ঋণখেলাপি: শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিন

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ১৩, ২০২৬ | ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
অনলাইন নিউজ ডেক্স

এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর লিখিত প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ব্যাংকিং সেক্টরের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ করেছেন। অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানিয়েছেন, গত বছর ৩১ ডিসেম্বর দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল মোট পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান জাতীয় সংসদ সদস্য এবং তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিই চট্টগ্রামের বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম শিল্পগোষ্ঠীর। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে এস আলম শিল্পগোষ্ঠী ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য ছিল মূর্তিমান আতঙ্ক। তারা সরকারি সহায়তায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক দখল করে নেয়। মোট ছয়টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছিল শিল্পগোষ্ঠীর অধীন। এসব ব্যাংক থেকে এস আলম শিল্পগোষ্ঠী মোট দুই লাখ কোটি টাকা তুলে নেয়। ঋণের নামে গৃহীত অর্থ উদ্দিষ্ট প্রকল্পে ব্যবহার না করে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বিরাট অঙ্কের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের যে পরিমাণ প্রদর্শন করে, তা প্রকৃত চিত্র নয়। এর বাইরেও বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ আইনি মারপ্যাঁচে খেলাপির খাতা থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ছয় লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় এক লাখ কোটি টাকা কমেছে। বকেয়া কিস্তি আদায়ের মাধ্যমে খেলাপি ঋণের পরিমাণ হ্রাস পায়নি, বরং বিগত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া এক বিশেষ সুবিধার কারণেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ এতটা হ্রাস পেয়েছে। সেই সময় ১ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট জমা দিয়ে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণের সুবিধা দেওয়া হয়। এই আইনি সুবিধা কাজে লাগিয়েছেন অনেক ঋণখেলাপি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে আ হ ম মুস্তফা কামাল অর্থমন্ত্রী থাকাকালে একবার ২ শতাংশ নগদ ডাউন পেমেন্টে এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছরের জন্য খেলাপি ঋণ পুনঃ তফসিলিকরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। খেলাপি ঋণ হিসাব ক্লিন দেখানোর একটি চমৎকার কৌশল হচ্ছে ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ। ঋণখেলাপি : শুধু তালিকা নয়, ব্যবস্থা নিনব্যাংকিং সেক্টরে ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ নতুন কোনো ব্যবস্থা নয়। সব দেশেই ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ হয়। বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরে ব্যাপকভাবে ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ প্রত্যক্ষ করা যায় ১৯৯১ সালে। সেই সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি সরকার গঠন করার পর ২০ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ১৭১ জন শীর্ষ ঋণখেলাপির তালিকা জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছিল। এতে ঋণখেলাপিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তাঁরা নানাভাবে চেষ্টা করে ব্যাংক থেকে তাঁদের খেলাপি ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলি করিয়ে নেন। দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, কোনো ঋণ হিসাব সর্বোচ্চ তিনবার পুনঃ তফসিলি করা যেত। প্রতিবারের পুনঃ তফসিলিকরণের মেয়াদ ছিল তিন বছর। প্রথমবার ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণের জন্য মোট খেলাপি ঋণের ১০ শতাংশ নগদে জমা দিতে হতো। দ্বিতীয়বার ২০ শতাংশ এবং তৃতীয়বার ৩০ শতাংশ ব্যাংকে নগদ জমা দিতে হতো। পরবর্তী সময়ে ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণ আইন বারবার সহজ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক মানের আইনগুলো পরিবর্তনের মাধ্যমে দুর্বল করে ফেলা হয়। আ হ ম মুস্তফা কামাল অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর বলেছিলেন, ‘আজ থেকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক টাকাও বাড়বে না।’ অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশান্বিত হয়েছিলেন। তাঁরা ভেবেছিলেন এবার নিশ্চয়ই খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু সবাইকে বিস্মিত করে দিয়ে তিনি বিদ্যমান আইনগুলোকে এমনভাবে পরিবর্তন করেন, যাতে ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করেই নিজেদের খেলাপি ঋণ মুক্ত দেখানো যায়। একজন অর্থনীতিবিদ এই ব্যবস্থাকে ‘কার্পেটের নিচে ময়লা রেখে ঘর পরিষ্কার দেখানোর প্রচেষ্টা’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান ঋণ হিসাব অবলোপন নীতিমালা পরিবর্তন এবং সহজীকরণ হয়। আগে ঋণ হিসাব অবলোপনের জন্য যে নীতিমালা অনুসরণ করা হতো, তা ছিল আন্তর্জাতিক মানের। কোনো ঋণ হিসাব মন্দমানে শ্রেণীকৃত হওয়ার পর পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হলে উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়েরপূর্বক শতভাগ প্রভিশন সংরক্ষণ সাপেক্ষে ঋণ হিসাবটি অবলোপন করা যেত। ঋণ হিসাব অবলোপন অর্থ ঋণের দাবি ত্যাগ করা নয়। সংশ্লিষ্ট ঋণ হিসাবের কাছে পাওনা ঋণাঙ্ক ব্যাংকের মূল লেজার থেকে আলাদা করে অন্য একটি হিসাবে সংরক্ষণ করাকে ঋণ হিসাব অবলোপন বলা হয়। অবলোপনকৃত ঋণ হিসাব থেকে ব্যাংক কিস্তি আদায়ের তৎপরতা অব্যাহত রাখে। এ ধরনের ঋণ হিসাব থেকে কোনো কিস্তি আদায় হলে তা সরাসরি ব্যাংকের মুনাফায় অন্তর্ভুক্ত হয়। আওয়ামী লীগ আমলে প্রথমে মন্দমানে শ্রেণীকৃত হওয়ার পর তিন বছর অতিক্রান্ত হলে সেই ঋণ হিসাব অবলোপনের যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়। পরবর্তী সময়ে এই মেয়াদ দুই বছরে নামিয়ে আনা হয়। শতভাগ প্রভিশন সংরক্ষণ করার বিধান বাতিল করা হয়। পাঁচ লাখ টাকার কম ঋণাঙ্কের ক্ষেত্রে উপযুক্ত আদালতে মামলার শর্ত বাতিল করা হয়। আওয়ামী লীগ যখন ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসে, তখন ব্যাংকিং সেক্টরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ঋণখেলাপিদের যেভাবে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, অতীতে আর কোনো সরকার আমলে তা দেওয়া হয়নি। একবার জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে এবং আরো অন্তত চারবার জাতীয় সংসদের মাধ্যমে ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু এতে ঋণখেলাপিদের কোনো অসুবিধা হয়নি। তাঁরা বরং সমাজে বহাল তবিয়তে বাস করেছেন। এক শ্রেণির দুর্বৃত্ত রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তা অন্য খাতে প্রবাহিত করছেন। এমনকি বিদেশে পাচার করছেন। কিন্তু যাঁরা প্রকৃত ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা তাঁরা ব্যাংক থেকে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ঋণ পাচ্ছেন না। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর এক জরিপ থেকে জানা যায়, দেশের বেশির ভাগ ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, তাঁদের ব্যবসার মূল সমস্যা হচ্ছে পুঁজির অভাব। তাঁরা ব্যাংক থেকে চাহিদামতো ঋণ পাচ্ছেন না। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আমরা দেশে জাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ একটি বুর্জোয়া শ্রেণি গড়ে তুলতে পারিনি। সরকারি সহায়তায় এখানে লুটেরা বুর্জোয়া শ্রেণির বিকাশ ঘটেছে বিস্ময়করভাবে। এই দেশপ্রেমহীন বুর্জোয়া শ্রেণির কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। বিত্তবান-বিত্তহীনের মাঝে বিদ্যমান অর্থনৈতিক বৈষম্য প্রকট থেকে প্রকটতর হচ্ছে। যারা দেশে বিত্তবান ব্যবসায়ী শ্রেণি হিসেবে পরিচিত, তাদের বেশির ভাগই ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে তাদের বিত্তের পাহাড় ক্রমেই স্ফীত করে চলেছে। শুধু তা-ই নয়, ব্যাংক থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে