দ্রুত বিচারে নতুন মাইলফলক

প্রকাশিতঃ জুন ৮, ২০২৬ | ৫:২১ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন নিউজ ডেক্স

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় বিচার শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়েছে মাত্র ৫ কার্যদিবসে। অভিযোগ গঠনের পর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক ও রায় পর্যন্ত পুরো বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে দ্রুতগতিতে। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দেশব্যাপী জনরোষ এবং সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ন্যায়বিচারের আশ্বাসের পর ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আদালত এই মামলার রায় দিলেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে একটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলার বিচার শেষ হওয়ার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় রাষ্ট্রের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি এক নতুন মাইলফলক। এর আগে মাগুরার শিশু আছিয়া কিংবা মেহেরপুরের ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলাগুলোতে অল্প সময়ের মধ্যেই রায় ঘোষণা করেছিলেন আদালত। ১৪৪ বছর আগে ব্রিটিশ আমলে নদীয়ার এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় বিচার শুরুর দিনেই রায় ঘোষণার নজির রয়েছে। তবে ব্রিটিশ আমলের পর থেকে বাংলাদেশে আলোচিত কয়েকটি দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া মামলার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে পল্লবীর এই শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা। এদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা। এইদিন রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে। রায়ের দিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এ সময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক। ১১টা ৩৬ মিনিটে আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বলা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড ভিকটিম শিশুর আইনগত উত্তরাধিকাররা পাবেন। ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিম মৃত রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে এ মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা হলেও এখনই সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে না। রায় কার্যকরে এখনো দীর্ঘ সাংবিধানিক ও বিচারিক পথ বাকি রয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রথমে মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে যাবে। এরপর আপিল, আপিল বিভাগের শুনানি, রিভিউ এবং প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাভিক্ষার আবেদনসহ সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে হবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ : রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, এ মামলাটি কেবল একটি ফৌজদারি বিচারিক কার্যক্রম নয়; এটি সমাজের বিবেক, মানবতা, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং আইনের শাসনের প্রতি এক গভীর ও কঠিন পরীক্ষা। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন নির্মমভাবে নিভিয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া এ মামলার প্রতিটি পৃষ্ঠা বেদনা, ক্ষোভ, উদ্বেগ এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় পরিপূর্ণ। শিশুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। কোনো শিশু যখন যৌন নির্যাতন, সহিংসতা কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের শিকার হয়, তখন তা শুধু একটি পরিবারকে নয়, সমগ্র সমাজকে আহত করে এবং রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। আদালত বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে গঠিত ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে এক হাজার আট শতাধিক বিচারাধীন মামলার দায়িত্ব পালন করছে। এসব মামলার প্রতিটির পেছনে রয়েছে কোনো না কোনো শিশুর অসহনীয় যন্ত্রণা, একটি পরিবারের দীর্ঘশ্বাস এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা। তবে এই শিশুর মামলাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ এ মামলায় তদন্ত, বিচারিক কার্যক্রম ও সাক্ষ্যগ্রহণ তুলনামূলকভাবে দ্রুত সময়ে সম্পন্ন হয়েছে। পর্যবেক্ষণে আদালত সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, তদন্তকারী সংস্থা অল্প সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। একইভাবে প্রসিকিউশনও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের দ্রুত আদালতে হাজির করে বিচারকার্য এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তদন্তকারী কর্মকর্তা, প্রসিকিউশন এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতা ও পেশাদারত্ব প্রশংসার দাবি রাখে। আদালত আশা প্রকাশ করে বলেন, এই শিশুর মামলার মতো দ্রুত, দক্ষ, নিরপেক্ষ ও মানসম্মত তদন্ত এবং বিচারিক কার্যক্রম ভবিষ্যতে শিশু নির্যাতন ও সহিংসতা-সংক্রান্ত অন্যান্য মামলার জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হিসাবে বিবেচিত হবে। ভুক্তভোগী শিশু ও তাদের পরিবার যেন অযথা দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একই ধরনের দায়িত্বশীলতা প্রদর্শনের আহ্বান জানান আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, ন্যায়সঙ্গত বিচার কেবল আদালতের একক প্রচেষ্টায় সম্ভব নয়। তদন্তকারী সংস্থা, প্রসিকিউশন, ডিফেন্স, সাক্ষী এবং বিচার ব্যবস্থার সব অংশীজনের সম্মিলিত দায়িত্বশীল অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। আদালতের দায়িত্ব আবেগের ভিত্তিতে নয়; বরং আইন, সাক্ষ্য-প্রমাণ, আলামত, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং ন্যায়বিচারের চিরন্তন নীতিমালার আলোকে সত্য উদ্ঘাটন করা। