বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের তৎপরতা – ডোনেট বাংলাদেশ

মোঃ সাখাওয়াত হোসেন
সহকারী অধ্যাপক ও সভাপতি, ক্রিমিনোলজি এ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিতঃ ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
৮:৪৬ অপরাহ্ণ
32 ভিউ

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের তৎপরতা

মোঃ সাখাওয়াত হোসেন
সহকারী অধ্যাপক ও সভাপতি, ক্রিমিনোলজি এ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
আপডেটঃ ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ | ৮:৪৬ 32 ভিউ
মানবাধিকার প্রত্যয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। মানবাধিকারের কোনরূপ ব্যত্যয় ঘটলে মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে মানবাধিকারের ভিন্নতা রয়েছে। আবার একটি জায়গায় প্রত্যেকের মানবাধিকার অভিন্ন। একজন মানুষ জন্মগতভাবেই অনেক অধিকারের গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে থাকে। এ মানবাধিকারের বিষয়টি সব জায়গায় অভিন্ন। আবার ভিন্ন দিকে, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের জন্য যে সকল সুযোগ-সুবিধা সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করে, সেসবের সমাহার মানবাধিকার। এক্ষেত্রে এক দেশ থেকে অন্য দেশের ভিন্নতা রয়েছে। কোন কোন রাষ্ট্র তার নাগরিকদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান করে। আবার অন্য রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। কাজেই, ব্যবহারবিধির ওপর ভিত্তি করে মানবাধিকারের ভিন্নতা রয়েছে। তবে প্রত্যেক কল্যাণ রাষ্ট্রই তার নাগরিকদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের মানবাধিকার

পরিস্থিতিতে পশ্চিমা বিশে^র তৎপরতা নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেননা, পশ্চিমা বিশে^র প্রতিনিধিরা সাধারণত কোন উদ্দেশ্যকে বিবেচনায় নিয়েই সবসময়ই তাদের তৎপরতাকে সামনে নিয়ে আসে। আমরা দেখেছি, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সময় পশ্চিমাদের অযাচিত হস্তক্ষেপ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কারও অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ ধৃষ্টতার শামিল। অনুরূপ বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমাদের স্বার্থসিদ্ধি উদ্ধারের প্রক্রিয়াও হতে পারে এ ধরনের অপতৎপরতা। রাশিয়া-ইউক্রেন সঙ্কটে সমগ্র বিশে^র মানুষকে মূল্য দিতে হচ্ছে। লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার। অথচ সেখানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে অন্যান্য দেশে তারা তাদের হস্তক্ষেপ দেখানোর পাঁয়তারা করছে। এটা কোনভাবেই মানা যেতে পারে না। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা মানবাধিকার লঙ্ঘনকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখতে পারেন

না। তারা মনে করেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে কোন ঘটনা দেশের সীমারেখার বাইরেও ক্ষতির কারণ হিসেবে দাঁড়াতে পারে। উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো, তারা নিজ দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কোন মন্তব্য করে না। তারা মনে করে যে, তাদের দেশের গণমাধ্যম স্বাধীন এবং গণমাধ্যমেই তাদের দেশের সার্বিক পরিস্থিতি উঠে আসে। মার্কিন কর্মকর্তারা মানবাধিকারের সূচক মূল্যায়নে সাতটি ক্ষেত্রের প্রতি নজর দিয়ে থাকে। ১. ব্যক্তির মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধা, যা বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, নির্যাতন ও বিধিবহির্ভূত গ্রেফতারের সঙ্গে সম্পর্কিত; ২. নাগরিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা, যা বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, নির্যাতন ও বিধিবহির্ভূত গ্রেফতারের সঙ্গে সম্পর্কিত; ৩. রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের স্বাধীনতা; ৪. সরকারের দুর্নীতি ও স্বচ্ছতার অভাব; ৫.

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক ও বেসরকারী তদন্তের প্রতি সরকারের মনোভাব; ৬. বৈষম্য ও সামাজিক হয়রানি- যার মধ্যে রয়েছে নারী, শিশু, যৌন ও লৈঙ্গিক সংখ্যালঘু, জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার; এবং ৭. শ্রমিক অধিকার, যার মধ্যে রয়েছে ইউনিয়ন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের অধিকার এবং জোরপূর্বক শ্রম, শিশু শ্রম ও নিয়োগের ক্ষেত্রে বৈষম্য নিষিদ্ধ করা। এখন এ ৭টি বিষয়কে সূচক ধরে যদি বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে যথার্থরূপে মূল্যায়ন করা হয়, ঢালাওভাবে যেভাবে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সে সুযোগ আর থাকবে না। কেননা, বাংলাদেশে শ্রম আইনে শিশুশ্রমকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যে কোন শিল্প-কারখানার অগ্রভাবে ‘এখানে শিশু শ্রমিক নিয়োগ দেয়া হয় না’

মর্মে নোটিস টাঙানো থাকে এবং সেটি টাঙানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সরকারের শাসনামলে শ্রমিকদের শ্রমের মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তুলনামূলক বিশ্লেষণে বর্তমান সরকারের শাসনামলেই নিজেদের নিরাপদ ও সুরক্ষিত মনে করে। সুষ্ঠু প্রমাণ সাপেক্ষে অভিযোগ পেলে সরকারের ব্যবস্থা গ্রহণে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই। বিভিন্ন সময়ে আমরা দেখেছি সরকারী অফিসে দুর্নীতির চিত্র। অনেকেই টাকা পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে বিদেশে। অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পি কে হালদারের মতো অনেককেই বিদেশ থেকে গ্রেফতার করে দেশে ফেরত এনে বিচার কাজ পরিচালনার প্রক্রিয়া চলছে। রাজনৈতিক দলগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতিক্রমে সভা-সমাবেশ করার অনুমতি পাচ্ছে। তবে সমসাময়িক সময়ে পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনাটি আতঙ্ক ছড়িয়েছে, যা কাম্য নয়। একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের

