অর্থাৎ এই দিনে স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। তাই নিঃসন্দেহে এই দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন। তাই বর্তমান সরকারের প্রতি বিশেষ ভাবে অনুরোধ রইল দয়া করে ২৫ শে জুনকে “পদ্মা সেতু দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হোক। অবশ্য এই দিনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ দেশের আপামর মুক্তিকামী জনতার এক বিজয় দিবস। তাই আশা করি সরকার ২৫ শে

জুনকে “পদ্মা সেতু দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখবে।

-মো. নিজাম গাজী

২৫ শে জুনকে “পদ্মা সেতু দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হোক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ জুলাই, ২০২২ | ১০:৩১ 82 ভিউ
গত ২৫ শে জুন ২০২২ ইং তারিখে উদ্বোধন করা হলো মুক্তিকামী মানুষের দীর্ঘ বছরের লালিত স্বপ্ন ও আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক স্বপ্নের পদ্মা সেতু। নিঃসন্দেহে এই দিনটি বাংলাদেশীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঐতিহাসিক একটি দিন। দেশী-বিদেশী নানান ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সৎ ও সাহসী নেতৃত্বে ও উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হয় পৃথিবীর অন্যতম দীর্ঘতর সেতু; যা শুধু বাংলাদেশীদের জন্য গর্ব নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের মানুষের জন্য সাহসীকতার এক দৃষ্টান্ত, প্রেরণা এবং শিক্ষাও বটে। এই সেতুটি শুধুমাত্র সেতু নয়, বরং এটি বাঙালিদের বিজয়, এটি গর্ব, এটি অহংকার, এটি ঐতিহ্য। অবশ্য ২৫ শে জুনকে এক প্রকার বাংলাদেশের ২য় বিজয় দিবসও বলা যায়। মাননীয়

প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকার শতভাগ সাহসীকতা ও সততার সহীত প্রতিষ্ঠা করছেন বাংলার অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এ প্রসঙ্গে বলা যায়-

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসী উদ্যোগ,
স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তব।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ত্যাগও করেছেন। সকলের চাওয়া ছিল পদ্মা সেতুর নামকরণ করা হোক "শেখ হাসিনা সেতু"। কিন্তু ত্যাগী ও আপোষহীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটি নাকচ করে দিয়েছেন। অবশ্য চিরকাল পৃথিবীর ইতিহাসে পদ্মা সেতুর সাথে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাম। আমরা বাঙালি হিসেবে গর্বিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহসীকতা ও সততার ফলস্বরূপ আবারও প্রমাণ হলো বাঙালি বীরের জাতি। নিজস্ব অর্থায়নে পৃথিবীর বহু উন্নত দেশও এত বড় প্রকল্পে হাত দিতে পারেনি। কিন্তু মানবতার মা, বিশ্ব জননী, স্বাধীনতার মহান সংরক্ষক,

লৌহমানবী, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সফলভাবে সেতুর কাজ সম্পন্ন করে বিশ্ব দরবারে বাঙালিদের মাথা উঁচু করেছেন; তিনি প্রমাণ করেছেন বাঙালি বীরের জাতি। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দ্বার উন্মোচিত হয় গত ২৫ শে জুন ২০২২ ইং তারিখে। অর্থাৎ এই দিনে স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। তাই নিঃসন্দেহে এই দিনটি একটি ঐতিহাসিক দিন। তাই বর্তমান সরকারের প্রতি বিশেষ ভাবে অনুরোধ রইল দয়া করে ২৫ শে জুনকে "পদ্মা সেতু দিবস" হিসেবে ঘোষণা করা হোক। অবশ্য এই দিনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ দেশের আপামর মুক্তিকামী জনতার এক বিজয় দিবস। তাই আশা করি সরকার ২৫ শে জুনকে "পদ্মা

সেতু দিবস" হিসেবে ঘোষণা করে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখবে।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
অর্থ পাচার দুর্নীতি লুটপাটে বাড়ছে মূল্যস্ফীতি সারা দেশে ব্যাংকের শাখা পর্যায়ে ডলার লেনদেনের সুযোগ ব্রয়লার মুরগি ২শ টাকা কেজি পেঁয়াজের হাফ সেঞ্চুরি এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ, ১৪ লাখে বিক্রি তিন সেকেন্ডেই পালটে দেয় মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর সন্তানকে বিক্রির জন্য বাজারে তুললেন মা! বিদেশি চাপে সরকার বিক্ষোভ সমাবেশে ঝামেলা করছে না: মির্জা ফখরুল রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন সোহেল তাজ চলমান সংকট মোকাবিলায় ৬ মাসের প্যাকেজ গ্রহণের প্রস্তাব জাসদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন করার চিন্তা বাংলাদেশের মানুষ সুখে আছে, বেহেশতে আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষ্ণ সাগরে কমে গেছে রাশিয়ার বিমান বহরের ক্ষমতা সরকার হটাতে সব দলকে এক হয়ে আন্দোলন করতে হবে: মান্না আ.লীগ মাঠে নামলে বিএনপি অলিগলিও খুঁজে পাবে না: কাদের ‘জন্মদিন পালনের কথা বলে হোটেলে এনে নারী চিকিৎসককে খুন’ নির্বাচিত হয়েও ফখরুলের সংসদে না যাওয়া নিয়ে যা বললেন কাদের ইরানে ড্রোন প্রশিক্ষণ নিচ্ছে রাশিয়া: যুক্তরাষ্ট্র নাটোরে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের বাঁধায় পন্ড মাগুরায় জেলা পরিষদের তৈরি স্থাপনা ভেঙ্গে দিল সড়ক বিভাগ শহরে আরও বাড়বে সংসদীয় আসন!