ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন কমার পাশাপাশি অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রবণতায় লেনদেন শেষ হলেও বাজারে বিক্রির চাপ ছিল বেশি। একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)।
দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১ পয়েন্ট। তবে শরিয়াহ সূচক দশমিক ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫১ পয়েন্টে।
ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৯৮টির দর কমেছে। বিপরীতে দর বেড়েছে ১৪০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬১টির। দিনটিতে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৭৩২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৯৯৮ কোটি ১০ লাখ টাকার তুলনায় ২৬৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা কম।
অন্যদিকে, সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৯ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪৯৪ পয়েন্টে নেমেছে। এদিন সিএসইতে ২০৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর কমেছে ১১৭টির, বেড়েছে ৫৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৪টির। মোট লেনদেন হয়েছে ৩৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। কোম্পানিটির ২২ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এরপর আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ২১ কোটি ৫১ লাখ এবং বেক্সিমকোর ১৮ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। শীর্ষ লেনদেনের তালিকায় আরও ছিল রানার অটোমোবাইলস, এনভয় টেক্সটাইলস, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, শমরিতা হসপিটাল, সায়হাম টেক্সটাইল মিলস, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট ও মালেক স্পিনিং মিলস।
দর বৃদ্ধির শীর্ষে ছিল রিলায়েন্স ওয়ান মিউচুয়াল ফান্ড। এর ইউনিটদর ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়েছে। রানার অটোমোবাইলসের দর বেড়েছে ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
অন্যদিকে, দরপতনের শীর্ষে ছিল শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ। কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। জিবিবি পাওয়ারের দর ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সেনা ইন্স্যুরেন্সের ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমেছে। এছাড়া এমএল ডাইং, ফার কেমিক্যাল, নুরানী ডাইং, আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, আমরা টেকনোলজিস, অ্যাপেক্স স্পিনিং ও অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের দরও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।