২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সমসাময়িক
অপরাধ

এক ক্লিকে বিভাগের সব খবর

অনুসন্ধান করুন
খেলাধুলা
বিনোদন
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

পরিচালক ভিকি জাহেদের প্রথম সিনেমা ‘খলনায়ক’-এ অভিনয় করছেন আফরান নিশো, চঞ্চল চৌধুরী ও তমা মির্জা। এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিনেমাটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ঘরানার হবে বলে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞাপন এই ..আরো দেখুন...
লাইফস্টাইল
২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আইন-আদালত
২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ :

শ্রমিক আন্দোলনে ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশের দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম   শ্রমিক আন্দোলনে ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশের দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বিশ্বকাপ ফাইনালকেও ছাড়াল   ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বিশ্বকাপ ফাইনালকেও ছাড়াল উয়েফার চাপে বিশ্বকাপ বিক্রি সংক্রান্ত নথি প্রকাশে রাজি ফিফা   উয়েফার চাপে বিশ্বকাপ বিক্রি সংক্রান্ত নথি প্রকাশে রাজি ফিফা ইউরোপের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা   ইউরোপের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা নিউজিল্যান্ডের শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চারটি পরিবর্তন   নিউজিল্যান্ডের শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চারটি পরিবর্তন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা   মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।   ২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ৩০ আহত, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা   গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ৩০ আহত, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা