বাংলাদেশের রাজস্ব আদায় উদ্বেগজনক বলে মনে করে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
সংস্থাটি পরামর্শ দিয়েছে, বাংলাদেশের রাজস্ব আদায় বাড়াতে বিদ্যমান সব অর্থনৈতিক কৌশল কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।
এদিকে, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা এবং বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির দিকে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্যে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো প্রণয়ন শুরু করেছে সরকার। এতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৬.২ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্ভাব্য ৫ শতাংশ থেকে বেশি।
সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে উপস্থাপিত প্রস্তাবিত কাঠামোয় পরবর্তী বছরগুলোতে প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৭.১ শতাংশ, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৭.৫ শতাংশ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিনিয়োগ জিডিপির ৩৬.৭ শতাংশে উন্নীত করা এবং একই সময়ে মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।