ফেনী সদরের বাসিন্দা মমতাজ বেগম বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন। দীর্ঘদিন ধরে মরণব্যাধি ক্যানসারের সাথে লড়াই করতে করতে তার শরীর এখন ভীষণ নিস্তেজ।
২২শে জুন, সোমবার বিকেলে ওনার ছেলে ইশতিয়াক আরিয়ান অনিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে জানান, তার মায়ের ফুসফুসে মারাত্মক ইনফেকশন ও পানি জমে যাওয়ায় তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে। এর ফলে তাকে জরুরি ভিত্তিতে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে।
বেসরকারি হাসপাতালে এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় অসহায় ছেলেটি এখন ঢাকা মেডিকেল, পিজি (BSMMU) অথবা মহাখালী ক্যানসার হাসপাতালে একটি আইসিইউ বেড ম্যানেজ করার জন্য সকলের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
চিকিৎসকদের মতে, মমতাজ বেগমের সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা এখনও ৯০ শতাংশ! সঠিক সময়ে বাকি চিকিৎসা সম্পন্ন করতে পারলে তাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা সম্ভব। কিন্তু এই সম্ভাবনার পথে সবচেয়ে বড় দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে বিপুল অর্থের অভাব।
বর্তমানে বেসরকারি হাসপাতালে ওনার ক্যানসার ও লাইফ সাপোর্টের চিকিৎসাবাবদ প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা প্রয়োজন হচ্ছে, যা একটি নিস্ব পরিবারের পক্ষে বহন করা অসম্ভব।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অসহায় পরিবারের দুঃখকষ্টের কথা প্রকাশ পাওয়ার পর দেশের মানবিক ও প্রবাসী ভাই-বোনদের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত ১৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা সংগৃহীত হয়েছিল।
কিন্তু ক্যানসারের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও বর্তমান লাইফ সাপোর্টের খরচে সেই টাকা প্রায় শেষের পথে। চিকিৎসা পুরোপুরি শেষ করতে এখনও আরও কয়েক লাখ টাকা প্রয়োজন।
অসহায় এই পরিবারটির কোনো নিজস্ব জমিজমা বা আয়ের উৎস নেই। মমতাজ বেগমের স্বামীও বেঁচে নেই, আর তার একমাত্র ছেলে অনিক এখনও পড়াশোনা করছেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মমতাজ বেগমের ছেলে অনিক বলেন, “আমার মাকে বাঁচাতে আপনারা সবাই আর একটু সাহায্য করুন। ও বাঁচলে আমিও বাঁচবো। আমার জান মরে গেলে আমার বেঁচে থেকে কী লাভ? প্রতিদিন যে খরচ হচ্ছে, তা জোগানোর ক্ষমতা আমার নেই। আপনাদের একটু সহযোগিতা আমার মাকে আমার বুকে ফিরিয়ে দিতে পারে।”
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এগোচ্ছে মমতাজ বেগমের জীবনঘড়ি। প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে যেন ৯০% সুস্থতার সম্ভাবনা থাকা একজন মায়ের জীবনযুদ্ধ মাঝপথে থেমে না যায়—এটাই এখন সচেতন নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা।
একজন মায়ের জীবন বাঁচাতে এবং এই অসহায় শিক্ষার্থীর মুখে হাসি ফোটাতে ওনার চিকিৎসাবাবদ সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা পাঠানো যাবে নিচের মাধ্যমগুলোতে:
বিকাশ অথবা নগদ (পার্সোনাল): 01971663143
সরাসরি যোগাযোগের নম্বর: 01811663143