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত অত্যন্ত সতর্কতা, সংবেদনশীলতা ও বিচারিক নিরপেক্ষতার সঙ্গে মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য : রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সে বিবেচনায় এই রায় শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো অপরাধ দমনে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, একটি রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হলো শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তাদের সুরক্ষা দেওয়া। কোনো শিশুর ওপর এ ধরনের নৃশংস ও ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। এ মামলায় তদন্তকারী সংস্থা, প্রসিকিউশন এবং ট্রাইব্যুনালের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত বিচার সম্পন্ন হয়েছে। আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ বলেন, আসামি সোহেল রানা বিচারিক কার্যক্রমে দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনেও নিজের অপরাধ অস্বীকার করেননি। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত সোহেল রানা ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আদালতের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। অপরাধীরা তাদের অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে। রায়ে আমি সন্তুষ্ট। তিন মাসের মধ্যে রায় কার্যকর সম্ভব বলে প্রত্যাশা আইনমন্ত্রীর : এদিকে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় আগামী তিন মাসের মধ্যে ‘কার্যকর করা সম্ভব’ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। হত্যাকাণ্ডের মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ যদি অগ্রাধিকার দিয়ে শুনানি করেন, তবে ‘আগামী তিন মাসের মধ্যে এই মামলার চূড়ান্ত রায় কার্যকর করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব।’ এ মামলার বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি যখন রামিসার এই ঘটনার বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি, উনিও আমাকে বলেছেন, খোলার পরে এসব ডেথ রেফারেন্সগুলো খুব দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য আরও বেশি ফোকাসড সিদ্ধান্ত নেবেন। আমি এ বিষয়টি নিয়ে লেগে থাকব, যাতে করে যেগুলো আপনারা বললেন এবং আজকের রায়সহ যত দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্ভব আমরা এটা নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করব। রায়ে জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়েছে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রায়ে জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। এভাবেই আমরা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই শিশুর ঘটনায় আদালতে ন্যায়বিচার হয়েছে। দেশের বিচারিক ইতিহাস এবং পুলিশের গ্রেফতার ও তদন্ত কার্যক্রমের ইতিহাসে এই ঘটনাটি একটি মাইলফলক। এভাবেই আমরা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনা, গোয়ালন্দ ঘাটে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন, গজারিয়ায় কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার জন্য তাদের পুরস্কৃত করা হবে। ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত আর খারাপ কাজের জন্য তিরস্কার করা হবে। এখন পর্যন্ত পুলিশ বাহিনীর যে অর্জন, সেটি প্রশংসার দাবি রাখে বলেও জানান তিনি। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে হবে রামিসা হত্যা মামলার বিচার : প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলাসহ নারী ও শিশুবিষয়ক মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য রোববার থেকে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। এ সময় সিনিয়র আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও ব্যারিস্টার সালাহ উদ্দিন দোলন আমার বক্তব্য সমর্থন করেন। তখন প্রধান বিচারপতি বিশেষ বেঞ্চ গঠনের কথা বলেছেন। সন্তুষ্ট এলাকাবাসীর রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি : রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে তা দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। রায়ের পর রাজধানীর পল্লবীর বাসার সামনে গিয়ে দেখা যায়, রায়ে স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও ভিকটিম শিশুর শিক্ষকরা। পপুলার মডেল হাইস্কুলের শিক্ষিকা ও শিশুর ক্লাস টিসার আফরোজা বলেন, রামিসা ক্লাসের সবচেয়ে শান্তশিষ্ট ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। রায়ে আমরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই রায় বাস্তবায়ন করার দাবি জানাই। এই রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই।