এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ষষ্ঠ দিনে দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৯ হাজার ৫৯২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। একই দিনে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ২৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোনো পরিদর্শকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সোমবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এদিন ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র এবং যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৫০৩ জন। এর মধ্যে ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেন, আর ১১ হাজার ৭২৯ জন অনুপস্থিত ছিলেন। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অনুপস্থিতির হার ছিল ২ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন ঢাকা বোর্ডে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ৯৭৯ জন অনুপস্থিত ছিলেন সিলেট বোর্ডে।
এদিন সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৬ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮ জন ময়মনসিংহ বোর্ডের। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ৫ জন, ঢাকা ও সিলেট বোর্ডে ২ জন করে এবং যশোর, বরিশাল ও দিনাজপুর বোর্ডে ১ জন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। কুমিল্লা বোর্ডে কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুষ্ঠিত ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৭৫ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে ৬৯ হাজার ৯২৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেন এবং ৫ হাজার ১৭০ জন অনুপস্থিত ছিলেন। এই বোর্ডে অনুপস্থিতির হার ছিল ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ, যা সব বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে অসদুপায়ের দায়ে ৮ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অফিস ম্যানেজমেন্ট ও ব্যবসায় সংগঠন বিষয়ের পরীক্ষায় মোট ৮৬ হাজার ১৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৩ হাজার ৪৫০ জন অংশ নেন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৬৯৩ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৩ দশমিক ১৩ শতাংশ। এ বোর্ডে অসদুপায়ের অভিযোগে ৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।