তথ্যমতে, চলতি বছরের গত সাত মাসে ১১টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, ২০২১ সালে পুলিশ হেফাজতে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ৫ বছরে ১৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা চাই, প্রত্যেকটি ঘটনার যথার্থ কারণ নির্ণয়পূর্বক দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এ সংক্রান্তে ১৯টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েক জনের শাস্তি হয়েছে। বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিষয়গুলো সুরাহার জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এই প্রেক্ষাপটে সংবিধান অনুযায়ী সবার মানবাধিকার সমুন্নত রাখার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ। ব্রাসেলসে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) যৌথ কমিশনের বৈঠকে সুশাসন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, রোহিঙ্গা সমস্যা, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য

সহযোগিতা, অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়ন সহযোগিতা, শিক্ষা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইইউর ওয়েবসাইটে প্রচারিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতিশীল নাগরিক সমাজকে গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে অভিহিত করে আলোচনায় বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানায় ইইউ। বিশেষ করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন এবং এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছে তারা। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের (ডিএসএ) কাঠামোর কারণে অফ ও অনলাইনে নাগরিক মতামতের চর্চা এবং মতপ্রকাশের অধিকার সঙ্কুচিত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ইইউ। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ব্যাখ্যা হচ্ছে- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য। বাক স্বাধীনতা হরণের জন্য নয়। এ আইনে কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তা

তদন্তের জন্য নির্ধারিত সেলে পাঠাতে হবে। আইনমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই আইন যখন বাস্তবায়ন করা হয় সেখানে কিছু মিসইউজ ও কিছু এ্যাবিউজ হয়েছে। এগুলো যাতে না হয়, সে বিষয়ে আমাদের সজাগ এবং সচেতন থাকতে হবে। অপব্যবহার রোধে প্রয়োজনে আইন সংশোধন করা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করা যাবে না। তিনি বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে দু’বার আলোচনা করেছি। সেই অফিসকে অবহিত করা হয়েছে, আমরা আরও আলোচনার জন্য প্রস্তুত। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকারী জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের সর্বশেষ দেয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী জাতিসংঘের দৃষ্টিতে মানবাধিকারের বিষয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে কোন উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়নি। জেনেভায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের দৃষ্টিতে নিজের মেয়াদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্যাচেলেট। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দেয়া প্রতিবেদনের বড় অংশ জুড়ে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও মানবিক বিপর্যয়ের ফলে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার। মিয়ানমারে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দেশটির জান্তা সরকারকে দায়ী করে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবেদনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করা হয়। ইউক্রেনে আক্রমণ বন্ধের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে, উভয়পক্ষকেই সবসময় এবং সব পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনকে সম্মান করার অনুরোধ জানানো হয়। কাজেই, যে বা যারা বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, শঙ্কা জানিয়েছেন, তাদের জ্ঞাতার্থে জানাতে চাই, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে নিজ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করুন। তবে তারা যে কাজটি করতে পারে তা হচ্ছে, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নানাবিধ সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করে পরামর্শক সহযোগীর ভূমিকা পালন করতে। আমরা আশা করব, পরচর্চা না করে স্ব স্ব দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তারা কাজ করবে। কারও প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে, সঠিক তথ্য-উপাত্ত না জেনে মন্তব্য প্রদানে বিরত থাকার পরামর্শ রইল।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চিরিরবন্দর দুই কেজি গাঁজা ও মাদক বিক্রির টাকাসহ গ্রেফতার দুই সম্প্রতি কুড়িয়ে পাওয়া সেই টাকার মালিক কে খোঁজে না পেয়ে অন্ধ হাফেজের চিকিৎসার জন‍্য দিলেন সৌরভ।। কলারোয়ায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সাথে মতবিনিময় টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগ চালাচ্ছেন আলহাজ্ব শেখ আমজাদ হোসেন ইউপি সদস্য ওমর ফারুককের হত্যা মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড সমাবেশ শুরুর আগেই হাজারীবাগে আ.লীগ-বিএনপির সংঘর্ষ মামলায় আসামি মৃত ব্যক্তি, ছাত্রলীগকর্মীও কুমিল্লা পিবিআই কার্যালয় থেকে অস্ত্র-গুলিসহ মালামাল চুরি ইউক্রেন ইস্যুতে ঢাকার সহযোগিতা চায় টোকিও এবার কানাডা যাচ্ছেন মুহিবুল্লাহর মাসহ ১৪ স্বজন পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে যাবে না আওয়ামী লীগ সংস্কৃতিজনদের ভালোবাসায় সিক্ত সাফজয়ী নারী ফুটবলাররা মাদক মামলায় পুলিশ-র‌্যাবের সদস্যও কারাগারে আছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবদের জন্য সতর্কবার্তা স্বাক্ষর যাঁর দায়িত্ব তাঁর তাল মেলাতে পারছে না দেশের পর্যটন খাত ওডেসায় সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানল রাশিয়ার ড্রোন হাজারীবাগে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ রাশিয়ার স্কুলে ভয়াবহ হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ বিপিএলে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক কত, জানাল বিসিবি ‘বড় ভাইদের আশ্বাসে’ অনশন বাতিল করে ক্যাম্পাসে ফিরলেন ইডেনের সেই নেত্রীরা