দেশে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে বিপাকে পড়েছেন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিকরা। সরবরাহ কম থাকায় অধিকাংশ স্টেশনে গ্যাস বিক্রি অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে। ফলে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক মালিককে স্টাফদের বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, স্টেশন ভাড়াসহ অন্যান্য ব্যয় নিজেদের অর্থ থেকে বহন করতে হচ্ছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে কাজের চাপ কমে যাওয়ায় চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ তারা। তাদের অভিযোগ, গ্যাস সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। তবে স্টেশন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আশা, সরকার দ্রুত এ সংকট সমাধানে ব্যবস্থা নেবে।
তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে রয়েছে দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো। সরকার নির্ধারিত ১৮ শতাংশ লাভের মধ্যে প্রায় ১৪ শতাংশই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে চলে যায়। বাকি ৪ শতাংশ দিয়ে স্টাফদের বেতনসহ স্টেশনের অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করতে হয়। এর মধ্যে নতুন করে গ্যাস সংকট পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
তেজগাঁওয়ের ওয়াল ইন ওয়ান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার কাজী রাজ বলেন, গ্যাসের চাপ না থাকায় বিক্রি অনেক কমে গেছে। তবুও প্রতি মাসে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল এবং স্টাফদের বেতন দিতে হচ্ছে। বর্তমানে এসব ব্যয়ের বড় অংশ মালিকদের নিজস্ব অর্থ থেকে বহন করতে হচ্ছে। এ অবস্থা দীর্ঘদিন চললে স্টেশন চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এক সময় বাধ্য হয়ে স্টেশন বন্ধও করে দিতে হতে পারে।
পূর্বাচল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. শাহ আলম বলেন, গ্যাস বিক্রির আয় থেকেই স্টাফদের বেতন ও স্টেশনের ব্যয় নির্বাহ করা হয়। কিন্তু গ্যাসের চাপ কম থাকায় বিক্রি হচ্ছে না। স্টাফদের বসিয়ে রেখেই বেতন দিতে হচ্ছে। এ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে কর্মচারী ছাঁটাই ছাড়া উপায় থাকবে না।
বেস্ট ইস্টার্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের জেনারেল ম্যানেজার মাহেশ রায় বলেন, আগের তুলনায় অর্ধেকের বেশি বিক্রি কমেছে। যে গাড়িতে আগে ৬০০ টাকার গ্যাস দেওয়া হতো, এখন সেখানে ২০০ থেকে ২৫০ টাকার বেশি গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। লাইনে গ্যাস না থাকলে আমাদের কিছুই করার নেই। যারা তুলনামূলক বেশি বিক্রি করতে পারছে, তারা কিছুটা ভালো অবস্থায় আছে। বাকিরা ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের স্টেশনে ২৭ জন স্টাফ রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই এখন কাজ না থাকায় বসে আছেন। মালিক কতদিন এভাবে বসিয়ে রেখে বেতন দেবেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। বিক্রি আরও কমে গেলে কর্মচারীদের ছাঁটাই ছাড়া বিকল্প থাকবে না।
এনএস সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড সার্ভিসিং সেন্টারের ক্যাশিয়ার আক্তারুজ্জামান বলেন, বর্তমান গ্যাসের যে চাপ-তাতে দুই থেকে তিনজন নজেলম্যানই যথেষ্ট। অথচ আমাদের এখানে আটজন নজেলম্যান রয়েছেন। দ্রুত সংকটের সমাধান না হলে সব স্টেশনের কর্মীরা ঝুঁকিতে পড়বেন।
ডেমরার রাসেল ফিলিং অ্যান্ড সিএনজি স্টেশনের মহাব্যবস্থাপক মো. হেলাল বলেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় চারটি হোস পাইপের মধ্যে মাত্র একটি সচল রাখা যাচ্ছে। বাকি তিনটি লাইনের কর্মীরা বসে থাকছেন। এতে একদিকে বিক্রি কমছে, অন্যদিকে অলস কর্মীদের বেতন দিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটি লোকসানের মুখে পড়েছে।
মঙ্গলবারও রাজধানীর প্রায় সব সিএনজি ফিলিং স্টেশনে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা যায়। গ্যাস নিতে স্টেশনগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে পরিবহণ চালকদের। গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক নজেলম্যানকে অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে।
ধারাবাহিক এ সংকটে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবহণ চালকরাও। সিএনজি অটোরিকশাচালক ওবায়দুল বলেন, ‘জানি না কবে এই দুর্ভোগ শেষ হবে। প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এভাবে সময় নষ্ট ও ভোগান্তি আর সহ্য করা যাচ্ছে না।’
চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশে প্রেমিকের সঙ্গে তীব্র বাক্বিতণ্ডার পর ১৮ তলা ভবন থেকে লাফ দিয়েও প্রাণে বেঁচে গেছেন ২০ বছর বয়সি এক তরুণী। অলৌকিক এই ঘটনায় নিচে থাকা একটি গাছ তার পতনের গতি কমিয়ে দেয়, ফলে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন তিনি। তবে মাথা, ফুসফুস, যকৃত ও প্লীহাসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন ওই তরুণী। বর্তমানে তার চিকিৎসা চললেও বিপুল ব্যয়ের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১২ জুলাই ভোর ৪টার দিকে ঝেজিয়াং প্রদেশের জিয়াশিং শহরে এ ঘটনা ঘটে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্বার্থে ওই তরুণীর প্রকৃত নাম প্রকাশ না করে তাকে ‘শিয়াওই’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, ওই দিন ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্টে প্রেমিকের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা ধরে তর্কবিতর্ক চলছিল শিয়াওইয়ের। তিনি আগেই এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং গত ১০ জুলাই নিজ শহর ইউনান প্রদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য ট্রেনের টিকিটও কেটেছিলেন। কিন্তু তার প্রেমিক তাকে যেতে দিচ্ছিলেন না।
তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, ১১ জুলাই রাতে আবারও ঝগড়া শুরু হলে প্রেমিক তাকে বাসা থেকে বের হতে বাধা দেন। এ সময় তিনি শিয়াওইয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেন এবং অ্যাপার্টমেন্টের দরজা বাইরে থেকে আটকে দেন।
পরিবারের দাবি, সেখান থেকে বের হওয়ার আর কোনো উপায় না দেখে মরিয়া হয়ে ১৮ তলার বারান্দা থেকে লাফ দেন শিয়াওই।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, নিচে থাকা একটি গাছ তার পতনের গতি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। পরে তিনি ঝোপঝাড়ের ওপর পড়ে গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান।
ঘটনার পর তার প্রেমিকই তাকে দ্রুত কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান এবং চিকিৎসার প্রাথমিক খরচ হিসেবে ২০ হাজার ইউয়ান (প্রায় ৩ হাজার মার্কিন ডলার) পরিশোধ করেন।
চিকিৎসকেরা জানান, শিয়াওইয়ের মাথা, ফুসফুস, যকৃৎ ও প্লিহায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। এ ছাড়া তার শ্রোণি, পিউবিক হাড় ও দুই পা ভেঙে গেছে। ইতোমধ্যে তার দুটি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। গত জুলাইয়ের শেষ দিকে আরও একটি অস্ত্রোপচার করার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু অর্থসংকটে সেটি হয়নি।
চেতন ফেরার পর শিয়াওই পরিবারের সদস্যদের পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন। তার চাচা লি বলেন, ‘ওদের মধ্যে আগেও একাধিকবার ঝগড়া হয়েছিল। ওই দিন সারা রাত ঝগড়ার পর আমার ভাতিজির মাথা ঘুরছিল। তখন তার একমাত্র চিন্তা ছিল যেকোনোভাবে ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে প্রেমিকের কাছ থেকে দূরে চলে যাওয়া।’ তবে তিনি জানান, শিয়াওই এখন নিজের ওই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত।
ঘটনার পর চিকিৎসার ব্যয়ের বোঝাও বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবারটির জন্য। ২০২২ সালে শিয়াওইয়ের মায়ের ক্যানসার ধরা পড়ে। তার চিকিৎসার জন্য পরিবারের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে যায়, এমনকি ঋণও নিতে হয়।
এদিকে শিয়াওইয়ের চিকিৎসার ব্যয় ইতিমধ্যে এক লাখ ইউয়ান (প্রায় ১৫ হাজার মার্কিন ডলার) ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে এখনো প্রায় ৬০ হাজার ইউয়ান হাসপাতালের কাছে বকেয়া রয়েছে।
চিকিৎসার খরচ জোগাতে পরিবারটি অনলাইনে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার ইউয়ান অনুদান পাওয়া গেছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যয় কীভাবে মেটানো হবে, তা নিয়ে পরিবারটি উদ্বিগ্ন।
এ ঘটনার পর শিয়াওইয়ের পরিবার তার প্রেমিককে হাসপাতালে দেখা করতে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তাদের আশঙ্কা ছিল, তার উপস্থিতি শিয়াওইয়ের মানসিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটাতে পারে।
পরিবারের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ওই ব্যক্তি কয়েকবার হাসপাতালের কক্ষে প্রবেশের চেষ্টা করেন। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে হাসপাতাল থেকে চলে যেতে বলে।
শিয়াওইয়ের চাচা লি বলেন, ‘আমার ভাতিজি সত্যিই ভাগ্যবতী। যে জায়গায় সে পড়েছে, তার কয়েক ফুট দূরেই ছিল শক্ত সিমেন্টের মেঝে। সেখানে পড়লে সে মরে যেত।’
ঢাকার শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী ও জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কারাগারে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন-দলের ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল ও হরী সরকার।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মনিরুল ইসলাম তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
শান্তা ফারজানা ও মোমিন মেহেদীর নামে একাধিক ওকালতনামা থাকায় তাদের জামিন শুনানি হয়নি। অপর চার আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবী মফিজুল ইসলাম আসলাম জামিন চেয়ে শুনানি করেন।
তিনি বলেন, শান্তা ফারজানাকে আয়াস নামে একটি ছেলে চড় মারে। এ কারণে তারা প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করে। সেখানে তাদেরকে মারধর করে। পরে হাসপাতালে গেলে সেখানেও মারধর করে। এই চার জন ঘটনার সাথে জড়িত নয়, তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাদের জামিন প্রার্থনা করছি।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, এরা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ভিন্ন একটা দল তৈরি করে। সেখানে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক কথাবার্তা বলে। এর প্রতিবাদ করলে আয়াসকে মারধর করে।
শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। তবে আসামিদের এজলাসে তোলা হয়নি।
তাদের বিরুদ্ধে বাবুল সরদার নামে এক ব্যক্তি মামলা দায়ের করেন। মামলায় এই ছয়জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহতরা চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে গেলে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ বাধে। এতে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা দেড় ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ থাকে।
এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তায় রাত ১১টার দিকে তাদের শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়।
সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার গ্রিনহিল স্টেট কলেজের জয়ন্ত দত্ত নামে এক অফিস সহকারী প্রভাষক পরিচয় দিয়ে চার বছর ধরে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসায় সিলেট শিক্ষা বোর্ড থেকে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য বিধি অনুযায়ী কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক ও ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। এই যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এ বছর জয়ন্ত দত্ত বাংলা প্রথম পত্রের ৫৫৪ পরীক্ষার্থীর খাতা মূল্যায়ন করে শিক্ষা বোর্ডে জমা দিয়েছেন।
তবে অভিযুক্ত জয়ন্ত দাবি করেন, ২০১৯ সালে বাংলায় স্নাতকোত্তর পাশের পর তিনি শিক্ষক সংকট থাকায় ওই কলেজে বাংলা পড়ানো শুরু করেন। তবে নিয়োগপত্রটি প্রয়াত অধ্যক্ষ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে ছিল।
নিয়োগপত্রের বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণ বলেন, শিক্ষক হিসাবে জয়ন্ত দত্তের নিয়োগপত্র পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে। বোর্ডের অনলাইন আবেদনে আমি অনুমোদন দিইনি। এটি দিয়েছেন পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী।
তবে পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী দাবি করেন, নিয়োগপত্র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছেই সংরক্ষিত আছে এবং আবেদনে অনুমোদনও তিনি দিয়েছেন। এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের বিদায়ি চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, পরীক্ষক হতে শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করতে হয়। এ অভিযোগ সত্য হলে তা গুরুতর অনিয়ম। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত সীতেশ রঞ্জনকে শোকজ করা হয়েছে।
দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন দলটির নেতা ও ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষ করে প্রশ্নত্তোর পর্বে যুক্ত থাকেন তিনি। এই সংবাস সম্মেলনের পর পরই তার মাগুরার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীরা।
শ্রীলঙ্কা থেকে ফোনে জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে সাকিব বলেন, ‘‘প্রেস কনফারেন্সের পরপরই মাগুরায় আমার বাসায় পেট্রোল বোমা মারা হয়েছে৷ আগুন ধরেছে৷ বিস্তারিত এখনও জানতে পারিনি৷ কিছু ককটেলও বোধহয় মেরেছে ওখানে৷’’
জানা গেছে সাকিবের মাগুরার বাড়িতে কেয়ারটেকার ছাড়া আপাতত কেউ নেই। তার পরিবারের বাকি সদস্যরা ঢাকা ও অন্যত্র রয়েছেন। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে কাচের বোতলে পেট্রোল ভরে সাকিবের বাড়ির প্রধান ফটকে আগুন দেয়া হয়, এরপর ককটেল বিস্ফোরন ঘটে। হামলা করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতকর্মীরা এলাকাত্যাগ করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়। মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, বাড়ির জানালার কয়েকটি কাচ ভেঙে গেছে৷ এতে কেউ হতাহত হননি৷ সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে৷
আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না সাকিবকে। বাংলাদেশের হয়েও আর খেলতে পারেন না তিনি। বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি লিগ খেলা সাকিব এখন শ্রীলঙ্কায় খেলছেন।
সাকিব শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও সরাসরি বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাননি। পরে তার রেকর্ডেড বক্তব্য প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ।
রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি, ঋণের সুদ পরিশোধে বাড়তি ব্যয় এবং সঞ্চয়পত্রে নেতিবাচক প্রবণতার কারণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থার ওপর সরকারের নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরজুড়ে সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৭৭ শতাংশ বেশি।
রোববার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনীতিবিষয়ক সামগ্রিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা। সর্বশেষ অর্থবছরে সরকারের ঋণগ্রহণ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা।
তবে বাস্তবে সেই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৩০ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা বেশি ঋণ নিতে হয়েছে সরকারকে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারের অতিরিক্ত ঋণের প্রায় পুরো অংশই এসেছে তফসিলি বা বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে। অর্থবছরে এসব ব্যাংক থেকে সরকার নিট ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা ঋণ নিলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সরকারের নিট দায় ৪ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা কমেছে।
অর্থাৎ কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নতুন অর্থ সৃষ্টির পরিবর্তে বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানত ও বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের ওপরই নির্ভর করেছে সরকার।
অন্যদিকে, ব্যাংকের বাইরের উৎস থেকে সরকারের ঋণগ্রহণে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যেখানে এসব উৎস থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৩৯ হাজার ৫১০ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা নেমে হয়েছে ঋণাত্মক ৫৬৮ কোটি টাকা।
অর্থাৎ নতুন ঋণ নেওয়ার চেয়ে সরকার পরিশোধ করেছে বেশি।
এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে জাতীয় সঞ্চয়পত্রে দুর্বল বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ঋণাত্মক ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন করে সঞ্চয়পত্র কেনার তুলনায় নগদায়ন বা ভাঙানোর পরিমাণ ছিল বেশি।
সরকারকে ব্যাংকমুখী হওয়ার আরেকটি বড় কারণ ছিল রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি। জুলাই থেকে মে পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করলেও তা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৮১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ৮১ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, রাজস্ব প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার তুলনায় কম থাকা, ঋণের সুদ পরিশোধে বাড়তি ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতির কারণে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি—এই তিনটি কারণ সরকারি ঋণ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে।
এদিকে সরকারি ঋণ বাড়লেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে ধীরগতি অব্যাহত রয়েছে। মে মাস শেষে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশে, বিপরীতে একই সময়ে সরকারের নিট ঋণ বেড়েছে ২৪ দশমিক ৬১ শতাংশ।
তবে ব্যাংক আমানত ১১ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং ব্রড মানি ১২ দশমিক ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অর্থনীতিতে মিশ্র চিত্র