ঋণ গ্রহণ করে তা বিদেশে পাচার করে চলেছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যানশিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ১০টি অর্থ পাচারকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে ৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। দেশের ছয়টি শীর্ষস্থানীয় অর্থ পাচারকারী উদ্যোক্তা/শিল্পগোষ্ঠীর পাচারকৃত অর্থ এবং বিদেশে থাকা সম্পত্তি খুঁজে বের করার জন্য ১০টি ব্যাংক ৩৬টি নন-ডিসক্লোজার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এসব উদ্যোক্তা গোষ্ঠী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তার বড় অংশই বিদেশে পাচার করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ গ্রহণ ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত হচ্ছে এস আলম গ্রুপ। তাদের ঋণের পরিমাণ হচ্ছে দুই লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ। তাদের ব্যাংকঋণ এবং পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ হচ্ছে ৫৩ হাজার ৪২ কোটি টাকা। ব্যাংকের বিনিয়োগযোগ্য অর্থ সামান্য কিছু উদ্যোক্তা গোষ্ঠীর হাতে আটকে থাকার কারণে বেশির ভাগ ব্যাংক এখন নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারছে না। ব্যাংকিং সেক্টরে বিদ্যমান আইনগুলো ঋণখেলাপিদের অনুকূলে নিবেদিত। যাঁরা নিয়মিত ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধ করেন, তারা কার্যত ব্যাংক থেকে কোনো সুবিধা পান না। কিন্তু যাঁরা বছরের পর বছর ঋণের কিস্তি আটকে রাখেন, তাঁদের মাঝে মাঝেই সুবিধা দেওয়া হয়। ঋণখেলাপিদের মধ্যে সুস্পষ্ট দুটি শ্রেণি আছে। তাদের মধ্যে একটি শ্রেণি আছে, যারা নানা প্রতিকূলতার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারে না। তারা প্রকৃত ঋণখেলাপি। আরেকটি শ্রেণি আছে, যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছা করেই ব্যাংকঋণের কিস্তি আটকে রাখে। আমাদের দেশে ঋণ গ্রহণ করতেও রাজনৈতিক এবং আর্থিক ক্ষমতা প্রয়োজন হয়। আবার ঋণখেলাপি হতেও একই রকম ক্ষমতার দরকার হয়। যাঁরা প্রকৃত ঋণখেলাপি অর্থাৎ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সামর্থ্যের অভাবে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না, তাঁদের নানাভাবে সহায়তা করে ঋণ পরিশোধে সক্ষম করে তোলা যেতে পারে। কিন্তু যাঁরা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি এবং দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেন, তাঁরা কোনোভাবেই পার পেতে পারেন না। তাঁরা দেশ ও জাতির শত্রু। ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপ করাকে ক্রিমিনাল অফেন্স হিসেবে ঘোষণা করে এই দোষে দুষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা যেতে পারে। এখানে আরো একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, ব্যাংক কর্মকর্তারা যদি সততা এবং সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে খেলাপি ঋণ সৃষ্টির আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে। এক শ্রেণির ব্যাংক কর্মকর্তা আছেন, যাঁরা ব্যক্তিগত লাভের আশায় অসৎ ঋণগ্রহীতাদের নানাভাবে সহায়তা করে থাকেন। যাঁরা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি এবং দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা যাঁদের জন্য বিপর্যস্ত হতে চলেছে, তাঁদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না। তাঁদের আইনানুগ শাস্তি বিধানের পাশাপাশি সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাঁদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যাবে না। জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যেন কেউ তাঁদের সঙ্গে আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে না তোলেন। ঋণখেলাপিদের সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনা অথবা চাকরির সুযোগ দেওয়া যাবে না। এমনকি তাদের শহরের কোনো ভালো স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রহিত করতে হবে। লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে প্রফেসর ইমেরিটাস এবং বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক