সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনে হামলা চালিয়েছে ইরান। পাইপলাইনের পাশাপাশি সৌদি আরবের আরও বেশ কিছু স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
বুধবার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশাল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আটকা পড়ে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে এই পাইপলাইন ব্যবহার করে সৌদি আরব তাদের পূর্বাঞ্চলীয় তেলসমৃদ্ধ এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে সরিয়ে নিচ্ছিল।
সূত্রটি জানিয়েছে, হামলার ফলে পাইপলাইনটি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে এবং বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ জ্বালানিসংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
বুধবার এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ইয়ানবুতে অবস্থিত মার্কিন কোম্পানিগুলোর তেল স্থাপনাও রয়েছে।
এদিকে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করায় ইসরাইলকে জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা। অজ্ঞাত এ সেনা কমান্ডার বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজকে বলেছেন, ইসরাইলি হামলার জবাব দিতে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, ইসরাইল লেবাননে যে ক্রাইম করেছে। সেটির শাস্তি তারা দেবেন।
তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতিতে পুরো অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত। আর ইসরাইল কথা ভঙ্গ করার জন্য পরিচিত। তাদের শুধুমাত্র বুলেট দিয়েই প্রতিহত করা যাবে।