গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রিক্তা খাতুন নামের ওই শিক্ষার্থী রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন।
মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের নবীনবাগ এলাকার ভাড়া বাসা থেকে রিক্তার মরদেহ উদ্ধার হয়। তার স্বামী রাসেল মণ্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।
রিক্তা ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুর ভালকি গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে।
জানা যায়, ওই এলাকার সবুর সিকদারের বাসায় রিক্তা তাঁর স্বামীসহ প্রায় এক বছর ধরে বাস করে আসছিলেন। স্বামী রাসেল একই বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ঘোষপুর গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে।
রাসেল জানান, প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি পরিবারকে না জানিয়ে গোপনে তাঁরা বিয়ে করেন। গত বছরের মার্চ থেকে তাঁরা নবীনবাগ এলাকার ওই বাসায় ওঠেন। গত কয়েক দিন ধরে অন্য একটি মেয়ে তাঁর মোবাইল ফোনে মেসেজ ও ফোন দিয়ে বিরক্ত করছিল। বিষয়টি নিয়ে রিক্তার সঙ্গে দ্বন্দ্ব হয় এবং পরে মোবাইল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
রাসেল জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি কোচিং করানোর জন্য বাসা থেকে বের হন। দুপুর পৌনে ২টার দিকে গেট খুলে ভেতরে ঢুকে দেখেন দরজা খোলা এবং রিক্তা ফ্যানে ঝুলে রয়েছেন। তখন তিনি রিক্তার দেহ নামান।
গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক রাসেল আহমেদ বলেন, লাশ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বামী রাসেলকে আটক করা হয়েছে। স্বামীর সঙ্গে অন্য মেয়ের সম্পর্ক থাকায় এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।