হরিনাকুন্ডুতে বড়মা’য়ের সাথে ছেলের পরোকিয়া রাতের আঁধারে লাপাত্তা প্রেমিক যুগল

প্রকাশিতঃ জুন ১২, ২০২৬ | ৫:২৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন নিউজ ডেক্স

এম. টুকু মাহমুদ, হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ): প্রেম মানে না জাত-পাত প্রবাদটি যুগ যুগ ধরে মানুষের আবেগের এক চিরন্তন সত্য। আক্ষরিক অর্থেই প্রকৃত ভালোবাসার বয়স, ধর্ম বা জাত-পাতের গণ্ডি পেরিয়ে দুটি মানুষের মনের মিলনের উপরেই এটি প্রতিষ্ঠিত। প্রেম স্বর্গীয় প্রেম অনন্ত, তাই বলে আপন বড় মা (চাচি\'র) সাথে? সমাজ আজ কলঙ্কিত । বলছি ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গবরাপাড়া গ্রামের কথা। উপজেলার ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের গবরাপাড়ার সানজেদুর রহমান(ছল্টু)জোয়ার্দারের সহ ধর্মিনী রুমানা ইসলাম, তার আপন বড় ভাষুরের ছেলে হাসানকে নিয়ে রাতের আঁধারে পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৯ জুন সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় বিয়ের প্রলোভনে নিজের বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরিবার ও নিকটাত্মীয় স্বজনদের বাসায় খোঁজ নিয়েও কোনো সুফল মেলেনি। এলাকায় গুনজন আছে ঐ দুই জনে গত ঈদ-উল ফিতরের পরে আরো একবার পালিয়ে গিয়েছিলো। এলাকার মণ্ডল মাতুব্বারদের মাধ্যমে সেটি সুরাহ করে বড় চাচি\'মা, ভাষুরের ছেলে হাসানকে তালাক দিয়ে পুনরায় ঘর-সংসার করছিলেন। কিন্তু এবারে তাদের আর কোথাও খুঁজে পাওয়া না গেলে, ভুক্তভোগী পরিবারটি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানান। সানজেদুর রহমান(ছল্টু) সাংবাদিকদের জানান, ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক আমাদের গত ৮ বছর পূর্বে বিবাহ হয়। আমার একটি ছোট্ট কন্যা সন্তান আছে। আমি বিয়ে করে আসার পর থেকে ঐ হাসান তাকে মা বলে ডাকতো। সে আমার ভাইয়ের ছেলে। আমি বাড়িতে না থাকার সুবাদে সে আমার বউয়ের সাথে পরোকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি আমি জানতে পারলে তাকে নিষেধ করলে আমাকে সে নানা ধরনের হুমকি ধামকি দেয়। তবে গত দিন রুমানা ইসলাম-কে বিয়ের নানা প্রলোভন দেখিয়ে আমার আলমারিতে থাকা নগদ ৩ লক্ষ টাকা, ১ জোড়া স্বর্ণের রুলি,১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ১ জোড়া স্বর্ণের চুরি, ১টি স্বর্ণের চেইন,১ টি আংটি নিয়ে রাতের আঁধারে হাসানের সাথে পালিয়ে যায়। তবে আমি ধারনা করছি তারা এখন কুষ্টিয়াতে আছে৷ আমি তাদের বিচার চাই। হাসানের বাবা গণমাধ্যম বলেন, আমার ছেলেকে বিয়ে দেওয়ার জন্য খুব চেষ্টা করেছি। যেখান থেকেই বিয়ে আসে সেখানেই ভেঙে যায়। রুমানা আমার ভায়ের বউ। সে তার আপন চাচি হয়। শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলেও স্বীকার করেন হাসানের বাবা। এদিকে শুক্রবার সকাল ১১: ৪৮ মিনিটে 01859165073 নাম্বারে হাসানের সাথে যোগাযোগ করলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হলো না। এদিকে দৌলতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম মেম্বার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এটি একটি লজ্জাজনক ব্যপার। এদের কঠিন শান্তি হওয়া দরকার, নতুবা সমাজ নষ্ট হয়ে যাবে। এঘটনায় শনিবার (১২ জুন) হরিণাকুণ্ডু থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে জানান, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।