সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নওগাঁ আত্রাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূরে আলম সিদ্দিক,সার্ভেয়ার মো.মিজানুর রহমান এবং আহসানগঞ্জ ও সাহাগোলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো.মোস্তাফিজুর রহমান এর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি, অসদাচরণ ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘঠনায় জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন একাধিক ভূক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও একাধিক সূত্রের তথ্য মতে জানা গেছে, উপজেলা ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড, আহসানগঞ্জ ও সাহাগোলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো.মোস্তাফিজুর যোগদানের পর থেকে তিনি সেবা নিতে আসা লোকজনের কাছ থেকে নামজারি, দাখিলাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে দেয়ার কথা বলে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছেন। এবং কি তিনি টাকা নিয়েও ঠিকমতো কাজ করছেন না বলে ভূক্তভোগীদের দাবি।
অভিযোগকারী ও ভুক্তভোগী শ্রী সুরনজিত কুমার বলেন, আমার
নিম্ন তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি অর্পিত ট্রাইবুনাল হতে ৩১৯/১২ (অর্পিত) মোকদ্দমা গত ১৯/১১/২০২৩ তারিখে রায় গত ০২/০৫/২০২৪ তারিখে ৩২/২৪ অর্পিত আপিল মোকদ্দমা রায় ও ডিগ্রির প্রেক্ষিতে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি মহোদয়ের বরাবর গত ১৯/০৫/২০২৪ তারিখে নিম্ন তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি অবমুক্তির জন্য দরখাস্ত করি ৬৪৫ নং স্মারকে সহকারী কমিশনার ভূমি আত্রাই বরাবর প্রেরণ করেন।সহকারী কমিশনার ভূমি আত্রাই ২২৫৯ নং স্মারকে ২৬/১১/২০২৪ তারিখে তাহা গ্রহণ করে আহসানগঞ্জ সাহাগোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রেরণ করেন যার স্মারক নং ১৫৭৩ তার ধারাবাহিকতায় ০৭/০৫/২০২৫ তারিখে ৭৩ নং স্মারকে সহকারী কমিশনার ভূমি আত্রাই বরাবর প্রেরণ করিলে বিভিন্ন অযুহাতে আমাকে নানা ভাবে হয়রানি করে। সব ঠিক থাকার পরে ও খাজনা খারিজের জন্য আবেদন করে ও কোন কাজ এ পর্যন্ত হয়নি বা করে নাই। যার কেস নং ৩৩/Xlll/২০২৫-২৬।
অভিযুক্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর বলেন এ সব মিথ্যা আমার কাজ আমি চেষ্টা করেছি করতে।
সার্ভেয়ার মিজানুর রহমান এ বিষয়ে বলেন আমি আমার কাজ করেছি।
এ ব্যাপারে ভূমি অফিসার (এসিল্যান্ড) নূরে আলম সিদ্দিক বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা। সার্ভেয়ার ও
ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেঙ্কারি ও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি শুধু জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগটি পেয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।