রমজান এলেই কেন বাড়ে পণ্যর দাম? প্রশ্নে সাধারণ ক্রেতারা।

প্রকাশিতঃ ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ | ২:৫৬ অপরাহ্ণ

রমজান মাসকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা-এর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। হোসেন্দী বাজার করতে এসে স্থানীয় বাসিন্দা জামাল বেপারী দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশকে বলেন, লেবুর হালি ১০০ টাকা, শসা কেজি ১০০ টাকার বেশি, বেগুন ১১০ টাকা। মুরগির দামও বেড়েছে। গরুর মাংস তো আমাদের সাধ্যের বাইরে। মাস শেষে সংসার চালানোই কঠিন হয়ে যায়।তিনি আরও জানান, রমজানের আগে যেখানে ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।একই বাজারে কথা হয় সোমা বেগমের সঙ্গে। তিনি দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশকে বলেন, মাছের দাম যাই হোক, খেজুরের ভালো মানের কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ভালোটা ১০০০ টাকাও চাইছে। আপেল ৩৫০ টাকা, মাল্টা ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। রমজান এলেই মনে হয় দোকানদারদের মধ্যে বেশি লাভ করার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।অন্যদিকে কাঁচাবাজারের একাধিক দোকানদার জানান, পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় বাধ্য হয়ে খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তারা বলেন, আমরা কম দামে কিনলে কম দামে বিক্রি করি। কিন্তু পাইকারিতে দাম বেশি থাকলে আমাদেরও কিছু করার থাকে না।ভোক্তারা মনে করেন, রমজান মাস এলেই বাজারে সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠে। সোমা বেগম দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশকে আরো বলেন, নতুন সরকারের কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ রমজান মাসে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হোক, সিন্ডিকেট ভাঙা হোক, তাহলে সাধারণ মানুষ একটু স্বস্তি পাবে।স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও বাজার তদারকি জোরদার করা হলে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।