চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, কোনো আঞ্চলিক দেশ যদি ইরানের কোনো দ্বীপ দখলের প্রচেষ্টায় সহায়তা করে, তাহলে সেই দেশের ‘গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে’ ধারাবাহিক হামলা চালানো হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গালিবাফ জানান, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ‘ইরানের শত্রুরা’ একটি আঞ্চলিক দেশের সহায়তায় ইরানের একটি দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে। যদিও তিনি ওই দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে খার্গ দ্বীপ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এটি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র এবং মূল ভূখণ্ডের খুব কাছাকাছি অবস্থিত।
আলজাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় ২,০০০ সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মেরিন বাহিনীর ইউনিটও যুদ্ধজাহাজে করে উপসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছানোর পথে রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভিট বলেছেন, ইরানকে ‘পরাজয় স্বীকার’ করতে হবে, নইলে আরও কঠোর হামলার মুখে পড়তে হবে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। যদিও তেহরান তা অস্বীকার করেছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, যদি ইরানের ভূখণ্ডে হামলা হয়, তাহলে তারা লোহিত সাগরের প্রবেশমুখ বাব আল-মান্দেব প্রণালী এলাকায় নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে। এক্ষেত্রে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীও ভূমিকা রাখতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। গোষ্ঠীটি ইয়েমেনে সক্রিয় এবং ইরানের সমর্থনপুষ্ট।