সি ড্রাইভের টুকিটাকি


ল্যাপটপের ‘সি’ ড্রাইভে সব সফটওয়্যারের ফাইল সুরক্ষিত থাকে। যখন কাজ করা হয়, তখন কোনো অ্যাপ্লিকেশন চালু করলে সেটি সি ড্রাইভের স্পেস নেয়। তাই কোনোভাবে সি ড্রাইভ ফুল হয়ে গেলে কোনো কাজই আর করা সম্ভব হয় না। জরুরি হয়ে পড়ে জায়গা বাড়ানোর। সি ড্রাইভ ফুল! প্রথমত, কম্পিউটারের সি ড্রাইভের স্পেস ফুল হয়ে লাল হওয়ার কারণ হচ্ছে যখন কম্পিউটার কেনা হয়, তখন সি ড্রাইভের জন্য কম মেমোরি বরাদ্দ করা হয়। প্রয়োজনে সফটওয়্যার ইনস্টল করলে তার ফাইল এবং রান হওয়ার সব ধরনের কাজই সি ড্রাইভের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। আর এ কারণেই যখন কম স্পেস নিয়ে কম্পিউটার চালু করা হয়, তখন দুই থেকে তিনটি সফটওয়্যার চালু করলেই সি ড্রাইভ ফুল হয়ে পুরো পিসি হ্যাং করে। ফলে আর কাজ করা সম্ভব হয় না। কীভাবে স্পেস বাড়াবেন সি ড্রাইভের স্পেস বাড়ানোর জন্য সহজ উপায় হচ্ছে ডাউনলোড, ডেস্কটপ, ডকুমেন্ট, মিউজিক, পিকচার এবং ভিডিও ফাইল ফোল্ডার থেকে অপ্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ডিলিট করে দেওয়া। তারপর নিচের টুলবারে সার্চ অপশনে গিয়ে রান লিখে সার্চ দিতে হবে। রান অপশনে গিয়ে Temp লিখে এন্টার বাটনে ক্লিক করলে টেম্পোরারি কিছু ফাইল ফোল্ডার দৃশ্যমান হবে। এখানকার ফাইল কোনো কাজেই আসে না। ফলে সেগুলো ডিলিট করে দিতে হবে। একই পদ্ধতিতে রান অপশনে ‘%temp%’, recent লিখে অপ্রয়োজনীয় সব ফাইল ডিলিট করতে হবে। সব শেষে রিসাইকিল বিনে জমে থাকা ফাইল ডিলিট করতে হবে। উল্লিখিত পদ্ধতিতে সি ড্রাইভের স্পেস বাড়ানো যায়। উইন্ডোজে ‘ডিস্ক ক্লিনআপ’ নামে টুল আছে। সেটি বের করে সি ড্রাইভ ক্লিন করা যায়। উইন্ডোজ আপডেট করার ফলে অনেক সময় পুরোনো উইন্ডোজ সংস্করণ জমা থেকে যায়। ফলে টুল ক্লিন করার সময় পুরোনো সব ফাইল ডিলিট হয়ে যাবে। আরকটি পদ্ধতি হলো নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করা। উইন্ডোজ দেওয়ার সঙ্গে পার্টিশন ভেঙে নতুন করে স্পেস বাড়ানোর সুবিধা পাওয়া যায়। তাতেও সি ড্রাইভের সব ফাইল ডিলিট হয়ে যাবে। তাই পার্টিশন দেওয়ার আগে অবশ্যই সতর্ক থেকে প্রয়োজনীয় সব ফাইল ব্যাকআপ করে সুরক্ষিত রাখতে হবে।