গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে গভীর রাতে শিশুকে প্রস্রাব করাতে বাইরে বের হয়ে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের বড়বাহিরবাগ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে অভিযুক্ত হাফিজ মোল্যাকে (৩৫) আসামি করে কাশিয়ানী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত হাফিজ মোল্লা বড় বাহিরবাগ গ্রামের আবুল মোল্যার ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন গৃহবধূর স্বামী বড় সন্তানকে নিয়ে তার বাবার বাড়িতে ছিলেন। ওই নারী তার দুই বছর বয়সি শিশু সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি ছোট সন্তানকে প্রস্রাব করানোর জন্য বসতঘরের বাইরে বের হন। এ সুযোগে প্রতিবেশী হাফিজ মোল্যা তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক বসতঘরের (বিল্ডিং) ভেতরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগীর কান্নাকাটি ও চেঁচামেচির শব্দ শুনে তার ভাসুরের ছেলে ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে আসামির মোবাইল, ঘড়ি. চাবি ও প্যান্ট পাওয়া যায়।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত হাফিজ মোল্লা পলাতক রয়েছেন। তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য মুঠোফোনে কল দিলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই সংযোগ বিছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে কাশিয়ানী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ তাজ উদ্দিন আহমেদ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’