অনন্য স্থাপনা ২০১ গম্বুজ মসজিদ, পর্যটনের সম্ভাবনা - ডোনেট বাংলাদেশ

গোপালপুরে নির্মিত হয়েছে মুসলিম বিশ্বের অনন্য ইসলামিক স্থাপনা ২০১ গম্বুজ মসজিদ। উপজেলা সদর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে ১৫ বিঘা জমির উপর মসজিদটি অবস্থিত।

পাথালিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা। বিশ্বের পুরাকীর্তির ইতিহাসে ইতোমধ্যে ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি নাম লিখিয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আসছে মসজিদটি একনজর দেখতে ও নামাজ আদায় করতে।

নয়নাভিরাম স্থাপত্যশিল্পে নির্মাণ করা হয়েছে মসজিদের ২০১টি গম্বুজ। মাঝখানে রয়েছে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি বড় গম্বুজ। তার চারপাশে রয়েছে ১৭ ফুট উচ্চতার ২০০টি গম্বুজ। পৃথিবীর কোন মসজিদেই এতো গম্বুজ নেই। মসজিদে আজান প্রচারের জন্য নির্মাণ হচ্ছে ৪৫১ ফিট উচ্চতার নান্দনিক মিনার। যা পৃথিবীর ইতিহাসে মসজিদে এটিই সবচেয়ে উঁচু মিনার। মসজিদের চারকোনায় স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের ১১৫ ফুট উচ্চতার চারটি এবং ৮১ ফুট উচ্চতার আরও চারটি মিনার ইমারতের অবয়বকে আকর্ষণীয় করেছে।

মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের ভাই মো. হুমায়ুন কবির জানান, ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ১৪৪ ফুট প্রস্থ দ্বিতল মসজিদটিতে এক সঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সে রয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা। মিহরাবের দুই পাশে নির্মাণ হচ্ছে লাশ রাখার জন্য হিমাগার। দেয়ালে পিতলে খোদাইকৃত ৩০ পারা পবিত্র কোরআন শরীফ অঙ্কিত করা হয়েছে। যে কেউ বসে বা দাঁড়িয়ে তা পাঠ করতে পারেন। মসজিদের দরজা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে পাঁচ টন পিতল। মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে নির্মিত হচ্ছে দুটো পৃথক পাঁচতলা ভবন। সেখানে থাকবে দুস্থ নারীদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। মসজিদ পরিদর্শনে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে তৈরি করা হয়েছে দুটি হেলিপ্যাড।

মসজিদ থেকে অনতিদূরে নির্মাণ হচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য অতিথিশালা। দেশি-বিদেশি পর্যটক, অলি-আউলিয়া ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আগমন ঘটবে বলে মনে করছেন এর উদ্যোক্তারা। এর মধ্যে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর পদভারে প্রকম্পিত হচ্ছে মসজিদ ক্যাম্পাস।

২০১৩ সালে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রফিকুল ইসলামের মাতা, মরহুম রিজিয়া খাতুন। অবকাঠামোগত কাজ শেষে এখন চলছে ফিনিশিং। চার মাসের মধ্যে মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছে মসজিদ কমিটি।

গোপালপুরে নির্মিত হয়েছে মুসলিম বিশ্বের অনন্য ইসলামিক স্থাপনা ২০১ গম্বুজ মসজিদ। উপজেলা সদর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে ১৫ বিঘা জমির উপর মসজিদটি অবস্থিত।

পাথালিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা। বিশ্বের পুরাকীর্তির ইতিহাসে ইতোমধ্যে ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি নাম লিখিয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আসছে মসজিদটি একনজর দেখতে ও নামাজ আদায় করতে।

নয়নাভিরাম স্থাপত্যশিল্পে নির্মাণ করা হয়েছে মসজিদের ২০১টি গম্বুজ। মাঝখানে রয়েছে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি বড় গম্বুজ। তার চারপাশে রয়েছে ১৭ ফুট উচ্চতার ২০০টি গম্বুজ। পৃথিবীর কোন মসজিদেই এতো গম্বুজ নেই। মসজিদে আজান প্রচারের জন্য নির্মাণ হচ্ছে ৪৫১ ফিট উচ্চতার নান্দনিক মিনার। যা পৃথিবীর ইতিহাসে মসজিদে এটিই সবচেয়ে উঁচু মিনার। মসজিদের চারকোনায় স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের ১১৫ ফুট উচ্চতার চারটি এবং ৮১ ফুট উচ্চতার আরও চারটি মিনার ইমারতের অবয়বকে আকর্ষণীয় করেছে।

মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের ভাই মো. হুমায়ুন কবির জানান, ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ১৪৪ ফুট প্রস্থ দ্বিতল মসজিদটিতে এক সঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সে রয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা। মিহরাবের দুই পাশে নির্মাণ হচ্ছে লাশ রাখার জন্য হিমাগার। দেয়ালে পিতলে খোদাইকৃত ৩০ পারা পবিত্র কোরআন শরীফ অঙ্কিত করা হয়েছে। যে কেউ বসে বা দাঁড়িয়ে তা পাঠ করতে পারেন। মসজিদের দরজা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে পাঁচ টন পিতল। মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে নির্মিত হচ্ছে দুটো পৃথক পাঁচতলা ভবন। সেখানে থাকবে দুস্থ নারীদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। মসজিদ পরিদর্শনে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে তৈরি করা হয়েছে দুটি হেলিপ্যাড।

মসজিদ থেকে অনতিদূরে নির্মাণ হচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য অতিথিশালা। দেশি-বিদেশি পর্যটক, অলি-আউলিয়া ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আগমন ঘটবে বলে মনে করছেন এর উদ্যোক্তারা। এর মধ্যে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর পদভারে প্রকম্পিত হচ্ছে মসজিদ ক্যাম্পাস।

২০১৩ সালে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রফিকুল ইসলামের মাতা, মরহুম রিজিয়া খাতুন। অবকাঠামোগত কাজ শেষে এখন চলছে ফিনিশিং। চার মাসের মধ্যে মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছে মসজিদ কমিটি।

অনন্য স্থাপনা ২০১ গম্বুজ মসজিদ, পর্যটনের সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ নভেম্বর, ২০২১ | ২:৩৫ 18 ভিউ

গোপালপুরে নির্মিত হয়েছে মুসলিম বিশ্বের অনন্য ইসলামিক স্থাপনা ২০১ গম্বুজ মসজিদ। উপজেলা সদর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে ১৫ বিঘা জমির উপর মসজিদটি অবস্থিত। পাথালিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা। বিশ্বের পুরাকীর্তির ইতিহাসে ইতোমধ্যে ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি নাম লিখিয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আসছে মসজিদটি একনজর দেখতে ও নামাজ আদায় করতে। নয়নাভিরাম স্থাপত্যশিল্পে নির্মাণ করা হয়েছে মসজিদের ২০১টি গম্বুজ। মাঝখানে রয়েছে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি বড় গম্বুজ। তার চারপাশে রয়েছে ১৭ ফুট উচ্চতার ২০০টি গম্বুজ। পৃথিবীর কোন মসজিদেই এতো গম্বুজ নেই। মসজিদে আজান প্রচারের জন্য নির্মাণ হচ্ছে ৪৫১ ফিট উচ্চতার নান্দনিক মিনার। যা পৃথিবীর ইতিহাসে মসজিদে এটিই সবচেয়ে উঁচু মিনার। মসজিদের চারকোনায় স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের ১১৫ ফুট উচ্চতার চারটি এবং ৮১ ফুট উচ্চতার আরও চারটি মিনার ইমারতের অবয়বকে আকর্ষণীয় করেছে। মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের ভাই মো. হুমায়ুন কবির জানান, ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ১৪৪ ফুট প্রস্থ দ্বিতল মসজিদটিতে এক সঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সে রয়েছে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা। মিহরাবের দুই পাশে নির্মাণ হচ্ছে লাশ রাখার জন্য হিমাগার। দেয়ালে পিতলে খোদাইকৃত ৩০ পারা পবিত্র কোরআন শরীফ অঙ্কিত করা হয়েছে। যে কেউ বসে বা দাঁড়িয়ে তা পাঠ করতে পারেন। মসজিদের দরজা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে পাঁচ টন পিতল। মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে নির্মিত হচ্ছে দুটো পৃথক পাঁচতলা ভবন। সেখানে থাকবে দুস্থ নারীদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। মসজিদ পরিদর্শনে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে তৈরি করা হয়েছে দুটি হেলিপ্যাড। মসজিদ থেকে অনতিদূরে নির্মাণ হচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য অতিথিশালা। দেশি-বিদেশি পর্যটক, অলি-আউলিয়া ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আগমন ঘটবে বলে মনে করছেন এর উদ্যোক্তারা। এর মধ্যে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর পদভারে প্রকম্পিত হচ্ছে মসজিদ ক্যাম্পাস। ২০১৩ সালে মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রফিকুল ইসলামের মাতা, মরহুম রিজিয়া খাতুন। অবকাঠামোগত কাজ শেষে এখন চলছে ফিনিশিং। চার মাসের মধ্যে মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছে মসজিদ কমিটি।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: