নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ২৫তম ওভারের মধ্যেই অর্ধেক রান তুলে ফেলেছিল। তখন ম্যাচ জয়ের পথ বেশ সহজই মনে হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই অতিরিক্ত ডট বল খেলে নিজেদের ওপর চাপ তৈরি করে ফেলে টাইগাররা।
চাপের মধ্যেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত সফরকারীদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কাছে হার মানে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ, ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ শুরু হয় হার দিয়ে।
ম্যাচ শেষে টাইগার অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, ‘মাঝে মাঝে এমনটা হয়। সব খেলোয়াড়ই খুব উত্তেজিত ছিল এবং সবাই জিততে চেয়েছিল, কিন্তু মাঝে মাঝে এমনটা হতেই পারে।’
বোলারদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মিরাজ জানান, তাদের বোলিং ছিল দারুণ। এই উইকেটে ২৭০ রান তাড়া করা কঠিন নয় বলেও তিনি মনে করেন। তার মতে, দুটো ক্যাচ মিস না হলে নিউজিল্যান্ডকে ২০০ রানের নিচে রাখা সম্ভব ছিল। তবে এটিকে তিনি ছোট ভুল হিসেবে দেখছেন এবং দলের ইতিবাচক দিকগুলোকেও গুরুত্ব দিয়েছেন।
শেষ মুহূর্তে শরিফুল ইসলামের দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়েও কথা বলেন তিনি। মোস্তাফিজুর রহমান ইনজুরিতে পড়ায় হঠাৎ সুযোগ পান শরিফুল, যা তার জন্য বড় সুযোগ ছিল। প্রস্তুতির অভাব সত্ত্বেও দীর্ঘদিন পর ফিরে তিনি ভালো বোলিং করেছেন বলেও উল্লেখ করেন মিরাজ।
শেষ দিকে ৩৭ রানে ৬ উইকেট হারানো সত্ত্বেও ব্যাটিং নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘পরপর উইকেট পড়লে প্রতিপক্ষ সুবিধা পায়। তবে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটিং ছিল চমৎকার, তাওহীদ ও আফিফও ভালো খেলেছেন। বড় পার্টনারশিপ গড়তে পারলে ম্যাচ জেতা সম্ভব হতো।’