সুস্থ অবস্থায় কারাগারে যাওয়ার ৯ দিন পর পরিবার পেল যুবলীগ নেতার মরদেহ, পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিতঃ জুলাই ১৬, ২০২৬ | ৫:১০ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন নিউজ ডেক্স

সিরাজগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর কারাগারের নিরাপত্তা হেফাজতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম লিটনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ১৪ই জুলাই, মঙ্গলবার সকালে তিনি মারা যান। আজ বুধবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ কারাগারের জেল সুপার রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। নিহত আমিনুল ইসলাম লিটন (৪৭) সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বেলতৈল ইউনিয়নের চরবেতকান্দি গ্রামের হাজী শামসুল আলমের ছেলে। তিনি বেলতৈল ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। আমিনুল ইসলাম লিটন গত ৫ই জুলাই মারামারি ও বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আসেন এবং হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন। লিটনের স্বজনরা জানান, লিটনের কোনো শারীরিক সমস্যা ছিল না। তাকে সুস্থ-সবল অবস্থায় আটক করে কারাগারে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম লিটনের মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা। কারা কর্তৃপক্ষের দাবি তার মৃত্যু হাসপাতালে হয়েছে। যদিও সিরাজগঞ্জ কারাগারের একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে লিটনের মৃত্যু হয়েছে কারাগারে বন্দি থা অবস্থাতেই। তার ওপর চরম নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো হচ্ছিল অনেকদিন ধরেই। এমনকি কোনো চিকিৎসা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। তিলে তিলে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। জেল সুপার রফিকুল ইসলামের দাবি, লিটন আগে থেকেই হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সকাল পৌনে ৯টার দিকে তাকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার বিকেলে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কারা হেফাজতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অস্বাভাবিক মৃত্যুর বিভিন্ন তথ্য এখানে