চাহিদা বেড়েছে এআই অ্যাপের

প্রকাশিতঃ জানুয়ারি ২৮, ২০২৬ | ৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন নিউজ ডেক্স

সারাবিশ্বে অ্যাপ তৈরিতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। ২০২৪ সালের পর কৃত্রিম মেধার কারণে এআইভিত্তিক অ্যাপ তৈরিতে নির্মাতাদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে এআই অ্যাপের চাহিদা শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে। বিশেষজ্ঞ অনেকে জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তিকে ভবিষ্যতের ওয়ানস্টপ সল্যুশন বলে অভিহিত করেছেন। ফলে অধিকাংশ স্মার্টফোন গ্রাহক এই প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবনের কাজ সহজ করতে চাইছেন। ফলে ক্রমে বেড়ে চলেছে জেনারেটিভ এআই অ্যাপ ডাউনলোডের সংখ্যা। প্রকাশিত সেন্সর টাওয়ারের স্টেট অব মোবাইল ২০২৬ রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এতে জানা গেছে, গত বছরে অ্যাপ ডাউনলোডের হিসাবে দ্রুততম গ্রোয়িং ক্যাটেগরির শীর্ষে রয়েছে জেনারেটিভ এআই ঘরানার সব ধরনের অ্যাপ। ২০২৫ সালে আগের বছরের তুলনায় কয়েকটি দেশে জেনারেটিভ এআই অ্যাপ ডাউনলোডের সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে। ২০২৪ সালে এ ধরনের অ্যাপ ডাউনলোডের সংখ্যা এত বেশি ছিল না। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত বছরে এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাপ ব্যবহার দ্বিগুণ হারে বেড়েছে। যার জেরে জেনারেটিভ এআই অ্যাপ ডাউনলোডের চাহিদা এখন ঊর্ধ্বমুখী। নতুন পরিসংখ্যান বলছে, সারাবিশ্বে এআই অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হয়েছে চ্যাটজিপিটি। তার পরেই জায়গা করে নিয়েছে গুগল জেমিনি, পারপ্লেক্সিটি আর গ্রোকের মতো এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাপ। ২০২৪ সাল থেকে এই তিনটি অ্যাপের চাহিদা তৈরি হয়েছে। সমীক্ষা বলছে, ২০২৫ সালেও সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া অ্যাপের তালিকায় চ্যাটজিপিটি রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। বিশেষজ্ঞ অনেকে বলছেন, সবার কাছে এআই পরিষেবাকে গ্রহণযোগ্য করতে নির্মাতা সংস্থা বেশ কিছু স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো বিনামূল্যে বা বিশেষ ছাড়ে প্রিমিয়াম ফিচার ব্যবহারের সুযোগ। ফলে গত বছরে এসব পরিষেবার অ্যাপের চাহিদা বেড়েছে অপ্রত্যাশিত হারে। অনেকে জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগের তুলনায় দ্রুত নিজের প্রয়োজন পূরণ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। সমীক্ষা বলছে, সারাবিশ্বে শুধু এআই অ্যাসিস্ট অ্যাপ ছাড়াও মাইক্রোড্রামা প্ল্যাটফর্মের অ্যাপ ডাউনলোডের চাহিদা তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতের ডিজিটাল কাজের সব ধরনের চাহিদা পূরণে এআই অ্যাপ ছাড়া চলা কঠিন হবে– এটি নিশ্চিত।