রমজানের পণ্য নিয়ে ‘সুখবর’ দিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ২৫, ২০২৬ | ১০:১৮ অপরাহ্ণ
অনলাইন নিউজ ডেক্স

আসন্ন রমজানে কিছু কিছু পণ্যের দাম কমবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার নিত্যপণ্য ৪০ শতাংশ বেশি আমদানি হয়েছে। তাই এবার দামটা মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে।’ রোববার (২৫ জানুয়ারি) আসন্ন রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ে টাস্কফোর্সের সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ বশির উদ্দিন বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা আশ্বস্ত করেছেন নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। আসছে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দাম বাড়বে না, বরং কিছু কিছু পণ্যের দাম আরও কমবে।’ তিনি বলেন, ‘কর্ণফুলী টানেল, পায়রা বন্দর, পদ্মা সেতুর মতো অযাচিত প্রকল্পের জন্য সরকারের বড় দায় তৈরি হয়েছে। টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে। আইএমএফের কাছ থেকে বড় ঋণ নিতে হয়েছে। এসবের প্রভাব পড়ছে নিত্যপণ্যের বাজারে।’ এদিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। রোববার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে এ বিষয়ে ব্রিফিং করেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘ডলারের হিসেবে খুব বেশি ব্যয় বাড়েনি। কিন্তু টাকার অঙ্কে দেখলে অনেক বেশি বৃদ্ধি মনে হয়।’ সংশ্লিষ্ট তথ্যমতে, ২০১৩ সালের অক্টোবরে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভিত্তি স্থাপন করা হয়। ২০২১ সালের শুরুতে একটি ইউনিট উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও মহামারির জটিলতায় তা পিছিয়ে যায়। পরে ইউক্রেন যুদ্ধসহ নানা জটিলতায় প্রকল্পের কাজ আরও বিলম্বিত হয়। সংশোধিত অনুমোদনের ফলে এর শেষ হওয়ার সময় ধরা হয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত প্রথম সংশোধিত ডিপিপিতে সেটি ২৫ হাজার ৫৯২ কোটি ৮৫ লাখ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ ২২ দশমিক ৬৩ শতাংশ খরচ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ব্যয় বৃদ্ধির পুরো অর্থই মিলবে প্রকল্প ঋণ থেকে। এদিকে, রূপপুর বিদুৎকেন্দ্রসহ একনেকে অনুমোদন পাওয়া ২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ১০ হাজার ৮৮১ কোটি ৪০ লাখ, বৈদেশিক ঋণের ৩২ হাজার ৯৮ কোটি এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ২ হাজার ২৯১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।