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই ধরনের প্রবণতাই উঠে এসেছে। একদিকে প্রবাসী আয় ৩০ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, চলতি হিসাবের ভারসাম্য এবং সামগ্রিক পরিশোধ ভারসাম্যে উন্নতি হয়েছে।
অন্যদিকে উৎপাদন ও রপ্তানি খাতে দুর্বলতা স্পষ্ট। জুলাই-এপ্রিল সময়ে বড় শিল্প উৎপাদন ১ দশমিক ৪২ শতাংশ কমেছে, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
একই সঙ্গে রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমে মাত্র শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়নে, ব্যাংকিং খাতের তারল্য, রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বৈদেশিক খাতের বিভিন্ন সূচকে উন্নতি হলেও উৎপাদন, রপ্তানি এবং বেসরকারি বিনিয়োগে গতি ফেরেনি। ফলে অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র এখনো মিশ্রই রয়ে গেছে।
নোয়াখালীর মাইজদীতে এক দুবাই প্রবাসী স্ত্রীকে পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে এক অস্ত্রধারী যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলিভর্তি ম্যাগাজিন, ৪০ পিস ইয়াবা, নগদ ২৭ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন এবং ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
গতকাল ৪ঠা আগস্ট, মঙ্গলবার রাতে নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের হক ম্যানশনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অপর ৩ যুবদল কর্মী পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তার আনোয়ার হোসেন টিটু (৩১) বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ও ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের জাহানাবাদ গ্রামের খামার বাড়ির নুর আলমের ছেলে।
তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদক, চুরি ও জখমসহ বেগমগঞ্জ থানায় সাতটি মামলা রয়েছে।
পুলিশ জানায়, চাঁদাবাজির খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবরের নেতৃত্বে একটি দল হক ম্যানশন ঘেরাও করে। এ সময় ভবনের সিঁড়িতে সন্দেহভাজন অবস্থায় টিটুকে আটক করে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, গুলিভর্তি ম্যাগাজিন, ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে চারতলার একটি বাসায় গেলে ভুক্তভোগী নাঈমা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি আরও দুজন সহযোগীকে নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা আগে বাসায় প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং বাসা থেকে ২৭ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর দুই অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলের নিচ থেকে অভিযুক্তদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
চাঁদপুর সদর উপজেলার মান্দারী এলাকায় মাদকসেবী ভাতিজা জিসান (২৫) কে তুলে আনতে গিয়ে চাচা শাহজাহান পাটওয়ারী সাজু (৫০) কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের মান্দারী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। শাহজাহান মান্দারী গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির মৃত মুকবুল হোসেন পাটওয়ারীর ছেলে। তিনি সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন।
তার ভাই স্বপন পাটোয়ারী ও রিয়াদ পাটোয়ারী জানান, ৪ নং মাহমুদপুর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক স্বপন মাহমুদের নির্দেশে শাকিলের নেতৃত্বে মান্দারী এলাকায় ৩০/৪০ জনের একদল যুবক জিসানকে খুঁজতে যায়। এ সময় চাচা শাহজাহান পাটোয়ারী (৫০)কারণ জানতে চেয়ে বলেন বাড়ীতে মহিলরা আছে বলে বাঁধা প্রয়োগের চেষ্টা করেন। এসময় তারা বাঁশের লাঠিশোটা ও ইট দিয়ে আঘাত করে।
চাঁদপুর সদর ২৫০শয্যা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে জানা যায়, হাসপাতালে নেয়ার আগেই শাহজাহান পাটোয়ারীর মৃত্যু হয়। এসময় হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রুপক আহমেদ তার শারীরিক অবস্থা দেখে মৃত ঘোষণা দেন।
ঘটনার পর পর সন্ধ্যার দিকে ৪ নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের মান্দারী এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতা চাঁদপুর কুমিল্লা মহাসড়ক
৩ ঘন্টা অবরোধ করে রাখে। খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ খায়রুল কবির এর নেতৃত্বে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করে।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার সময় তিনি এলাকায় ছিলেন না, একটি দলীয় প্রোগ্রামে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।